শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «   গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি ওমরের মুখে মসজিদে হামলার লোমহর্ষক বর্ননা…  » «   আজ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী,আ. লীগের শ্রদ্ধা  » «  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রে পুনঃভোট গ্রহণ চলছে



নিউজ ডেস্ক:: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের আশুগঞ্জ উপজেলার তিনটি কেন্দ্রে পুনঃভোট গ্রহণ চলছে। বুধবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে স্থগিত হওয়া তিনটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

ভোটকেন্দ্র তিনটি হচ্ছে- উপজেলার যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সোহাগপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই তিনটি কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ১০ হাজার ৫৭৪ জন।

এদিকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন অফিস।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ- দোলা খান বলেন, ‘আমি তিনটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে।’

নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থগিত তিনটি কেন্দ্রে ৩৩৯ জন পুলিশ ও ১৩৬ জন আনসার এবং দুই প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করছে। তিনটি কেন্দ্রে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, এ আসন মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগ ছেড়ে দেওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ১৩ জন।

জাতীয় পার্টি থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকে মনোনয়ন না দিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হয় অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার জামাতা জাতীয় পার্টির বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়াকে। মনোনয়ন না পেয়ে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে জামাই রেজাউল পান লাঙ্গল প্রতীক এবং শ্বশুর জিয়াউল হক মৃধা পান সিংহ প্রতীক। নানান নাটকীয়তার পর নির্বাচনের মাত্র দু’দিন আগে ২৮ ডিসেম্বর বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল ইসলাম ভূইয়া তার শ্বশুর জিয়াউল হক মৃধাকে সমর্থন করে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ান।

নির্বাচনে বিএনপির আব্দুস সাত্তার ভূইয়া (ধানের শীষ প্রতীক) ৮২ হাজার ৭২৩ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঈন উদ্দিন মঈন (কলার ছড়া প্রতীকে) ভোট পেয়েছেন ৭২ হাজার ৫৬৪ ভোট। অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা (সিংহ) পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৫ ভোট।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: