শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবনায় ছাত্রদলের কমিটি বাতিল এবং যোগ্য ও মেধাবীদের নিয়ে নতুন কমিটির দাবিতে বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দের পদত্যাগ  » «   পবিত্র হজকে রাজনীতির হাতিয়ার বানিয়েছে সৌদি  » «   চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু  » «   সিটি নির্বাচন ১৭ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিএনপি  » «   বৃদ্ধ মাকে মারধর, যে পরিণাম হল সন্তানের  » «   এমপিপুত্র শাবাবকে ‘শনাক্তে’ পুলিশের হাতে সিসিটিভি ফুটেজ  » «   জেনে নিন শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজার ফজিলত  » «   মৃত্যুভয়ে ১১ তলা পাইপ বেয়ে নামে শিশুটি  » «   বিএনপির কর্মীরা এখন ঢাকায় রিকশা চালায় : ফখরুল  » «   দীপিকা-রণবীরের বিয়ের দিনক্ষণ ফাঁস!  » «   জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিটিভির  » «   দিনদুপুরে পার্কে গণধর্ষণ, সেনাবাহিনী ঘিরে ফেলে পার্ক এলাকা  » «   ফের দক্ষিণের ১৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধ  » «   স্বামী-সন্তানের স্বীকৃতির দাবিতে প্রবাসী স্ত্রীর অনশন  » «   সাবেক প্রেমিকা কোপাল বর্তমান প্রেমিকাকে!  » «  

বিশেষ দিনে কদর বাড়ে যে চত্বরের



dr-milon20161127111946বাবা, ‘ওইখানে মানুষ ফুল দিচ্ছে কেন? পুলিশইবা কেন দাঁড়িয়ে আছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের বিপরীত দিকের একটি চত্বরে কয়েকজনকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে দেখে রাজধানীর পরীবাগের বাসিন্দা আতাহার আলীর সাত বছর বয়সী স্কুলগামী মেয়ে তার বাবাকে প্রশ্ন করে।

উত্তরে আতাহার আলী বললেন, মাগো এটি ৯০’র স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তৎকালীন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর যুগ্ম মহাসচিব শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতিরক্ষার্থে নির্মিত চত্বর। ২৬ বছর আগে এইদিনে তিনি মারা যান।

তিনি মেয়েকে জানান, ডা. মিলিনের মৃত্যুতে রাজধানীসহ সারাদেশের চিকিৎসক সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে নামে। মিলনের রক্ত ছুঁয়ে সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবে না বলে সবাই শপথ নেন। পরবর্তীতে ৬ ডিসেম্বর পতন হয় তৎকালীন এরশাদ সরকারের।

এরপর মেয়ে তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে, ‘বাবা অন্যান্য সময় স্কুলে যাওয়ার সময় এ জায়গাটি এতো সুন্দর, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখি না কেন।’ এবার জবাব না দিয়ে চুপ করে রইলেন আতাহার আলী।

ছোট্ট এই স্কুলছাত্রীর মতো অনেকেরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য চত্বরের অদূরে অবিস্থত শহীদ ডা. মিলন চত্বরটি অচেনা ও অজানা। যে মিলনের বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সফল হয়েছিল সে মিলনের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত চত্বরটির বিশেষ এই দিনে কদর বাড়ে।

সরেজমিনে দেখে গেছে, আজ সকালে মিলন স্মৃতি চত্বরে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিএমএ, জাসদ, চিকিৎসক সংসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলসহ বেশ কিছু ছোটবড় সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: