মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এমডিকে ‘ওয়াসার সুপেয় পানির শরবত’ খাওয়াতে এসেছেন জুরাইনবাসী  » «   শ্রীমঙ্গলে থামছে না অসাধু ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নিশ্চুপ প্রশাসন!  » «   জাজিরা প্রান্তে বসল ১১তম স্প্যান, দৃশ্যমান ১৬৫০ মিটার  » «   দক্ষিণ সুরমায় ইজতেমার অনুমোদন এখনো মেলেনি  » «   সিলেটের ৯টি উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু  » «   শোকে স্তব্ধ শ্রীলঙ্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১১  » «   জিন তাড়ানোর বাহানায় যৌন সম্পর্ক গড়তো সেই পিয়ার  » «   ভারতের মিডিয়া ও বিজেপির প্রতি ক্ষুব্ধ শ্রীলঙ্কার নেটিজেনরা  » «   পড়াশোনা না করলে জীবনের অর্থ সংকীর্ণ হয়ে ওঠে: শিক্ষামন্ত্রী  » «   এমডিকে ‘ওয়াসার সুপেয় পানির’ শরবত খাওয়াবেন জুরাইনবাসী  » «   হুমকি না থাকলেও সতর্ক আছে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   নকল তামাক পণ্য : হুমকিতে জনস্বাস্থ্য, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার  » «   ৬ দিনের সফরে সিলেটে পৌঁছেছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ  » «   শাহজালাল বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে ৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার  » «   ফেঞ্চুগঞ্জে ঘরে ঢুকে হত্যাচেষ্টা, ছুরিসহ আটক  » «  

ব্যাংকিং খাতমামলার বেড়াজালে ৯০ হাজার কোটি টাকা



রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ বিতরণ করায় ব্যাংকিং খাতে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। কয়েকদফা পূণ তফলিসের পরেও আদায় না হওয়ার পরিণত হচ্ছে মন্দা ঋণে। মামলা করেও অর্থ আদায় করতে পারছে না ব্যাংক। তাই মামলার জালে আটকে আছে ব্যাংকে ৯০ হাজার কোটি টাকা। আইনজীবীদের দাবি আলাদা বেজ না থাকায় মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে। জটিলতা হচ্ছে অর্থ ঋণ আইন নিয়েও।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৬০ টি মামলার বিপরীতে ব্যাংকিং খাতের ৯০ হাজার ৬২১ কোটি টাকার বেশি আটকে আছে। দেশের বিভিন্ন অর্থ ঋণ আদালতে মামলার সংখ্যা ৫৩ হাজার ৩৮৫ টি। সরকারি ব্যাংকের মামলা ও আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। রাষ্ট্রয়ত্ত ৬ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মামলা আছে ৮৭ হাজারেরও বেশি। যার বিপরীতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রোববার দেশের একটি স্বানামধন্য গণমাধ্যম এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ মাসুদ বলেন, সুদ মওকুফ করলে ৮০ শতাংশ আদায় করা যাবে। পূণ তফসিল করলে ৫০ শতাংশ আদায় করা যাবে। আর মামলা সফল হচ্ছে খুবই কম। আমরা যখনই কেস করি তারা তখন রিটে চলে যায়। একটা পর একটা রিট করে ব্যাংকিং খাতকে পঙ্গু করে দিয়েছে।

অর্থ আদায়ে ব্যাংক গুলোকে চাপ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকও। মামলা পরিচালনায় দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ দেয়ার পরামর্শ নিয়ন্ত্রক সংস্থার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভংকর সাহা বলেন, খেলাপি হয়ার পড়ে একটা সময় ব্যাংক যখন মামলা করে সে নির্দেশনা দেয়া আছে। এটা মনিটরিং করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণের লোকবল এবং প্যানেল আইনজীবী থাকা দরকার।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের দাবি ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত না থাকায় আটকে যাওয়া অর্থ আদায় অনিশ্চিত। এছাড়াও উচ্চ আদালতে আলাদা বেজ না থাকা এবং অর্থ ঋণ আইনের কয়েকটি ধারার কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে।

আইনজীবী হোসনে আরা বেগম বলেন, কোটে ২-৩ টা বেজ থাকতে হয়। শুধু অর্থ ঋণ মামলা করবে। তাহলে কিন্তু এই মামলা অনেক গুলো ব্যাপার আছে যেগুলো দ্রুত সংশোধন করা দরকার, এগুলো যদি সংশোধন করা না হয় তাহলে ব্যাংকের এই টাকা জীবনেও আনা সম্ভব হবে না।

মামলার পাশাপাশি খেলাপি ঋণও সরকারি ব্যাংকের সবচেয়ে বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭৪ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের মধ্যে ৪০ হাজার কোটি টাকাই সরকারি ব্যাংকের।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: