বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটও  » «   ইন্টারনেটে ধীর গতি ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  » «   প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি: আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা  » «   আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে: জয়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট  » «   আম্বানি কন্যার বিয়েতে নাচলেন হিলারি ক্লিনটন [ভিডিও ]  » «   সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রচারণার একসঙ্গে মুক্তাদির-আরিফ  » «   সহিংসতার ঘটনা খতিয়ে দেখতে সিইসির নির্দেশ  » «   ‘ইডিয়ট’ লিখে গুগলে সার্চ দিলে কেনো আসে ট্রাম্পের ছবি?  » «   বিশ্ব ভ্রমণ করবে বাংলাদেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত গাড়ি  » «   খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরব ছাড়পত্র পাবে না: নিক্কি হ্যালি  » «   গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজ খালেদা ও হিরো আলম  » «   আস্থা ভোট, নেতৃত্বের পরীক্ষায় উতরে গেলেন তেরেসা মে  » «   ফোনালাপ ফাঁস: খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ  » «   নির্বাচনে এজেন্ট পাওয়া নিয়ে চিন্তায় বিএনপি  » «  

বিশেষ দিনে কদর বাড়ে যে চত্বরের



dr-milon20161127111946বাবা, ‘ওইখানে মানুষ ফুল দিচ্ছে কেন? পুলিশইবা কেন দাঁড়িয়ে আছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের বিপরীত দিকের একটি চত্বরে কয়েকজনকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে দেখে রাজধানীর পরীবাগের বাসিন্দা আতাহার আলীর সাত বছর বয়সী স্কুলগামী মেয়ে তার বাবাকে প্রশ্ন করে।

উত্তরে আতাহার আলী বললেন, মাগো এটি ৯০’র স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তৎকালীন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর যুগ্ম মহাসচিব শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতিরক্ষার্থে নির্মিত চত্বর। ২৬ বছর আগে এইদিনে তিনি মারা যান।

তিনি মেয়েকে জানান, ডা. মিলিনের মৃত্যুতে রাজধানীসহ সারাদেশের চিকিৎসক সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে নামে। মিলনের রক্ত ছুঁয়ে সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবে না বলে সবাই শপথ নেন। পরবর্তীতে ৬ ডিসেম্বর পতন হয় তৎকালীন এরশাদ সরকারের।

এরপর মেয়ে তাকে পাল্টা প্রশ্ন করে, ‘বাবা অন্যান্য সময় স্কুলে যাওয়ার সময় এ জায়গাটি এতো সুন্দর, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখি না কেন।’ এবার জবাব না দিয়ে চুপ করে রইলেন আতাহার আলী।

ছোট্ট এই স্কুলছাত্রীর মতো অনেকেরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য চত্বরের অদূরে অবিস্থত শহীদ ডা. মিলন চত্বরটি অচেনা ও অজানা। যে মিলনের বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সফল হয়েছিল সে মিলনের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত চত্বরটির বিশেষ এই দিনে কদর বাড়ে।

সরেজমিনে দেখে গেছে, আজ সকালে মিলন স্মৃতি চত্বরে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিএমএ, জাসদ, চিকিৎসক সংসদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলসহ বেশ কিছু ছোটবড় সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: