বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

বিয়ের আজব রীতি



নিউজ ডেস্ক:: বিশ্বে বিবাহের ক্ষেত্রে অদ্ভুত কতকগুলি নিয়ম প্রচলিত রয়েছে যা আদতে কুসংস্কারের নামান্তর। জেনে নেওয়া যাক এমনই প্রচলিত কিছু অদ্ভুত বিবাহ নীতির কথা-

বরকে বেঁধে পেটানো: সকলেরই মনে হতে পারে, বিয়ের সময়ে আবার বরকে কেউ মারে নাকি! অবাক করা হলেও এটাই সত্যি। বিয়ে বাড়িতে এসে বরকে ধরে পেটানো হল, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রাচীন প্রথা। বরের বন্ধুরা বরের জুতো খুলে তার পায়ে দড়ি দিয়ে মারতে থাকেন। ততক্ষণ মারতে থাকেন, যতক্ষন না পা লাল হয়ে যায়। মনে করা হয়, এই পদ্ধতি বরকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

কান্নার অনুষ্ঠান: বিয়ের আগে যে মন মেহেন্দি বা গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হয়, তেমনি চিনের তুজিয়া সম্প্রদায়ের বিয়ের কনেরা কান্নার অনুষ্ঠান পালন করে। তবে কনেরা বিদায়ের জন্য কাঁদেন না, এই কনেরা বিয়ের এক মাস আগে থেকে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কান্নাকাটি করেন। ১০ দিন পর কনের মা তার সাথে কাঁদতে শুরু করেন। কিছুদিন সব মহিলারা কনের সঙ্গে একজোট হয়ে কাঁদতে থাকেন।

পাত্র ভাঙা: জার্মানিতে নবদম্পতিকে অতিথিরা বিভিন্ন কাচের পাত্র উপহার হিসেবে দান করেন। কিন্তু সেগুলি তাঁরা ব্যবহার তো করেই না বরং পরে একটি নির্দিষ্ট সময়ে নবদম্পতি একসঙ্গে এই কাচের পাত্রগুলি ছুঁড়ে ভেঙে ফেলে। জার্মানির মানুষদের বিশ্বাস এই পাত্র ভাঙার শব্দে নেতিবাচক শক্তির অবসান ঘটে।

ব্ল্যাকেনিং: বিয়েতে বর এবং বিশেষত কনের সাজ নষ্ট করার একটি অভিনব পদ্ধতি হল এটি। স্কটল্যান্ডের বিয়ের একটি ঐতিহ্যপূর্ণ আচার এই ব্ল্যাকেনিং। এই নিয়ম অনুসারে, ফলের খোসা, শ্যাওলা এবং আরও নানারকম ময়লা দিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে তা বর-কনের মাথায় ঢালা হয়। তারপর তাঁদের একটি গাছের সঙ্গে খানিক্ষণ বেঁধে রাখা হয়।

ট্র্যাশ পার্টি: নিঃসন্দেহে এটি একটি জঘন্য প্রথা। ফ্রান্সে বিবাহের এই প্রথা প্রচলিত রয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে শেষে অতিথিদের ফেলা দেওয়া সব খাবার সদ্য বিবাহিত বর-কনকে খেতে দেওয়া হয়। এখানেই শেষ নয়, এই খাবার পরিবেশন করা হয় টয়লেট সিটের আকারের পাত্রে! আর বর-কনেকে সবার সামনে ওই পাত্র থেকেই খেতে হয় খাবার।

নববধূর ওপর থুতু ফেলা: কেনিয়ার মাসাই অঞ্চলের মেয়েদের প্রায়শই তাঁদের থেকে বয়সে অনেক বড় পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। আর বিয়ের পর কনের বাবা বা দাদারা আশীর্বাদস্বরূপ কনের মাথায় থুতু দিয়ে থাকেন। আর তারপর নববধূ নিজের বাড়ি ছেড়ে তাঁর স্বামীর ঘরে যান পায়ে হেঁটে। তাঁর শ্বশুরবাড়ির দূরত্ব যদি হাঁটা পথ নাও হয়, তাহলেও তাঁকে পায়ে হেঁটেই যাত্রা করতে হয়!

শৌচালয় ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা: ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভক্ত বোর্নিও দ্বীপের টিডং গোত্রের মানুষরা একটি প্রাচীন ঐতিহ্য অনুসরণ করে, যেখানে বিয়ের পর তিন দিন, তিন রাত পর্যন্ত নবদম্পতি শৌচালয় ব্যবহার করতে পারেন না। আর এই কারণেই বিয়ের আচার অনুষ্ঠান চলাকালীন বর-কনেকে খুব অল্প পরিমাণে খাবার এবং পানীয় প্রদান করা হয়। এখানকার মানুষের বিশ্বাস এই রীতি সফলভাবে পালিত হলে তাঁদের বিবাহিত জীবন খুব সুখের হবে। আর এর মধ্যে কেউ যদি শৌচালয়ে যান, তাহলে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করা হবে।

কিসিং পার্টি: সুইডেনে প্রচলিত বিবাহের এই প্রথায় বিয়ের আসর ছেড়ে বর যদি একটু বাইরে বেরোয় তাহলে বরের বন্ধুরা কনেকে চুম্বন করেন আবার একইভাবে কনে যদি বিয়ের আসর থেকে একটু অন্য কোথাও যান, তাহলে কনের বান্ধবীরা বরকে চুম্বন করেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: