সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের রইল বাকি ১  » «   পুলিশের ওপর হামলা: দুই ‘জঙ্গি’ আটক  » «   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে চালকদের প্রতিযোগিতায় যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৭  » «   ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্প-ওবামাকে পেছনে ফেললেন মোদি!  » «   একটি মোবাইল চার্জারের দাম ২২ হাজার টাকা  » «   বেতন বৈষম্য: কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষক  » «   আবরার হত্যা: শেষ চার ঘণ্টার নৃশংসতার চিত্র  » «   সংবিধান পড়ে শোনালেন আমান, পুলিশ বলল ‘গো ব্যাক’  » «   বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু  » «   আবরার হত্যায় এবার মুজাহিদের স্বীকারোক্তি  » «   তিন সপ্তাহ ধরে কার্যালয়ে যান না যুবলীগ চেয়ারম্যান  » «   নোবেল পুরস্কার র‌্যাব-পুলিশের হাতে নয় : রিজভী  » «   বুরকিনা ফাসোতে মসজিদে ঢুকে ১৬ মুসল্লিকে গুলি করে হত্যা  » «   হবিগঞ্জে পাচারকালে ১২শ’ কেজি রসুন জব্দ  » «   সৌদি-ইরান উত্তেজনা মধ্যস্ততায় তেহরানের পথে ইমরান খান  » «  

বিশেষ ভাতা পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা: প্রজ্ঞাপন জারি



নিউজ ডেস্ক:: দেশের হাওর অঞ্চলের সরকারি চাকুরেদের জন্য ‘হাওর ভাতা’ চালু করলো সরকার। গত ৫ মে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। অতরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন বলা হয়, প্রজ্ঞাপন জারির থেকে এই বিশেষ ভাতা কার্যকর হবে। বিশেষ এই ভাতার আওতায় ২০তম গ্রেডে বেতনপ্রাপ্তরা পাবেন মাসিক ১৬৫০ টাকা। অন্যদিকে ৭ ও তদুর্ধ্ব গ্রেডপ্রাপ্তরা পাবেন ৫০০ হাজার টাকা।

জানা গেছে, কয়েক বছর ধরেই হাওরপ্রবণ জেলার ডিসিরা দুর্গম এলাকা হিসেবে হাওর খাতা চালুর প্রস্তাব করে আসছেন। সর্বশেষ গত বছরের ডিসি সম্মেলনে কিশোরগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস হাওর ভাতা চালু করার জন্য একটি প্রস্তাব পাঠান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। ডিসিদের দীর্ঘদিনের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাওর এলাকায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ভাতা প্রদানের উদ্যোগ নেয় সরকার।

বাংলাদেশের হাওর ও পাহাড়ি এলাকা অন্যান্য এলাকার চেয়ে অনেক বেশি অনুন্নত। দুর্গম এসব এলাকায় নাগরিক সুবিধা বলতে কিছুই নেই। তবে বিদেশি সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারির ফলে পাহাড়ি এলাকায় এখন শিক্ষার আলোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কিছুটা বেড়েছে। শিক্ষা, চাকরি ও ভূমিসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পাহাড়িরা আদায় করে নিয়েছেন। কিন্তু হাওর অঞ্চলের মানুষ এখনও এসব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে এ সুযোগ হাওরেও সম্প্রসারণের দাবি দীর্ঘদিনের।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তার দাবি, হাওর ভাতা চালু হলে দেশের সাতটি জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ ভাতা পাবেন। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলাকে হাওর অঞ্চল হিসেবে ধরা হয়। হাওর মূলত বিস্তৃত প্রান্তর, অনেকটা গামলা আকৃতির জলাভূমি, যা প্রতি বছর মৌসুমি বৃষ্টির সময় পানিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বর্ষাকালজুড়ে হাওরের পানিকে সাগর বলে মনে হয় এবং এর মধ্যে অবস্থিত গ্রামগুলোকে দ্বীপ বলে প্রতীয়মান হয়। বাংলাদেশে প্রায় ৪০০ হাওর রয়েছে। হাওরগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। পাহাড়ের পাদদেশে বা পাহাড়ের কাছাকাছি অবস্থিত হাওর, প্লাবিত এলাকার হাওর, গভীর পানিতে প্লাবিত এলাকার হাওর।

বিশেষে ভাতার আওতায় ১৬ উপজেলা হলো: কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, নোয়াখালীর হাতিয়া, সিরাজগঞ্জের চৌহালী, কুড়িগ্রামের রৌমারী ও চররাজিবপুর, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী এবং ভোলার মনপুরা। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, শাল্লা ও দোয়ারাবাজার, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলাকে হাওর, দ্বীপ বা চর উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: