রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভাঙছে শরিক দল সঙ্কটে ঐক্যফ্রন্ট  » «   হলি আর্টিসান হামলা: রায় ২৭ নভেম্বর  » «   চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেন ৩৩ যাত্রী  » «   হাত-পা ছাড়াই মুখে ভর করে লিখে পিইসি দিচ্ছে লিতুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া বিএনপির চিঠিতে আবরার হত্যার বর্ণনা  » «   ১৫০ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিপাকে ভারতীয় বিমান, রক্ষা করল পাকিস্তান  » «   বিমান ছাড়াও ট্রেন, ট্রাক, বাসে করে আসছে পেঁয়াজ: সিলেটে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   চুক্তির তথ্য জানতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএনপি  » «   বোলডোজার দিয়ে সিসিকের অভিযান, উচ্ছেদ শতাধিক স্থাপনা  » «   রাজধানীতে দরজা ভেঙে সিলেটের সাংবাদিক মনসুর আলীর মরদেহ উদ্ধার  » «   স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল, সম্পাদক বাবু  » «   চার দিনের সফরে আজ আমিরাত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   শ্রীলঙ্কায় মুসলিম ভোটারদের বহনকারী বাসে বন্দুকধারীদের হামলা  » «   আজ পহেলা অগ্রহায়ণ: নানা আয়োজনে চলছে ‘নবান্ন উৎসব’  » «   মোরালেস সমর্থকদের ওপর পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৫  » «  

‘বাবার সঙ্গে হানিপ্রীতকে নগ্ন অবস্থায় দেখেছি’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতের বিতর্কিত ধর্ষক ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের সঙ্গে তার পালিত কন্যা হানিপ্রীতের অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করেছেন তার স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে হানিপ্রীতের সাবেক এই স্বামী বলেছেন, ‘গুরমিতের সঙ্গে একই বিছানায় রাত কাটাত হানিপ্রীত। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল। আমি বাবার সঙ্গে হানিপ্রীতকে নগ্ন অবস্থায় দেখেছি।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এই যে আপনারা আমাকে দেখলেন, এর পরে আর দেখবেন কি না জানি না। রাম রহিম সিংয়ের বিশাল ক্ষমতা। তিনি যতই জেলে থাকুন না কেন।’
ডেরা সাচ্চা সওদা প্রধান রাম রহিমের পালিত কন্যা হানিপ্রীত ইনসানের সাবেক স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত। সিরসায় ডেরা-সাম্রাজ্যে ‘বাবার গুফা’য় কী ধরনের কাজকর্ম চলত, তা নিয়ে নানা কথা বেরিয়ে এসেছে গুরমিত জেলে যাওয়ার পর।
বিশ্বাস দাবি করেছেন, ওই গুফাতেই তিনি এবং হানিপ্রীতসহ ছয় জোড়া ছেলেমেয়েকে কাটাতে হয়েছিল ২৮ দিন। কারণ, ‘বাবা’ তখন টিভির রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’র আদলে নিজের গুফায় একই ধরনের একটি খেলা চালু করেছিল। ওই ১২ জন ছিলেন প্রতিযোগী।
তবে বিশ্বাস বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই ‘খেলার’ সময়টুকু বাদ দিলে গুরমিতের গুফায় তার বিশেষ প্রবেশাধিকার ছিল না। বরং হানিপ্রীত যখন গুরমিতের ঘরে যেতেন, তখন তাকে বার করে দেয়া হতো। আর হুমকি দেয়া হতো মুখ বন্ধ রাখার জন্য।
তিনি বলেন, ‘গুরমিত আমাকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছিল। হানিপ্রীতকে মোটেই আইনি পথে দত্তক নেয়া হয়নি। বরং ২০০৯ থেকে হানিপ্রীতই ছিল বকলমে গুরমিতের বউ।’
দুজনের অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনেই ২০১১ সালে বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন বিশ্বাস। ডেরা থেকে চলে আসেন পঞ্চকুলার সেক্টর ১৫-র বাড়িতে। বিশ্বাসের অভিযোগ, এর পরও তার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখত গুরমিতের লোকেরা। শেষ পর্যন্ত পণের ‘ভুয়া’ মামলায় জড়িয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছিল তাকে। আনন্দবাজার।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: