মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিদেশি বিজ্ঞানী-গবেষকদের ফ্রি ভিসা দেবে সৌদি আরব  » «   আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধি যুবক নিহত  » «   দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের  » «   ঝিনাইদহে পান চাষীকে হত্যা, মুলহোতাসহ গ্রেফতার ৪  » «   বড়লেখায় ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনী নোটিশ  » «   খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে যা বললেন কাদের সিদ্দিকী!  » «   প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ৪ শিক্ষকসহ গ্রেফতার ৫  » «   এক ম্যাচে ১০ লাল কার্ড!  » «   সিরিয়ায় বিমান হামলায় নিহত ৭৭  » «   এক আসামীকে চারবার ফাঁসির আদেশ!  » «   চুরির অভিযোগে শিশুকে রাতভর নির্যাতন  » «   টিক মারা বন্ধ করে দেব, প্রশ্ন ফাঁস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী  » «   একুশে পদক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ‘ইন্ডাস্ট্রিতে আসার পর কণ্ঠস্বর নিয়ে অনেক সমালোচনার মুখে পড়ি’  » «   ধর্ষণের সময় ছবি তুলে ‘ব্ল্যাকমেল’  » «  

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারী ইউপি সদস্যের অনশন



নিউজ ডেস্ক::ধামরাই সুয়াপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের এক নারী সদস্য ভালোবাসার টানে তার স্বামী-সন্তান রেখে গত দুইদিন ধরে বিয়ের দাবিতে একই ইউনিয়নের শিয়ালকোল গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন। বিয়ের স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করবেন বলে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

জানা যায়, ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকোল গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম ওরফে পলাশ মাহমুদের (২৫) সাথে সুয়াপুর ইউনিয়নের সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রিয়সীর (২২) এক বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ওই সময় প্রেমিক পলাশের প্রলোভনে স্বামী ও দুই সন্তান রেখে পলাশের সাথে সম্পর্ক শুরু করে নাজনীন, পরে পলাশ তার স্বামী পিন্টু মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করত পলাশ, তাদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক তৈরি হয় বলে জানান অনশনকারী প্রিয়সী।

তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, পলাশ আমাকে গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিন করে বিয়ে করেছে। আমি তার কথা মতো গত তিন মাস আগে আমার প্রথম স্বামী পিন্টুকে তালাক দিয়েছি, এখন কেন পলাশ ও তার পরিবার আমাকে মেনে নিচ্ছে না।

তিনি অরোও বলেন, যে পর্যন্ত আমাকে তারা মেনে না নিবে সে পর্যন্ত আমি এই বাড়িতেই অবস্থান করব, আর তা না হলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়া ছাড়া আমার আর কোন উপায় থাকবে না।

এ বিষয়ে পলাশের চাচা চাঁন মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা যদি বিয়ে করে থাকে আর যদি সে স্ত্রী হিসেবে প্রিয়সীকে মেনে নেয় তাহলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। এব্যাপারে আব্দুল আলিম পলাশ বিয়ের কথা মুঠোফোনে অস্বীকার করলেও প্রিয়সীর সাথে তার সর্ম্পক ও ধামরাই বাসায় যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম দিপু বলেন, এই ঘটনার এখনো কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: