বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

বিএসএফের গুলিতে নিহত ছেলের লাশের অপেক্ষায় বাবা-মায়ের কান্না



নিউজ ডেস্ক:: বাবলুর লাশ ফেরত চান স্বজনরা। লাশ এনে দাফন করার জন্য বাবা-মা ও স্ত্রী বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিচ্ছেন। কিন্তু সোমবার ঘটনার ৭ দিন হতে চললেও তারা এখনও লাশ ফেরত পাওয়ার কোনো আশার আলো দেখতে পাননি।

স্বজনদের আহাজারি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাবলুকে গু’লি করে মেরেছে। তাই বলে কি আমরা তার লা’শটাও ফেরত পাব না। আমরা আমাদের ছেলের লাশ ফেরত চাই- আমাদেরকে লাশ এনে দেয়ার ব্যবস্থা চাই।’

সোমবার সকালে সাংবাদিকদের কাছে এভাবেই আকুতি জানান বিএসএফের গুলিতে নিহত বাবলু মিয়ার বাবা নুর মোহাম্মদ ও মা আছিয়া খাতুন। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশের ৫১ বিজিবির কাছে আমরা এ নিয়ে কথা বলার জন্য বার বার ধরনা দিয়ে কোনো সুযোগ পাইনি। তাই তারা রোববার বিকালে ছেলের লা’শ ভারত থেকে এনে দেয়ার দাবিতে ৫১ বিজিবির কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছে লিখিত আবেদনটি নীলফামারীর ডিমলা ইউএনও মাধ্যমে প্রেরণ করেছেন।বাবলুর বাড়ি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন গ্রামে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ৩ সেপ্টেম্বর সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা ও লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম তিস্তা নদীর চর সীমানায় গরু চড়াতে ও ঘাস কাটতে গেলে সীমান্তের ৭৭২ প্রধান পিলালের কাছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাবলুর মিয়া (২৪) নিহত হন।

এ সময় বাবলুর সঙ্গে থাকা চৌদ্দ বছরের বালক সাইফুল ইসলাম আহত হয়। বাবলুর লাশসহ আহত বালককে বিএসএফ ভারতে নিয়ে যায়।আহত বালক ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়শিঙ্গেশ্বর গ্রামের গোলজার রহমানের ছেলে। সাইফুলকে ফেরত পেতে তার স্বজনরা একইভাবে ধরনা দিচ্ছে।

এদিকে নিহত বাবলুর স্ত্রী রজিফা স্বামীর জন্য আহাজারি করছে। আট মাস আগে বিয়ে হওয়া এই নারী ঠিকমতো সংসার জীবন শুরুই করতে পারেনি। স্বামীর হঠাৎ এভাবে মৃত্যু সে মেনে নিতে পারছে না। অল্প বয়সে আজ তাকে বিধ’বা হতে হল।

ভারত থেকে বাবলুর লা’শ নিয়ে আসার দাবিতে বাবা, মা, স্ত্রী, ভাই-বোন পাগলের মতো জনপ্রতিনিধি, বিজিবি, প্রশাসনের বিভিন্ন লোকজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ খান জানান, বাবলুর লাশ ও আ’টক সাইফুল ইসলামকে ফেরত আনার জন্য ৫১ বিজিবি কাছে বাবলুর জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়। তবে ৫১ বিজিবির কাছে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ভারতীয় বিএসএফ বাবলুর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে কোচবিহার হাসপাতালের মরচ্যুয়ারীতে সংরক্ষণ করে রেখেছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: