শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভালোবাসা দিবসে সিলেটে ‘জুটির মেলা’  » «   ছেলেকে নকল দিতে গিয়ে বাবা আটক  » «   সড়কের বিপজ্জনক খুঁটি সরাতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে  » «   মুক্তি ভবন: যে হোটেলে শুধু মরার জন্য যায় মানুষ  » «   ইজতেমায় দায়িত্বশীলদের ব্যর্থতা বরদাশত করা হবে না: র‍্যাব ডিজি  » «   সিরিয়া ইস্যুতে বৈঠকে বসছে রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরান  » «   হাসপাতালে গিয়ে সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা করলেন অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল!  » «   তুরাগ তীরে আগামীকাল ইজতেমা শুরু, প্রস্তুত লাখো মুসল্লি  » «   বাংলাদেশের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: জাপানের রাষ্ট্রদূত  » «   আবারো মিয়ানমারের মানচিত্রে সেন্ট মার্টিন্স, রাষ্ট্রদূতকে তলব  » «   ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’, কী ঘটেছিল সেদিন ঢাকায়?  » «   সৌদি নারীদের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ, তদন্ত করবে অ্যাপল  » «   কোনো আপস করার প্রয়োজন নেই, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিইসি  » «   জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ থেকে শুরু হজের নিবন্ধন, চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত  » «  

বিশ্বাসের ওপর চলে যে রেস্টুরেন্ট,বিল দিবেন ইচ্ছামতো!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: খাবারের কোনো দামই নির্ধারিত নেই রেস্টুরেন্টটিতে। তবুও রেস্টুরেন্টটি চলছে খুব ভালোভাবে। কারণ ক্রেতাদের বিশ্বাস করে ঠকেনি রেস্টুরেন্টটি। চলছে পুরোপুরি বিশ্বাসের ওপরেই!

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় রয়েছে রেস্টুরেন্টটি। পাকিস্তানি খাবারের ‘দার ওয়েনার দিওয়ান’ নামে রেস্টুরেন্টটিতে যে কেউ প্রথমবার খেতে আসলে অবাক হন। কারণ এতে খাবারের দাম নির্ধারিত নেই। তবে খাওয়ার পর ক্রেতারা যে খাবার খেয়েছেন তার মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় বিল দিয়ে থাকেন। কাউকেই এজন্য কিছু বলা হয় না।

এ রেস্টুরেন্টের মালিক আফজাল ও নাতালিয়া দিউয়ান। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আফজাল ২০০৪ সালে শরণার্থী হিসেবেই অস্ট্রিয়াতে পা ফেলেন। এরপর নাতালিকে বিয়ে করে সেখানেই স্থায়ী হন। এর কিছুদিন পর উভয়ে একত্রে রেস্টুরেন্টটি খোলেন।

এক সাক্ষাৎকারে তারা নিজেদের এ রেস্টুরেন্ট তৈরির পেছনের ধারণাটি বর্ণনা করেন। নাতালি বলেন বিষয়টি সাধারণ হলেও বেশ নতুন ধরনের। এটি মজারও বটে! আপনার যত ইচ্ছা তত টাকা দেবেন বিষয়টি নিয়ে আফজাল বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তার ধারণা ছিল মানুষ তার খাবার পছন্দ করবে। এ কারণে তারা টাকাও দেবে যথাযথ।

শুধু ভাবাই নয়, বিষয়টিকে বাস্তবে পরিণত করেন এ দম্পতি।রেস্টুরেন্টটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার পর প্রথম থেকেই তারা চিন্তিত ছিলেন। ক্রেতারা যদি ন্যায্য অর্থ না দেন তাহলে রেস্টুরেন্টটি ক্ষতির মুখে পড়বে এবং রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু ক্রেতারা বিষয়টিকে ভালোভাবেই নেন। রেস্টুরেন্টের মজাদার খাবারের টানে অনেকে প্রতিদিনই আসতে থাকেন। খাবার খাওয়ার পর ক্রেতাদের স্বতস্ফূর্তভাবে দেওয়া অর্থে এখন ভালোই চলছে রেস্টুরেন্টটি।

সূত্র : ডন

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: