শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জুটি বাঁধছেন শাকিব-শ্রাবন্তী!  » «   দু’সপ্তাহের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু  » «   অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন প্রতিমন্ত্রী  » «   লামায় অবৈধভাবে প্রবেশকালে ১৪ রোহিঙ্গা আটক  » «   দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদল নেতার দাফন সম্পন্ন  » «   ফেসবুকের কবলে ‘নিঃস্ব’ যুবলীগ নেতা  » «   বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ২০  » «   প্রেসক্লাবে খাদ্যমন্ত্রী ‘খালেদার দীর্ঘ কারাবাস চায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ’  » «   কম সাজায় জামিন আছে তবে…  » «   সীতাকুণ্ডে শিপ ইয়ার্ডে আগুনে নিহত ১  » «   জাতীয় নির্বাচনে ‌বিএনপির অংশগ্রহণ করতে হবে  » «   খালেদার অর্থদণ্ড স্থগিত, নথি তলব  » «   মাশরাফির মেয়ে কোরআনের ছাত্রী!  » «   কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, নারীর ফ্ল্যাটে সচিবের কাণ্ড  » «   যেভাবে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের ফাঁদে ফেলতো সুন্দরী জেরিন  » «  

ভুল সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা : অনিশ্চয়তায় ১৬ পরীক্ষার্থী



নিউজ ডেস্ক::চলতি মাধ্যমিক পরীক্ষায় কেন্দ্র সচিবের হটকারী সিদ্ধান্ত ও দায়িত্বে অবহেলা এবং ভুল সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়ায় বাধ্য করার কারণে ১৬ শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় পাশ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার(৫ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার আর এম এম পি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন কারণে তুষভান্ডার নছর উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ০৯ জন ও চাপারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ০৭ জনসহ ১৬ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ না করায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে চলতি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরিপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেননি তারা ২০১৮ সালের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলে ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের আলোকে পরীক্ষা দিবে। সে অনুয়ায়ী ওই সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি ও পড়ালেখা করে। কিন্তু তুষভান্ডার আর এম.এম.পি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব নলিনী কান্ত রায় সেই নিয়মের কোনো তোয়াক্কা না করে ওই সব শিক্ষার্থীদেরকে ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন সরবরাহ করেন। তাৎক্ষণিক শিক্ষার্থীরা ও কক্ষপরিদর্শকরা বিষয়টি কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করলে কেন্দ্র সচিব বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো শিক্ষার্থীদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দিয়ে সবরাহকৃত প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ার জন্য বাধ্য করেন বলে পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ।

তুষভান্ডার উচ্চ বিদালয়ের প্রধান শিক্ষক বহুরুল ইসলাম জানান, আমার ০৯ জন শিক্ষার্থী ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পড়ালেখা করেছে। এখন ২০১৭ সালের সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ায় পরীক্ষার ফলাফল ভাল হবে না। এতে বিদ্যালয়ের পাশের হার কমে যাবে অপরদিকে ওই শিক্ষার্থীদের একটি বছর শিক্ষা জীবন থেকে ঝড়ে পড়বে। এর দায় সংশি¬ষ্ট কেন্দ্র সচিব এড়াতে পারেন না।

ওই কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, আমি শুধুমাত্র সংশি¬ষ্ট কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ নিরাপত্তার ব্যাপারটি দেখি। সিলেবাস ও প্রশ্নপত্রের দায়িত্ব সংশি¬ষ্ট কেন্দ্র সচিবের।

তুষভান্ডার আর এম এম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব নলিনী কান্ত রায় বলেন, আমি পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র নেয়ার জন্য থানায় যাই না। আমার প্রতিনিধিরা যান। ওই দিনের পরীক্ষার দায়িত্বরত পরিদর্শক ও সংশ্লি¬ষ্ট শিক্ষার্থীরাই দায়ী। ওই কক্ষের ৪ জন পরিদর্শককে বহিস্কার করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল হাসান জানান, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: