সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্লিনটনের যৌন কেচ্ছা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য হিলারির  » «   সংসদ নির্বাচনের জন্য ৭০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন  » «   বাল্যবিবাহের বিশেষ বিধান ‘ধর্ষণে’ প্রযোজ্য নয়  » «   বিশ্বনাথে প্রবাসীর স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায়…  » «   যেসব কারণে ইসির সভা থেকে বেরিয়ে যান কমিশনার মাহবুব  » «   সৌদি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই গুম-হত্যা!  » «   শাস্তির বিধান রেখে সম্প্রচার আইনের খসড়া অনুমোদন  » «   সম্পাদক পরিষদের তথ্যে ঘাটতি আছে: তথ্যমন্ত্রী  » «   প্রশ্নফাঁস: ঢাবির ঘ ইউনিটের ফল প্রকাশ স্থগিত  » «   আমেরিকার সতর্কতার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি সৌদির  » «   বন্দরবাজারে স্বেচ্ছাসবক দলের মিছিলে পুলিশের বাধা, আটক ১  » «   সন্ত্রাসীদের হুমকি নভেম্বরেই খুন করা হবে মোদিকে!  » «   শাহবাগ-সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা বন্ধে আইনি নোটিশ  » «   ফেক এনকাউন্টার: ভারতে সাত সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন  » «   আবারো নির্বাচন কমিশনের সভা বর্জন করলেন কমিশনার মাহবুব  » «  

ভুল সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা : অনিশ্চয়তায় ১৬ পরীক্ষার্থী



নিউজ ডেস্ক::চলতি মাধ্যমিক পরীক্ষায় কেন্দ্র সচিবের হটকারী সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বে অবহেলা এবং ভুল সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ায় বাধ্য করার কারণে ১৬ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় পাশ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার(৫ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার আর এম এম পি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন কারণে তুষভান্ডার নছর উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ০৯ জন ও চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ০৭ জনসহ ১৬ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ না করায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে চলতি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরিপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেননি তারা ২০১৮ সালের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলে ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের আলোকে পরীক্ষা দিবে। সে অনুয়ায়ী ওই সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি ও পড়ালেখা করে। কিন্তু তুষভান্ডার আর এম.এম.পি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব নলিনী কান্ত রায় সেই নিয়মের কোনো তোয়াক্কা না করে ওই সব শিক্ষার্থীদেরকে ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন সরবরাহ করেন। তাৎক্ষণিক শিক্ষার্থীরা ও কক্ষপরিদর্শকরা বিষয়টি কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করলে কেন্দ্র সচিব বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো শিক্ষার্থীদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দিয়ে সবরাহকৃত প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ার জন্য বাধ্য করেন বলে পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ।

তুষভান্ডার উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক বহুরুল ইসলাম জানান, আমার ০৯ জন শিক্ষার্থী ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পড়ালেখা করেছে। এখন ২০১৭ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ায় পরীক্ষার ফলাফল ভাল হবে না। এতে বিদ্যালয়ের পাশের হার কমে যাবে অপরদিকে ওই শিক্ষার্থীদের একটি বছর শিক্ষা জীবন থেকে ঝড়ে পড়বে। এর দায় সংশি¬ষ্ট কেন্দ্র সচিব এড়াতে পারেন না।

ওই কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, আমি শুধুমাত্র সংশি¬ষ্ট কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ নিরাপত্তার ব্যাপারটি দেখি। সিলেবাস ও প্রশ্নপত্রের দায়িত্ব সংশি¬ষ্ট কেন্দ্র সচিবের।

তুষভান্ডার আর এম এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব নলিনী কান্ত রায় বলেন, আমি পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র নেয়ার জন্য থানায় যাই না। আমার প্রতিনিধিরা যান। ওই দিনের পরীক্ষার দায়িত্বরত পরিদর্শক ও সংশ্লি¬ষ্ট শিক্ষার্থীরাই দায়ী। ওই কক্ষের ৪ জন পরিদর্শককে বহিস্কার করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল হাসান জানান, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: