বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২৭ জুলাই খালেদার মুক্তি দাবিতে জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ  » «   মৌসুমি বায়ু দুর্বল, বর্ষার বর্ষণ নেই  » «   সিলেটে দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু  » «   হরিণাকুণ্ডুতে র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত সদস্য নিহত  » «   পুলিশের সোর্স মামুন মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও  » «   ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরি, সালিসে জরিমানার টাকা ভাগাভাগি!  » «   আইনমন্ত্রীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী  » «   ‘এদেরকে নিয়েই মান্না সাহেব দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবেন’  » «   রাশিয়ায় বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে পুলিশের জালে বাংলাদেশী যুবক  » «   বিদেশ ও জেল থেকে আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা  » «   বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত মনোনীত রবার্ট মিলার  » «   বেবী নাজনীন অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি  » «   কোটা আন্দোলন: ছাত্রলীগের হুমকিতে ক্যাম্পাস ছাড়া চবি শিক্ষক  » «   ভেবেই ক্লাব বদল করেছেন রোনালদো  » «   ভারতে নিষিদ্ধ, অন্য দেশে পুরস্কৃত যেসব ছবি  » «  

বাবা-মায়ের মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিল সন্তান!



নিউজ ডেস্ক::চীনা দম্পতি শেন লি ও লিউ শি। ২০১৩ সালের মার্চ মাসে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের ইয়েশিংয়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তারা। আপনি জেনে অবাক হবেন, এই দম্পতির মৃত্যুর ৪ বছর পর জন্ম নিয়েছে তাদের সন্তান। চীনা গণমাধ্যমগুলো চাঞ্চল্যকর এই খবর প্রকাশ করেছে।

চীনা গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চীনের ওই স্বামী-স্ত্রী মৃত্যুর আগে নিজেদের ডিম্বাণু-শুক্রাণু আইভিএফ-এর মাধ্যমে সন্তান জন্মদানের জন্য জমা রেখেছিলেন। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

আইভিএফ হলো- ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন। এ প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণু ও শুক্রাণু আলাদা করে সংগ্রহ করে বাইরে টেস্টটিউবের মাধ্যমে কিংবা গর্ভ ভাড়া করে অন্য একজনের গর্ভে প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্ম দেওয়া হয়।

জানা যায়, সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়াটির অনুমতি নিতে বা পাওয়ার জন্য চীনা ওই দম্পতির বাবা-মাকে দুটি ভিন্ন ভিন্ন মামলা লড়তে হয়েছিল। কারণ, চীনে এ সংক্রান্ত আইন নেই। বিশ্বের বৃহত্তর তম দেশ চীনে গর্ভ ভাড়া করা আইনত দণ্ডনীয়। এ কারণে ওই দম্পতির পিতা-মাতারা লাওস থেকে এক নারীর গর্ভ ভাড়া নেন।

জানা গেছে, জন্ম নেয়া ওই ছেলে শিশুটির নাম রাখা হয়েছে শিয়ায়েনশিয়ান। মান্দারিন ভাষায় এর অর্থ হচ্ছে- মিষ্টি।

মৃত ওই দম্পতির বাবা-মা ছেলেটির জন্মের পর খুবই খুশী হন।

শিশুটির নানী হু শিংশিয়াং গণমাধ্যমকে বলেন, ছেলে শিশুটি সব সময়ই হাসি মুখে থাকে। তার চোখ হয়েছে আমার মেয়ের মতো তবে সে দেখতে তার বাবার মতো হয়েছে বলে জানান নানী হু শিংশিয়াং।

তিনি আরো জানান, শিয়ায়েনশিয়ান বড় হলে তার জন্মের এই পুরো ঘটনাটি জানাবেন। এর আগ পর্যন্ত তার বাবা-মা বিদেশে থাকে বলবেন নানী।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: