বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জানাজার জন্য জায়ানের মরদেহ চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে  » «   ফেনীর এসপি-ওসিসহ ৪০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ  » «   শেখ হাসিনা আমাকে প্রতিবছর মিষ্টি পাঠান : মোদি  » «   ‘বেলা তুমি বিয়ে করে ফেলো, আমি সেশনজটে আটকে গেছি’  » «   ২২ মে শুরু ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি  » «   রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে মসজিদসহ ৩০টি ঘর পুড়ে ছাই  » «   প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টে রিট  » «   টুইটারে ফলোয়ার কমছে ট্রাম্পের, কারণ জানতে বৈঠক  » «   দেশে পৌঁছেছে জায়ানের মরদেহ  » «   বারাক ওবামাকে হত্যার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল যারা  » «   জায়ানকে শেষবারের মতো দেখতে যাবেন দাদু শেখ হাসিনা  » «   যুদ্ধাপরাধের দায়ে নেত্রকোনার দুই রাজাকারের ফাঁসির আদেশ  » «   হবিগঞ্জে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে টাকা-মোবাইল লুট  » «   শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯, গ্রেপ্তার ৫৮  » «   রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ৬ বছর, কূলকিনারা হয়নি মামলার  » «  

বিডিআর হত্যা: কিছুক্ষণের মধ্যেই রায়



নিউজ ডেস্ক::বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আসামীদের করা আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের বিষয়ে দ্বিতীয় দিনের আপিলের রায় পড়া শেষ হওয়ার পর দুপুর আড়াইটার দিকে রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) সকাল এগারোটার দিকে ঐতিহাসিক এ মামলার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির হাইকোর্ট বেঞ্চে। বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার।

বহুল আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ১৫২ আসামির মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও সাজা বাতিলে আসামিপক্ষের আপিলের রায় এটি।

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডে আনা মামলায় দায়ের করা সকল ডেথ রেফারেন্স ও ফৌজদারি আপিলের ওপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন গত ১৩ এপ্রিল শেষ হয়। এর আগে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক পেশ করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

রায়ে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা তাদের সাজা বাতিল চেয়ে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। আপিল শুনানির জন্য সুপ্রিমকোর্টের বিশেষ ব্যবস্থায় সর্বমোট ৩৭ হাজার পৃষ্ঠার পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়। এজন্য মোট ১২ লাখ ৯৫ হাজার পৃষ্ঠার ৩৫ কপি ও অতিরিক্ত দুই কপি পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়।

২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে এসব মামলা নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। মামলায় সিআইডি দীর্ঘ তদন্ত শেষে হত্যা মামলায় ২৩ বেসামরিক ব্যক্তিসহ প্রথমে ৮২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আরও ২৬ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করায় আসামি দাড়ায় ৮৫০ জনে।

এছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ৮০৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় সিআইডি। পরে আরও ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ৮৩৪ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। বিচার চলার সময়ে বিডিআরের ডিএডি রহিমসহ চার আসামির মৃত্যু হয়। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীরও দণ্ড হয়েছে। সাজা ভোগকালীন বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

রক্তাক্ত ওই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী এ বাহিনীর নাম পুনর্গঠন করা হয়। নাম বদলের পর এ বাহিনী এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হিসেবে পরিচিত।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: