শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্যালিফোর্নিয়া দাবানল: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯  » «   রোহিঙ্গারা স্লোগান দিচ্ছে ‘ন যাইয়ুম, ন যাইয়ুম’  » «   প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষায় থাকছে না এমসিকিউ  » «   ঐক্যফ্রন্টের সব দলের প্রতীক ধানের শীষ  » «   চিকিৎসা নিয়ে খালেদার রিটের আদেশ রোববার  » «   বিএনপি জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন খালেদা জিয়া  » «   নয়াপল্টনে সংঘর্ষ: ৩ মামলায় গ্রেফতার ৫০  » «   ভোটের ২-৩ দিন আগে মাঠে সেনাবাহিনী থাকবে: ইসি সচিব  » «   ওমরাহ শেষে বিমানেই মারা গেল চার বছরের শিশু  » «   শরিকদের সর্বোচ্চ ৬০ আসন ছাড়ার কথা ভাবছে বিএনপি  » «   বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা  » «   আজ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু: ফিরছেন ১৫০ রোহিঙ্গা  » «   সিলেট-২: বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   তফসিল পেছানোর দাবিতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ঐক্যফ্রন্ট  » «   সংসদ নির্বাচন: হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে লড়বেন কার বিপরীতে  » «  

ব্যাংকিং খাতমামলার বেড়াজালে ৯০ হাজার কোটি টাকা



রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ বিতরণ করায় ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। কয়েকদফা পূণ তফলিসের পরেও আদায় না হওয়ার পরিণত হচ্ছে মন্দা ঋণে। মামলা করেও অর্থ আদায় করতে পারছে না ব্যাংক। তাই মামলার জালে আটকে আছে ব্যাংকে ৯০ হাজার কোটি টাকা। আইনজীবীদের দাবি আলাদা বেজ না থাকায় মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে। জটিলতা হচ্ছে অর্থ ঋণ আইন নিয়েও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৬০ টি মামলার বিপরীতে ব্যাংকিং খাতের ৯০ হাজার ৬২১ কোটি টাকার বেশি আটকে আছে। দেশের বিভিন্ন অর্থ ঋণ আদালতে মামলার সংখ্যা ৫৩ হাজার ৩৮৫ টি। সরকারি ব্যাংকের মামলা ও আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। রাষ্ট্রয়ত্ত ৬ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মামলা আছে ৮৭ হাজারেরও বেশি। যার বিপরীতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রোববার দেশের একটি স্বানামধন্য গণমাধ্যম এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ মাসুদ বলেন, সুদ মওকুফ করলে ৮০ শতাংশ আদায় করা যাবে। পূণ তফসিল করলে ৫০ শতাংশ আদায় করা যাবে। আর মামলা সফল হচ্ছে খুবই কম। আমরা যখনই কেস করি তারা তখন রিটে চলে যায়। একটা পর একটা রিট করে ব্যাংকিং খাতকে পঙ্গু করে দিয়েছে।

অর্থ আদায়ে ব্যাংক গুলোকে চাপ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকও। মামলা পরিচালনায় দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ দেয়ার পরামর্শ নিয়ন্ত্রক সংস্থার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভংকর সাহা বলেন, খেলাপি হয়ার পড়ে একটা সময় ব্যাংক যখন মামলা করে সে নির্দেশনা দেয়া আছে। এটা মনিটরিং করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের লোকবল এবং প্যানেল আইনজীবী থাকা দরকার।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের দাবি ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত না থাকায় আটকে যাওয়া অর্থ আদায় অনিশ্চিত। এছাড়াও উচ্চ আদালতে আলাদা বেজ না থাকা এবং অর্থ ঋণ আইনের কয়েকটি ধারার কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে।

আইনজীবী হোসনে আরা বেগম বলেন, কোটে ২-৩ টা বেজ থাকতে হয়। শুধু অর্থ ঋণ মামলা করবে। তাহলে কিন্তু এই মামলা অনেক গুলো ব্যাপার আছে যেগুলো দ্রুত সংশোধন করা দরকার, এগুলো যদি সংশোধন করা না হয় তাহলে ব্যাংকের এই টাকা জীবনেও আনা সম্ভব হবে না।

মামলার পাশাপাশি খেলাপি ঋণও সরকারি ব্যাংকের সবচেয়ে বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭৪ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকাই সরকারি ব্যাংকের।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: