শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লাগামহীনভাবে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য: রমজানপূর্ব মজুদদারিতে কারসাজি  » «   সন্ত্রাস ও হিংসা মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে পাকিস্তানকে আহ্বান মোদির  » «   সংসদে লুকিয়ে চকলেট খেয়ে ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো!  » «   নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে অন্যরকম সম্মান দেখালো আরব আমিরাত  » «   ‘ইসলাম গ্রহণ করবেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট’  » «   শাহজালাল বিমানবন্দরে ময়লার ঝুড়ি থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার  » «   ভারতে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রথম তালিকা ঘোষণা করলো বিজেপি  » «   সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «  

মধ্যরাতে কম্পিউটার ব্যাবহার বাড়ায় হতাশা!



LONDON - JULY 10:  In this photo illustration a girl browses the social networking site Facebook on July 10, 2007 in London, England. Facebook has been rapidly catching up on MySpace as the premier social networking website and as of July 2007 was the secondmost visited such site on the World Wide Web. Started by 22-year-old Harvard dropout Mark Zuckerberg, the website is responsible for 1% of all internet traffic and is the sixth most visited site in the USA.   (Photo Illustration by Chris Jackson/Getty Images)

LONDON – JULY 10: In this photo illustration a girl browses the social networking site Facebook on July 10, 2007 in London, England. Facebook has been rapidly catching up on MySpace as the premier social networking website and as of July 2007 was the secondmost visited such site on the World Wide Web. Started by 22-year-old Harvard dropout Mark Zuckerberg, the website is responsible for 1% of all internet traffic and is the sixth most visited site in the USA. (Photo Illustration by Chris Jackson/Getty Images)

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক :: ইলেকট্রনিক পণ্যের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং দীর্ঘ সান্নিধ্যের কারণে শারীরিক নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে মেরুদন্ডে স্থায়ী ব্যথা এবং হতাশা অন্যতম হয়ে উঠেছে। গবেষকেরা এমনটাই বলছেন। এ বিষয়ে গবেষক ট্রেসি বেডরোসিয়ান জানান, মানুষের মধ্যে দিন দিন হতাশা বাড়ছে। আর এ সংখ্যা মহিলাদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি। কর্মবিমুখ এবং নানামুখী চাপে মহিলারা হতাশায় ভুগছেন। এর জন্য মধ্যরাতের কম্পিউটার ব্যবহার এবং টিভি দেখাতেই অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাতে ঘুমের সময় টিভি বা কম্পিউটার ব্যবহার হতাশা সৃষ্টি করে। গবেষণায় এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। আর নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রে ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টার সূত্র। বিনোদন ও তথ্যের প্রয়োজনে মধ্যরাতে টিভি বা কম্পিউটার স্ক্রিনে দীর্ঘসময় কাজ করলে আসক্তি বাড়ে। এটা আগেই প্রমাণ হয়। কিন্তু এবারের গবেষণায় উঠে এসেছে হতাশা এবং মেরুদন্ডের ব্যথার জন্য এ দুটি অভ্যাসই দায়ী। গত ৫০ বছরে বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। আর তা ছড়িয়ে পড়ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: