মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিরোধী দলীয় উপনেতা হলেন রওশন এরশাদ  » «   সিলেট যাত্রীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস বিমানের  » «   ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ  » «   সুবর্ণচরে গণধর্ষণ: আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন  » «   ‘১১ বছর বয়সে বাবা আমাকে নিষিদ্ধপল্লীতে বিক্রি করে দেন’  » «   আকস্মিক ঢাকার কূটনৈতিক পাড়ায় ২৪ ঘন্টার রেড অ্যালার্ট জারি  » «   নির্বাচনে রাশিয়া-ট্রাম্প আঁতাতের প্রমাণ মেলেনি মুলারের তদন্তে  » «   ১২ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   এবার ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে আগুন, চিরকুট উদ্ধার  » «   ফাঁকা বাসে ভয়ঙ্কর ফাঁদ, টার্গেট কম বয়সী নারী যাত্রী  » «   রিমান্ডে বিমানবালা: যেভাবে হয় সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ আনার চুক্তি  » «   আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ  » «   সিলেটের আতিয়া মহলে অভিযান: দুই বছরেও আসেনি চার্জশিট  » «   বাড়ছে দূতাবাস, গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থনৈতিক কূটনীতি  » «   একাত্তরের গণহত্যা আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে তুলবে জাতিসংঘ  » «  

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট: পুড়ে মরলো একই পরিবারের সাতজন



নিউজ ডেস্ক:: জয়পুরহাট শহরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়। এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে জয়পুরহাট শহরের আরামনগর এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন- গৃহকর্তা আবদুল মোমিন (৩৮), স্ত্রী পরীনা বেগম (৩২), তার দুই যমজ মেয়ে হাসি ও খুশি (১২), ছোট ছেলে নূর (৬), মোমিনের মা মোমেনা বেগম (৬২) ও তার মেয়ে বৃষ্টি (১৪)।দগ্ধ আবদুল মোমিনের বাবা দুলাল হোসেনকে (৭১) ঢামেকে পাঠানো হয়েছে।

জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ জানায়, রাত ৯টার দিকে জয়পুরহাট শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজের অদূরে ব্যবসায়ী আবদুল মোমিনের বাড়িতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে আবদুল মোমিন, তার মা মোমেনা বেগম ও মেয়ে বৃষ্টি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এ সময় আরও পাঁচ সদস্য দগ্ধ হন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় জয়পুরহাট জেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাদের ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে যাওয়ার পথে আরও চারজনের মৃত্যু হয়।

এ অগ্নিকাণ্ডে আবদুল মোমিনের টিনশেডের পাকা বাড়ির চারটি ঘর ও তার বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইন্সপেক্টর সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এ অগিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হলেও এটি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ঘটেছে।

জয়পুরহাট থানার ওসি (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে একই পরিবারের তিনজন মারা যান। দগ্ধ পাঁচ সদস্যকে প্রথমে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নেয়ার পথে চারজনের মৃত্যু হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: