বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবলিক পরীক্ষার সব ফি দেবে সরকার  » «   বাচ্চারা সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইভিএম, দাবি লালুপুত্রের  » «   আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  » «   পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়: মমতা  » «   কুলাউড়ায় ওজন বাড়াতে চিংড়িতে বিষাক্ত জেলি!  » «   শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ: ‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি রোজা রাখছি’  » «   কিছুটা সময় লাগলেও ইসরাইল-আমেরিকার পতন অনিবার্য: ধর্মীয় নেতা  » «   মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি: সিলেটে ওয়েল ফুডকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   একক দল হিসেবেই ম্যাজিক ফিগারে মোদির বিজেপি!  » «   পারিবারিক কলহে সৎ মাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছেলে  » «   রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   পবিত্র কোরআন কেটে ভেতরে ইয়াবা পাচার, ৩ রোহিঙ্গা আটক  » «   গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার জন নিহত  » «   খালেদার কারামুক্তি, এবারও ‘হ্যান্ডল’ করতে পারেনি বিএনপি!  » «   বালিশ মাসুদের খোলা চিঠি  » «  

বিশ্বাসের ওপর চলে যে রেস্টুরেন্ট,বিল দিবেন ইচ্ছামতো!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: খাবারের কোনো দামই নির্ধারিত নেই রেস্টুরেন্টটিতে। তবুও রেস্টুরেন্টটি চলছে খুব ভালোভাবে। কারণ ক্রেতাদের বিশ্বাস করে ঠকেনি রেস্টুরেন্টটি। চলছে পুরোপুরি বিশ্বাসের ওপরেই!

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় রয়েছে রেস্টুরেন্টটি। পাকিস্তানি খাবারের ‘দার ওয়েনার দিওয়ান’ নামে রেস্টুরেন্টটিতে যে কেউ প্রথমবার খেতে আসলে অবাক হন। কারণ এতে খাবারের দাম নির্ধারিত নেই। তবে খাওয়ার পর ক্রেতারা যে খাবার খেয়েছেন তার মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় বিল দিয়ে থাকেন। কাউকেই এজন্য কিছু বলা হয় না।

এ রেস্টুরেন্টের মালিক আফজাল ও নাতালিয়া দিউয়ান। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আফজাল ২০০৪ সালে শরণার্থী হিসেবেই অস্ট্রিয়াতে পা ফেলেন। এরপর নাতালিকে বিয়ে করে সেখানেই স্থায়ী হন। এর কিছুদিন পর উভয়ে একত্রে রেস্টুরেন্টটি খোলেন।

এক সাক্ষাৎকারে তারা নিজেদের এ রেস্টুরেন্ট তৈরির পেছনের ধারণাটি বর্ণনা করেন। নাতালি বলেন বিষয়টি সাধারণ হলেও বেশ নতুন ধরনের। এটি মজারও বটে! আপনার যত ইচ্ছা তত টাকা দেবেন বিষয়টি নিয়ে আফজাল বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তার ধারণা ছিল মানুষ তার খাবার পছন্দ করবে। এ কারণে তারা টাকাও দেবে যথাযথ।

শুধু ভাবাই নয়, বিষয়টিকে বাস্তবে পরিণত করেন এ দম্পতি।রেস্টুরেন্টটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার পর প্রথম থেকেই তারা চিন্তিত ছিলেন। ক্রেতারা যদি ন্যায্য অর্থ না দেন তাহলে রেস্টুরেন্টটি ক্ষতির মুখে পড়বে এবং রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু ক্রেতারা বিষয়টিকে ভালোভাবেই নেন। রেস্টুরেন্টের মজাদার খাবারের টানে অনেকে প্রতিদিনই আসতে থাকেন। খাবার খাওয়ার পর ক্রেতাদের স্বতস্ফূর্তভাবে দেওয়া অর্থে এখন ভালোই চলছে রেস্টুরেন্টটি।

সূত্র : ডন

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: