শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২২ আগস্ট থেকে গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করে দিচ্ছে ফেসবুক  » «   রাজনীতিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল?  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজী নিহত, আহত ১৭  » «   ফের পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি  » «   গভীর রাতে স্ত্রীকে মেডিকেলে নেয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  » «   মিরপুরে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়েছে ৬০০ ঘর, ধ্বংসস্তুপে চলছে অনুসন্ধান  » «   বেফাঁস মন্তব্যে ফাঁসলেন জাকির নায়েক, হারাচ্ছেন নাগরিকত্ব  » «   কাশ্মীরে খুলছে স্কুল-কলেজ, তুলে নেওয়া হচ্ছে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা  » «   কাশ্মীর সঙ্কট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক সম্পন্ন, নাখোশ ভারত  » «   শিক্ষামন্ত্রীর স্বামীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চীনে টাইফুন লেকিমার আঘাত: নিহত ২৮, ঘরছাড়া ১০ লাখ  » «   কেমন হবে এবার কাশ্মিরীদের ঈদ?  » «   কেন ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি, কারণ বললেন সেতুমন্ত্রী  » «   কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী  » «   সড়ক-রেল-নৌ: সব যাত্রা পথেই ভোগান্তি  » «  

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জীবনরহস্য উন্মোচন



নিউজ ডেস্ক:: পাট, মহিষ ও ইলিশের পর এবার ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের (ছাগল) জীবনরহস্য বা জিন নকশা (জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করেছেন বাংলাদেশের একদল বিজ্ঞানী।বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএলআরআই) গবেষকরা এ সফলতা পেলেন। মঙ্গলবার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান আনুষ্ঠানিকভাবে ছাগলের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ঘোষণা দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এমএএম ইয়াহিয়া খন্দকারের নেতৃত্বে গবেষক দল ছাগলের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন। গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- পোল্ট্রিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্লা, পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঞা, বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আব্দুল জলিল, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. পণির চৌধুরী ও নূরে হাছনি দিশা।

প্রধান গবেষক ড. ইয়াহিয়া খন্দকার বলেন, ছাগলের জীবনরহস্য উন্মোচনের ফলে এখন এর খাদ্যাভাস, শারীরিক গঠন, চামড়া ও প্রজননসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর গবেষণার দ্বার উম্মোচিত হল। ভবিষ্যতে কেউ গবেষণা করতে চাইলে এই জিনোম সিকোয়েন্সিং অনেক কাজে লাগবে।

গবেষক ড. মো. বজলুর রহমান বলেন, এর মাধ্যমে ছাগলের ওজন বৃদ্ধি, দুধ ও বাচ্চা উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং মাংসের গঠন সংক্রান্ত জিন আবিষ্কার করা সহজ হবে। সহজেই ছাগলের মোট জিনের সংখ্যা, গঠন ও কার্যাবলী নিরূপণ করা যাবে।ছাগলের জিনোমে গবেষকরা প্রায় ২ দশমিক ৯ গিগা বেজ নিউক্লিওটাইড পেয়েছেন। এর মাইটোকন্ড্রিয়াল জিনোম সাইজ ১৬ হাজার ৬৪০টি নিউক্লিউটাইড। এতে ৩৭টি জিন রয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ সিকোয়েন্স এনালাইসিস করে ২৬ লাখ পাঁচ হাজার ৩০০টি সিঙ্গেল নিউক্লিউটাইড পলিমরফিজম (এসএনপি) পাওয়া গেছে। বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জিনোমের জিনের সংখ্যা ও গঠন জানার কাজ অব্যাহত রয়েছে।জিনোম হল কোনো প্রজাতি বা জীবের মোট নিউক্লিওটাইডের সমষ্টি। জানা গেছে, বাংলাদেশে মোট ছাগলের ৯০ ভাগই ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: