মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

মঙ্গল গ্রহের চিহ্নিত রেখাগুলি পানির নয় : নাসা



full_2108607204_1470032792নিউজ ডেস্ক: মঙ্গল গ্রহের ‘গালি’ এলাকাগুলোতে যে দাগগুলি রয়েছে বা এখনও গজিয়ে উঠছে, খুব সম্ভবত সেগুলি পানির স্রোতের জন্য তৈরি হয়নি। নাসার মহাকাশযান ‘মার্স রিকনাইসেন্স অরবিটার’ (এমআরও)-এর পাঠানো তথ্যাদি তেমনটাই জানাচ্ছে।

এর আগে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, পানির স্রোতের জন্যই ওই দাগগুলি তৈরি হয়েছে। কার্বন ডাই-অক্সাইডের বরফই ওই ‘গালি’ এলাকগুলো বানাতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের অনুমান।

কোন কোন অঞ্চলগুলিকে মঙ্গলের ‘গালি’ এলাকা বলা হয় তার ব্যাখ্যায় বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন মঙ্গলের পিঠে যেসব এলাকায় একই সঙ্গে তিন রকমের গঠন দেখা যায়, সেই সব এলাকাগুলিকেই বলা হয় ‘গালি’।

ওই এলাকাগুলির চেহারায় তিন রকমের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। উপরের দিকে রয়েছে একটা চোরা কুঠুরি, কোনো তরল পদার্থ বয়ে যাওয়ার পথ (চ্যানেল) আর নীচে জমে রয়েছে থিতিয়ে পড়া পদার্থগুলি।

এই ‘গালি’ ছাড়াও মঙ্গলের পিঠে আরও এক ধরনের এলাকা রয়েছে, যেগুলিকে বলা হয় ‘স্ট্রিক্‌স’। মানে ডোরাকাটা বা আঁকাবাঁকা দাগ। ওই ‘স্ট্রিক্‌স’গুলোকে ‘রেকারিং স্লোপ লাইনি’ – ও বলা হয়। ওই ‘স্ট্রিক্‌স’গুলো মুলত ভিজা লবণ দিয়েই তৈরি হয়েছে। তার মানে কোনো এক সময় ওই ‘স্ট্রিক্‌স’ এলাকায় পানি বইয়ে যেত মঙ্গল গ্রহে।

কিন্তু ‘গালি’ এলাকার দাগগুলিকে যে পানির প্রবাহ-পথ বলে মনে করা হয়েছিল নাসার মহাকাশযান ‘এমআরও’-র পাঠানো তথ্যাদি তাকে সমর্থন করেনি। কার্বন ডাই-অক্সাইডের বরফই ওই ‘গালি’ এলাকার গঠনে বড় ভূমিকা নিয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।

‘এমআরও’-র পাঠানো তথ্যাদির ভিত্তিতে গবেষণাটি চালিয়েছেন মেরিল্যান্ডে জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স ল্যাবরেটরির গবেষকরা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: