মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আমার কিছু হলে দায়ী আপনারা মামা-ভাগ্নে: সিইসিকে গোলাম মাওলা রনি  » «   ভুলভ্রান্তি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন: শেখ হাসিনা  » «   মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য অসত্য: সিইসি  » «   ভোটের ফলাফল প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মইনুলের জামিন  » «   বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে অবজ্ঞা শেহবাগের!  » «   সারাদেশে ১ হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন  » «   প্রার্থিতা নিয়ে রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না খালেদা জিয়া  » «   জামায়াতের ২২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলে রুল  » «   সিলেটে প্রাধান্য উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার  » «   বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করছেন ফখরুল  » «   আপিলেও ভোটের পথ খুলল না ইলিয়াসপত্নী লুনার  » «   যেসব ‘বিশেষ’ অঙ্গীকার থাকছে আ. লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে  » «   আ.লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছেন শেখ হাসিনা  » «   সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও ধরপাকড়ের অভিযোগ  » «  

বিশ্বাসের ওপর চলে যে রেস্টুরেন্ট,বিল দিবেন ইচ্ছামতো!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: খাবারের কোনো দামই নির্ধারিত নেই রেস্টুরেন্টটিতে। তবুও রেস্টুরেন্টটি চলছে খুব ভালোভাবে। কারণ ক্রেতাদের বিশ্বাস করে ঠকেনি রেস্টুরেন্টটি। চলছে পুরোপুরি বিশ্বাসের ওপরেই!

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় রয়েছে রেস্টুরেন্টটি। পাকিস্তানি খাবারের ‘দার ওয়েনার দিওয়ান’ নামে রেস্টুরেন্টটিতে যে কেউ প্রথমবার খেতে আসলে অবাক হন। কারণ এতে খাবারের দাম নির্ধারিত নেই। তবে খাওয়ার পর ক্রেতারা যে খাবার খেয়েছেন তার মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় বিল দিয়ে থাকেন। কাউকেই এজন্য কিছু বলা হয় না।

এ রেস্টুরেন্টের মালিক আফজাল ও নাতালিয়া দিউয়ান। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আফজাল ২০০৪ সালে শরণার্থী হিসেবেই অস্ট্রিয়াতে পা ফেলেন। এরপর নাতালিকে বিয়ে করে সেখানেই স্থায়ী হন। এর কিছুদিন পর উভয়ে একত্রে রেস্টুরেন্টটি খোলেন।

এক সাক্ষাৎকারে তারা নিজেদের এ রেস্টুরেন্ট তৈরির পেছনের ধারণাটি বর্ণনা করেন। নাতালি বলেন বিষয়টি সাধারণ হলেও বেশ নতুন ধরনের। এটি মজারও বটে! আপনার যত ইচ্ছা তত টাকা দেবেন বিষয়টি নিয়ে আফজাল বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তার ধারণা ছিল মানুষ তার খাবার পছন্দ করবে। এ কারণে তারা টাকাও দেবে যথাযথ।

শুধু ভাবাই নয়, বিষয়টিকে বাস্তবে পরিণত করেন এ দম্পতি।রেস্টুরেন্টটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার পর প্রথম থেকেই তারা চিন্তিত ছিলেন। ক্রেতারা যদি ন্যায্য অর্থ না দেন তাহলে রেস্টুরেন্টটি ক্ষতির মুখে পড়বে এবং রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিতে হবে।

কিন্তু ক্রেতারা বিষয়টিকে ভালোভাবেই নেন। রেস্টুরেন্টের মজাদার খাবারের টানে অনেকে প্রতিদিনই আসতে থাকেন। খাবার খাওয়ার পর ক্রেতাদের স্বতস্ফূর্তভাবে দেওয়া অর্থে এখন ভালোই চলছে রেস্টুরেন্টটি।

সূত্র : ডন

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: