মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এমপি না হয়েও ল্যান্ড ক্রুজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেন মুহিত  » «   খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ল এক বছর  » «   নবজাতককে মুখে নিয়ে কুকুরের টানাটনি, উদ্ধার করলেন এসআই  » «   নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানে উদ্যোগী হতে হবে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী  » «   জনগণের সংকট উত্তরণে নতুন নির্বাচনের বিকল্প নেই: ফখরুল  » «   পানি বণ্টনের নতুন ফর্মুলা খুঁজছে বাংলাদেশ-ভারত: জয়শঙ্কর  » «   শেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!  » «   অবশেষে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক  » «   অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ‘স্পিড গান’  » «   কমলাপুর রেলওভার ব্রিজের ত্রুটির চিত্র তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিন্দাবাজারে মিললো ২টি গোখরাসহ ৬ বিষধর সাপ  » «   কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «  

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা



নিউজ ডেস্ক:: মাধ্যমিক পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধে দুদকের অভিযানের পরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। পাশাপাশি অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের টাকার বিনিময়ে নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার অভিযোগও রয়েছে। এ অবস্থায় দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, প্রমাণ সাপেক্ষে অভিযুক্ত স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাজধানীর শনির আখড়া এলাকার বর্ণমালা স্কুল এন্ড কলেজ। ২০১৯ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি’র বাইরে দ্বিগুণ অর্থ আদায় করার অভিযোগ স্কুলটির বিরুদ্ধে।

একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের স্কুলে ৪২৫০ টাকা দিতে হয়।এটাই নির্ধারণ করা।’শুধু তা-ই নয়, বছরের শুরুতেই ফরম পূরণ বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অগ্রিম ১৮শ’ ৭৫ টাকা কেটে নেয়া হলেও, এখন আবার নতুন করে সেই টাকা আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

একজন শিক্ষার্থী বলেন, প্রথম ভর্তির টাকা ১৮৭৫ টাকা নেয়া হয়েছে, তারপরেও টেস্টের আগেও টাকা নেয়া হয়েছে।তবে এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ক্যামেরার উপস্থিতি টের পেয়ে প্রথম দিন সটকে পড়েন অধ্যক্ষ। পরবর্তীতে স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটক অতিক্রম করাই সম্ভব হয়নি।

এ চিত্র কেবল বর্ণমালা স্কুলের ক্ষেত্রেই নয়। এ দলে রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অতিরিক্ত ফি আদায়ের তথ্য পেয়ে রাজধানীর সাইন্সল্যাবে বিসিএসআইআর স্কুলে গেলে ক্যামেরা দেখে একই আচরণ করে প্রতিষ্ঠানটি।

অভিযোগ খতিয়ে দেশে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে দুদক।এটা আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদি সত্যি কোন দুর্নীতি ঘটে সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’এছাড়া অনেক স্কুলে নির্বাচনী পরীক্ষাতেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বলা হয় মানুষ গড়ার কারখানা। লাভ-লোকসানের হিসাব না করে যে প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্য একজন শিক্ষার্থীকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তোলা। অথচ দিনের পর দিন এ ধরণের প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: