মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পায়ের ওপর দিয়ে বাস, মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সেই নারী  » «   পুরোনো বগিতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছিল উদয়ন  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন চাঁদপুরের দম্পতি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে  » «   মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে প্রতারণা: রাজস্ব কর্মকর্তার ৭ বছরের জেল  » «   সিগন্যাল অমান্য করায় তূর্ণা এক্সপ্রেসের চালক-গার্ডসহ ৩ জন বরখাস্ত  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় ১ লাখ টাকা করে পাবে নিহতদের প্রতি পরিবার  » «   তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা?  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নিহত  » «   ‘বাংলা বন্ড’ চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় পদক্ষেপ  » «   কাউকেই খুঁজে পাচ্ছে না ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা দেখতে এসে চাচা-চাচির লাশ পেলেন শাহাদৎ  » «   বাবরি মসজিদের রায় দিল যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিচারপতি!  » «   মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা  » «   ভারতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান  » «  

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট: পুড়ে মরলো একই পরিবারের সাতজন



নিউজ ডেস্ক:: জয়পুরহাট শহরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে জয়পুরহাট শহরের আরামনগর এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন- গৃহকর্তা আবদুল মোমিন (৩৮), স্ত্রী পরীনা বেগম (৩২), তার দুই যমজ মেয়ে হাসি ও খুশি (১২), ছোট ছেলে নূর (৬), মোমিনের মা মোমেনা বেগম (৬২) ও তার মেয়ে বৃষ্টি (১৪)।দগ্ধ আবদুল মোমিনের বাবা দুলাল হোসেনকে (৭১) ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ জানায়, রাত ৯টার দিকে জয়পুরহাট শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজের অদূরে ব্যবসায়ী আবদুল মোমিনের বাড়িতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে আবদুল মোমিন, তার মা মোমেনা বেগম ও মেয়ে বৃষ্টি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ সময় আরও পাঁচ সদস্য দগ্ধ হন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাদের ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে যাওয়ার পথে আরও চারজনের মৃত্যু হয়।

এ অগ্নিকাণ্ডে আবদুল মোমিনের টিনশেডের পাকা বাড়ির চারটি ঘর ও তার বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইন্সপেক্টর সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এ অগিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হলেও এটি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ঘটেছে।

জয়পুরহাট থানার ওসি (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে একই পরিবারের তিনজন মারা যান। দগ্ধ পাঁচ সদস্যকে প্রথমে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নেয়ার পথে চারজনের মৃত্যু হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: