শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবলিক পরীক্ষার সব ফি দেবে সরকার  » «   বাচ্চারা সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইভিএম, দাবি লালুপুত্রের  » «   আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  » «   পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়: মমতা  » «   কুলাউড়ায় ওজন বাড়াতে চিংড়িতে বিষাক্ত জেলি!  » «   শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ: ‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি রোজা রাখছি’  » «   কিছুটা সময় লাগলেও ইসরাইল-আমেরিকার পতন অনিবার্য: ধর্মীয় নেতা  » «   মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি: সিলেটে ওয়েল ফুডকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   একক দল হিসেবেই ম্যাজিক ফিগারে মোদির বিজেপি!  » «   পারিবারিক কলহে সৎ মাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছেলে  » «   রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   পবিত্র কোরআন কেটে ভেতরে ইয়াবা পাচার, ৩ রোহিঙ্গা আটক  » «   গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার জন নিহত  » «   খালেদার কারামুক্তি, এবারও ‘হ্যান্ডল’ করতে পারেনি বিএনপি!  » «   বালিশ মাসুদের খোলা চিঠি  » «  

মরণঘাতী ব্লু-হোয়েল: নবম ধাপে যা চ্যালেঞ্জ দিল কিশোরকে!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::বিশ্বজুড়ে চলছে মরণ গেম ব্লু হোয়েল তথা নীল তিমির আতঙ্ক। কথিত এই গেম খেলে এরই মধ্যে অনেকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বাদ পড়েনি বাংলাদেশও। সম্প্রতি বাংলাদেশে কয়েকজন কিশোর-কিশোরীর মৃত্যুর জন্য ব্লু হোয়েলকে দায়ী করা হচ্ছে। গেমটির শেষ পরিণতি হিসেবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে অনেকেই। আবার অনেকেই প্রচণ্ড মনোবলের সাথে এই মরণফাঁদ জয় করেছেন বলে জানিয়েছেন।

বেঁচে যাওয়া এমনই একজন কলকাতার তরুণ বিজয় (ছদ্মনাম)। প্রকৌশলবিদ্যার তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বিজয় সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপে এই ব্লু হোয়েল গেমটির কথা প্রথম শোনেন তিনি। সেখানে অনলাইনে এই গেম খেলতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে সেসব কথায় কান না দিয়ে চলতি বছরের আগস্টে গেমটি খেলতে শুরু করেন তিনি। গেমটির অষ্টম ধাপে তাকে হাত কেটে নীল তিমি আঁকতে বলা হয়। কথামতো হাত কাটেন তিনি। পরের ধাপে কাটতে বলা হয় ঠোঁট। তখনই ভয়ে পিছিয়ে যান বিজয়।

বিজয় তার হাতে আঁকা নীল তিমির ছবি বের করে দেখিয়ে এনডিটিভিকে বলেন, যিনিই এই গেম খেলে থাকেন না কেন, আমি বলব এখনই বন্ধ করুন। এটা কোনো খেলা নয়। তারা আপনাকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ দেবে, আর এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবে যে আপনি আর ফিরতে পারবেন না। তারা আপনাকে আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যাবে। আপনি বাধ্য হবেন।

কলকাতার ওই শিার্থীকে ব্লু হোয়েল ‘ফাঁদ’ থেকে ফিরিয়ে আনেন ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির এক কর্মকর্তা। তিনি জানান, বিজয়ের হাতে নীল তিমির ছবি দেখে তার সহপাঠী বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে জানান। তিনি এ তথ্য দেন সিআইডিকে। এর পরই মাঠে নামেন ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

সিআইডি কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রথমে বলিনি আমি একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আমি তার কাছে নিজেকে কাউন্সেলর (পরামর্শক) বলে পরিচয় দিই। তবে সে খুব ভয় পাচ্ছিল। সে ধারণা করছিল, খেলা বন্ধ করলে তাকে ফোন করে হুমকি দেয়া হবে। গেমটি থেকে ফেরানোর জন্য ওই সিআইডি কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান ওই তরুণ। তিনি বলেন, আমার বন্ধু ও সিআইডি কর্মকর্তার হস্তক্ষেপের জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ। নয়া দিগন্ত

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: