বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
খাশোগি হত্যা বনাম সৌদি যুবরাজের কালো অধ্যায়  » «   অপারেশন ‘গর্ডিয়ান নট’ সমাপ্ত, দুই জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার  » «   ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেল ন্যাপ ও এনডিপি  » «   মতবিরোধ থাকলেও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব: সিইসি  » «   সিলেটে জনসভার মধ্যেদিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা  » «   সৌদির প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, সব ক্রু নিহত  » «   ডিজিটাল আইনের ৯টি ধারা সংশোধন চেয়ে আইনি নোটিশ  » «   ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মির মানহানি মামলা খারিজ  » «   জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু,দফায় দফায় আসছে গুলির শব্দ  » «   সাত বছরেও চালু হয়নি হাসপাতালের কার্যক্রম  » «   হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে যা বললেন মমতা ব্যানার্জী  » «   নির্বাচন কমিশন তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয় : কাদের  » «   জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় ২৯ অক্টোবর  » «   মির্জাপুরে ট্রাক উল্টে একই পরিবারের ৩ জন নিহত  » «   আস্তানায় বেশ কয়েকজন জঙ্গি ও গোলাবারুদ রয়েছে: সিটিটিসি প্রধান  » «  

বিশ্বাসের ওপর চলে যে রেস্টুরেন্ট,বিল দিবেন ইচ্ছামতো!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: খাবারের কোনো দামই নির্ধারিত নেই রেস্টুরেন্টটিতে। তবুও রেস্টুরেন্টটি চলছে খুব ভালোভাবে। কারণ ক্রেতাদের বিশ্বাস করে ঠকেনি রেস্টুরেন্টটি। চলছে পুরোপুরি বিশ্বাসের ওপরেই!

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় রয়েছে রেস্টুরেন্টটি। পাকিস্তানি খাবারের ‘দার ওয়েনার দিওয়ান’ নামে রেস্টুরেন্টটিতে যে কেউ প্রথমবার খেতে আসলে অবাক হন। কারণ এতে খাবারের দাম নির্ধারিত নেই। তবে খাওয়ার পর ক্রেতারা যে খাবার খেয়েছেন তার মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় বিল দিয়ে থাকেন। কাউকেই এজন্য কিছু বলা হয় না।

এ রেস্টুরেন্টের মালিক আফজাল ও নাতালিয়া দিউয়ান। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আফজাল ২০০৪ সালে শরণার্থী হিসেবেই অস্ট্রিয়াতে পা ফেলেন। এরপর নাতালিকে বিয়ে করে সেখানেই স্থায়ী হন। এর কিছুদিন পর উভয়ে একত্রে রেস্টুরেন্টটি খোলেন।

এক সাক্ষাৎকারে তারা নিজেদের এ রেস্টুরেন্ট তৈরির পেছনের ধারণাটি বর্ণনা করেন। নাতালি বলেন বিষয়টি সাধারণ হলেও বেশ নতুন ধরনের। এটি মজারও বটে! আপনার যত ইচ্ছা তত টাকা দেবেন বিষয়টি নিয়ে আফজাল বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তার ধারণা ছিল মানুষ তার খাবার পছন্দ করবে। এ কারণে তারা টাকাও দেবে যথাযথ।

শুধু ভাবাই নয়, বিষয়টিকে বাস্তবে পরিণত করেন এ দম্পতি।রেস্টুরেন্টটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার পর প্রথম থেকেই তারা চিন্তিত ছিলেন। ক্রেতারা যদি ন্যায্য অর্থ না দেন তাহলে রেস্টুরেন্টটি ক্ষতির মুখে পড়বে এবং রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু ক্রেতারা বিষয়টিকে ভালোভাবেই নেন। রেস্টুরেন্টের মজাদার খাবারের টানে অনেকে প্রতিদিনই আসতে থাকেন। খাবার খাওয়ার পর ক্রেতাদের স্বতস্ফূর্তভাবে দেওয়া অর্থে এখন ভালোই চলছে রেস্টুরেন্টটি।

সূত্র : ডন

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: