রবিবার, ২০ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজকীয় বিয়েতে রাজকীয় সাজে ছিলেন প্রিয়াঙ্কাও  » «   যে কারণে বাদ ইমরুল-তাসকিন-সোহান  » «   সাইবার অপরাধ : তাৎক্ষণিক বিচার চান অধিকাংশ ভুক্তভোগী  » «   নয়াপল্টনে রিজভী‘কাদেরের বক্তব্য একতরফা নির্বাচনেরই ইঙ্গিতবহ’  » «   রাজীবের হাত বিচ্ছিন্ন : দুই বাসচালকের জামিন নামঞ্জুর  » «   এভারেস্টের চূড়ায় ১৬ বছরের কিশোরী!  » «   ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড  » «   মির্জাপুরে ‌‌‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছিনতাইকারী নিহত  » «   রেলের টিকিট কালো বাজারে, জেল জরিমানা  » «   চাঞ্চল্যকর সীমা হত্যার আসামি গ্রেফতার  » «   বড়লেখায় সোনাই নদীতে ধরা পড়ল ৪ ফুট লম্বা রাঘব চিতল  » «   ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গালকাটা বাবু নিহত  » «   মৌলভীবাজারে শাশুড়িকে কুপিয়ে খুন করেছে জামাতা  » «   আজান সম্প্রচার না করলে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি  » «   বিরল রোগে আক্রান্তমুক্তামণির গল্পটা হয়তো শেষের দিকে!  » «  

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারী ইউপি সদস্যের অনশন



নিউজ ডেস্ক::ধামরাই সুয়াপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের এক নারী সদস্য ভালোবাসার টানে তার স্বামী-সন্তান রেখে গত দুইদিন ধরে বিয়ের দাবিতে একই ইউনিয়নের শিয়ালকোল গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন। বিয়ের স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করবেন বলে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

জানা যায়, ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকোল গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম ওরফে পলাশ মাহমুদের (২৫) সাথে সুয়াপুর ইউনিয়নের সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রিয়সীর (২২) এক বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ওই সময় প্রেমিক পলাশের প্রলোভনে স্বামী ও দুই সন্তান রেখে পলাশের সাথে সম্পর্ক শুরু করে নাজনীন, পরে পলাশ তার স্বামী পিন্টু মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করত পলাশ, তাদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক তৈরি হয় বলে জানান অনশনকারী প্রিয়সী।

তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, পলাশ আমাকে গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিন করে বিয়ে করেছে। আমি তার কথা মতো গত তিন মাস আগে আমার প্রথম স্বামী পিন্টুকে তালাক দিয়েছি, এখন কেন পলাশ ও তার পরিবার আমাকে মেনে নিচ্ছে না।

তিনি অরোও বলেন, যে পর্যন্ত আমাকে তারা মেনে না নিবে সে পর্যন্ত আমি এই বাড়িতেই অবস্থান করব, আর তা না হলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়া ছাড়া আমার আর কোন উপায় থাকবে না।

এ বিষয়ে পলাশের চাচা চাঁন মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা যদি বিয়ে করে থাকে আর যদি সে স্ত্রী হিসেবে প্রিয়সীকে মেনে নেয় তাহলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। এব্যাপারে আব্দুল আলিম পলাশ বিয়ের কথা মুঠোফোনে অস্বীকার করলেও প্রিয়সীর সাথে তার সর্ম্পক ও ধামরাই বাসায় যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম দিপু বলেন, এই ঘটনার এখনো কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: