শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ  » «   ভারতে জনতার ওপর ট্রেন,নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১  » «   মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন : পাঁচ নারীসহ নিহত ৬  » «   মহাসমাবেশে ব্যানার পোস্টার নিয়ে বিরক্ত এরশাদ  » «   ১০ বছরেও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করতে পারেনি সরকার  » «   আফগানিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে  » «   জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে লাঙ্গল নিয়ে সংঘর্ষ  » «   দু’সপ্তাহ এগোলো প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা  » «   যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা আসছেন আজ  » «   সৌদি আরব সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   খাশোগি হত্যায় আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া  » «   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থেকে নির্বাচন নয়!  » «   খাশোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করলো সৌদি  » «   বিএনপির বিরুদ্ধে গায়েবি মামলার প্রমাণ নেই : আমু  » «   অংশ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইইউ  » «  

বিয়েতে শারীরিক সম্পর্ক কি বাধ্যতামূলক?



লাইফস্টাইল ডেস্ক::বিয়ে টিকিয়ে রাখতে শারীরিক সম্পর্ক কতোটা গুরুত্বপূর্ন তা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বোম্বে হাইকোর্ট।

ভারতের কোলাপুরের এক দম্পতি দীর্ঘ নয় বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও তাদের মাঝে শারীরিক সম্পর্কের কোনও প্রমাণ না মেলায় তাদের বিয়ে খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

ওই স্ত্রী আদালতে জানিয়েছিলেন তাকে ধোঁকা দিয়ে বিয়েতে রাজি করানো হয়েছিলো।

মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট বলছে, যদিও প্রতারণার কোনো প্রমাণ মেলেনি- তা সত্ত্বেও যেহেতু তাদের শারীরিক সম্পর্ক ঘটেনি তাই সে বিয়েও অর্থহীন।

বিচারপতি মৃদুলা ভাটকর শুনানির পর বলেন, ‘কোন বিয়ের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক। আর সেটা যদি অনুপস্থিত থাকে তাহলে বিয়ের একটা মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ প্রতিপন্ন হয়।’

নিয়মিত না হলেও, অন্তত একবারের জন্যও স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যৌন মিলন যেকোনো বিয়েকে বৈধতা দেয়।
মামলার শুনানির সময় স্বামী অবশ্য দাবি করেছিলেন তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিলো- এমন কি তার ফলে তার স্ত্রী একবার সন্তান সম্ভাবাও হয়েছিলেন। কিন্তু সন্তান সম্ভাবা স্ত্রীকে গায়নোকলজিস্টের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বা তার টেস্ট করানো হয়েছিলো এরকম কোনো প্রমাণ পেশ করতে না পারায় আদালতে সেই দাবি ধোপে টেকেনি।

এর ফলে ২০০৯ সালের হওয়া বিয়েতে একদিনের জন্যই কোনও শারীরিক সম্পর্ক না হওয়ায় বিচ্ছেদেই সমীচীন মনে করে হাইকোর্ট।

যদিও প্রথমে ওই মহিলার ডিভোর্স মঞ্জুর করেনি নিন্ম আদালত। এ সময় আপিলে রায় যায় স্বামীর পক্ষে। কিন্তু এবার মহিলার দাবিতেই ছিলমোহর দেয় হাইকোর্ট।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: