রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
একাত্তরের গণহত্যা আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে তুলবে জাতিসংঘ  » «   এ বছর থেকেই তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে না পরীক্ষা  » «   মসজিদে হামলা: ৮ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি চার বছর বয়সী আলিনের  » «   মালিতে ১৩৪ মুসলিম আদিবাসীকে গুলি করে হত্যা  » «   ইভিএমএ ভোট দেই এক জায়গায়,আরেক জায়গায়  » «   ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে দু’পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্য  » «   আড়াই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩টি!  » «   ব্রেক্সিট ঠেকাতে ফের গণভোট ও মে’র পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ব্রিটেন  » «   যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে চরম হেনস্থার শিকার ৯ বছরের বালিকা  » «   রাতেই ব্যালটে সিল মারায় নির্বাচন স্থগিত  » «   বাসচাপায় সিকৃবি ছাত্র হত্যা, চালক-হেলপার গ্রেফতার  » «   উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে  » «   লাগামহীনভাবে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য: রমজানপূর্ব মজুদদারিতে কারসাজি  » «   সন্ত্রাস ও হিংসা মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে পাকিস্তানকে আহ্বান মোদির  » «   সংসদে লুকিয়ে চকলেট খেয়ে ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো!  » «  

বাবা-মায়ের মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিল সন্তান!



নিউজ ডেস্ক::চীনা দম্পতি শেন লি ও লিউ শি। ২০১৩ সালের মার্চ মাসে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের ইয়েশিংয়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তারা। আপনি জেনে অবাক হবেন, এই দম্পতির মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিয়েছে তাদের সন্তান। চীনা গণমাধ্যমগুলো চাঞ্চল্যকর এই খবর প্রকাশ করেছে।

চীনা গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চীনের ওই স্বামী-স্ত্রী মৃত্যুর আগে নিজেদের ডিম্বাণু-শুক্রাণু আইভিএফ-এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের জন্য জমা রেখেছিলেন। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

আইভিএফ হলো- ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন। এ প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণু ও শুক্রাণু আলাদা করে সংগ্রহ করে বাইরে টেস্টটিউবের মাধ্যমে কিংবা গর্ভ ভাড়া করে অন্য একজনের গর্ভে প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্ম দেওয়া হয়।

জানা যায়, সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়াটির অনুমতি নিতে বা পাওয়ার জন্য চীনা ওই দম্পতির বাবা-মাকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন মামলা লড়তে হয়েছিল। কারণ, চীনে এ সংক্রান্ত আইন নেই। বিশ্বের বৃহত্তর তম দেশ চীনে গর্ভ ভাড়া করা আইনত দণ্ডনীয়। এ কারণে ওই দম্পতির পিতা-মাতারা লাওস থেকে এক নারীর গর্ভ ভাড়া নেন।

জানা গেছে, জন্ম নেয়া ওই ছেলে শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শিয়ায়েনশিয়ান। মান্দারিন ভাষায় এর অর্থ হচ্ছে- মিষ্টি।

মৃত ওই দম্পতির বাবা-মা ছেলেটির জন্মের পর খুবই খুশী হন।

শিশুটির নানী হু শিংশিয়াং গণমাধ্যমকে বলেন, ছেলে শিশুটি সব সময়ই হাসি মুখে থাকে। তার চোখ হয়েছে আমার মেয়ের মতো তবে সে দেখতে তার বাবার মতো হয়েছে বলে জানান নানী হু শিংশিয়াং।

তিনি আরো জানান, শিয়ায়েনশিয়ান বড় হলে তার জন্মের এই পুরো ঘটনাটি জানাবেন। এর আগ পর্যন্ত তার বাবা-মা বিদেশে থাকে বলবেন নানী।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: