মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

ভিন্ন দেশের ভিন্ন রকমের ইফতার আইটেম



নিউজ ডেস্ক:: প্রতিদিন রোজা রাখার পর রোজা শেষ করা হয় ইফতারের মাধ্যমে। ইফতারের আয়োজনে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু আইটেম থাকে। সব দেশের ইফতারি আইটেম এক রকম হয় না, আইটেমগুলো দেশভেদে আলাদা হয়।
আমাদের প্রিয় দেশকে দিয়েই শুরু করা যাক ইফতারি আইটেমের বর্ননা। বাংলাদেশের প্রতিদিন ইফতারিতে থাকে শরবত, খেজুর, পেঁয়াজু, বেগুনি, হালিম, জিলাপি, মুড়ি ও ছোলা। আবার অনেকেই একটু ব্যতিক্রমী হলে থাকে সমুচা, মিষ্টি, ফিশ কাবাব, মাংসের কিমা ও মসলা দিয়ে তৈরি কাবাবের সঙ্গে পরোটা ও ফল। আমাদের দেশে এসব খাবার ইফতার টেবিলকে থাকা পরিপূর্ণ রূপ।
ভারত:
ভারতীয়দের হায়াদ্রাবাদের হালিম দিয়ে ইফতার শুরু হয়, সাইরেন ও আজানের পর ভারতীয় মুসলিমরা খেজুর ও পানি পানের মাধ্যমে ইফতার করেন। দিল্লি, মধ্য প্রদেশ ও উত্তর প্রদেশে পরিবার ও প্রিয়জনেরা একসঙ্গে ফলের রস ও পাকোড়া এবং সমুচার মতো ফ্রাইড ডিশ দিয়ে ইফতার শুরু করেন। কেরালা ও তামিলনাড়ু ননবু কাঞ্জি দিয়ে ইফতার হয়। এটি চাল, সবজি ও মাংস দিয়ে তৈরি ভাত জাতীয় একটি আইটেম।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানিদের ইফতারে থাকে ভারী আয়োজন ভরা। তাদের ইফতারে রাখা হয়- চিকেন, স্প্রিং রোল, শামী কাবাব, সমুচা, চাটনি, ক্যাচআপ, ফ্রুট সালাদ, চানা চাট, , নামাক পরোটা, মসলাদার ও মিষ্টি খাবার।
ইরান:
ইরানিদের ইফতারি আয়োজনে খুব বেশি কিছু থাকে না। চা, লেভাস বা বারবারি নামের একধরনের রুটি, পনির, মিষ্টি, খেজুর, তাজা ভেষজ উদ্ভিদ ও হালুয়া দিয়েই চলে সেখানকার ইফতার।
মালয়েশিয়া:
মালয়েশিয়ানরা ইফতারে স্থানীয়রা আখের রস ও সয়াবিন মিল্ক খান তাদের ভাষায় যাকে বলা হয় ‌‍‍’মালয়েশিয়ার বারবুকা পুয়াসা’। স্থানীয় খাবারের মধ্যে থাকে লেমাক লাঞ্জা, নাসি আয়াম, পপিয়া বানাস, আয়াম পেরিক ও অন্যান্য খাবার। মালয়েশিয়ার বেশিরভাগ মসজিদে রোজায় আসরের নামাজের পর স্থানীয়দের ফ্রি রাইস পরিজ দেওয়া হয়।
আরব:
আরবে শুরুতেই ইফতারে খেজুর খাওয়া হয়। তার পর থাকে ডালের স্যুপ। মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর ইফতারের তৃতীয় ধাপে মেইন ডিশ হিসেবে মেষের পা, টমেটো, শসা, পিতা সালাদ, সুজির কেক ও সবুজ চা খাওয়া হয়।
আফগানিস্তান:
গরু বা খ‍াসির মাংসের কাবাব দিয়ে তাদের ইফতার শুুরু হয়। তারপর বিভিন্ন প্রকার ফ্রেশ ও শুকনো ফল এবং জুস এ অঞ্চলের ইফতার টেবিলের মধ্যমণি।
ব্রুনাই দারুসসালাম:
ইফতারকে স্থানীয় ভাষায় তারা সোংকাই বলে। সরকার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই সোংকাইয়ের আয়োজন করে। এটি ঐতিহ্যগতভাবে আঞ্চলিক বা গ্রামের মসজিদে আয়োজন করা হয়। ইফতারের আগে বেদুক নামে এক ধরনের ড্রাম বাজানো হয়। বেদুক বাজা মানে ইফতারের সময় হয়ে গেছে। রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে সোংকাইয়ের সংকেত হিসেবে কামান থেকে গুলি ছোড়া হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: