সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিলামে উঠছে টাইটানিকের সাড়ে পাঁচ হাজার নিদর্শন  » «   নতুন সরকার এলেও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে না  » «   গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে স্থান পেলো ‘ঢাকা পরিচ্ছন্নতা অভিযান’  » «   ফিলিপাইনে ভূমিধস : নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৫৯  » «   গোপন বৈঠক চলাকালে বিশ্বনাথে লোকমানসহ জামায়াতের ১৭ নেতাকর্মী আটক  » «   ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে নাক গলানোর অধিকার নেই জাতিসংঘের’–মিয়ানমার সেনাপ্রধান  » «   খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়টি স্পর্শকাতর: হাইকোর্ট  » «   মুসলিম বিশ্ব বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জর মুখে: সৌদি বাদশাহকে এরদোয়ানের হুঁশিয়ারি  » «   ‘জগাখিচুড়ি মার্কা ঐক্য টিকবে না’–কাদের  » «   ইমরানের এক টুইটেই দরজা বন্ধ!  » «   কুচকাওয়াজে হামলার প্রতিশোধে ইরানকে সহযোগিতা করবে রাশিয়া  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: ৩ উৎকণ্ঠা ৩ দাবি  » «   টেস্টে উত্তীর্ণ না হলে মূল পরীক্ষায় বসার সুযোগ নেই  » «   সরকার উৎখাতে দুর্নীতিবাজরা জোট বেঁধেছে: প্রধানমন্ত্রী  » «   জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ না হওয়ার কারণ দেখছি না: বনমন্ত্রী  » «  

বাবা-মায়ের মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিল সন্তান!



নিউজ ডেস্ক::চীনা দম্পতি শেন লি ও লিউ শি। ২০১৩ সালের মার্চ মাসে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের ইয়েশিংয়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তারা। আপনি জেনে অবাক হবেন, এই দম্পতির মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিয়েছে তাদের সন্তান। চীনা গণমাধ্যমগুলো চাঞ্চল্যকর এই খবর প্রকাশ করেছে।

চীনা গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চীনের ওই স্বামী-স্ত্রী মৃত্যুর আগে নিজেদের ডিম্বাণু-শুক্রাণু আইভিএফ-এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের জন্য জমা রেখেছিলেন। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

আইভিএফ হলো- ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন। এ প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণু ও শুক্রাণু আলাদা করে সংগ্রহ করে বাইরে টেস্টটিউবের মাধ্যমে কিংবা গর্ভ ভাড়া করে অন্য একজনের গর্ভে প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্ম দেওয়া হয়।

জানা যায়, সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়াটির অনুমতি নিতে বা পাওয়ার জন্য চীনা ওই দম্পতির বাবা-মাকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন মামলা লড়তে হয়েছিল। কারণ, চীনে এ সংক্রান্ত আইন নেই। বিশ্বের বৃহত্তর তম দেশ চীনে গর্ভ ভাড়া করা আইনত দণ্ডনীয়। এ কারণে ওই দম্পতির পিতা-মাতারা লাওস থেকে এক নারীর গর্ভ ভাড়া নেন।

জানা গেছে, জন্ম নেয়া ওই ছেলে শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শিয়ায়েনশিয়ান। মান্দারিন ভাষায় এর অর্থ হচ্ছে- মিষ্টি।

মৃত ওই দম্পতির বাবা-মা ছেলেটির জন্মের পর খুবই খুশী হন।

শিশুটির নানী হু শিংশিয়াং গণমাধ্যমকে বলেন, ছেলে শিশুটি সব সময়ই হাসি মুখে থাকে। তার চোখ হয়েছে আমার মেয়ের মতো তবে সে দেখতে তার বাবার মতো হয়েছে বলে জানান নানী হু শিংশিয়াং।

তিনি আরো জানান, শিয়ায়েনশিয়ান বড় হলে তার জন্মের এই পুরো ঘটনাটি জানাবেন। এর আগ পর্যন্ত তার বাবা-মা বিদেশে থাকে বলবেন নানী।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: