সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি  » «   গণপিটুনিতে রেনু নিহতের ঘটনায় আটক ৩ জন রিমান্ডে  » «   ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা  » «   ফের জাতীয় সংলাপের আহ্বান ড. কামালের  » «   জবানবন্দি প্রত্যাহার ও চিকিৎসা- মিন্নির পক্ষে দুই আবেদনই নামঞ্জুর  » «   উ. কোরিয়ায় নির্বাচন: ভোট পড়েছে ৯৯.৯৮ শতাংশ  » «   এইডস ঝুঁকিতে সিলেট ও মৌলভীবাজার  » «   ঈদের আগেই সরকারি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার ফল  » «   বিমানের ৪৫ হাজার টিকিট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হরিলুট  » «   মিন্নি নয়, রিফাত হত্যার নেপথ্যে চেয়ারম্যানের স্ত্রী?  » «   পাকিস্তানে নারী আত্মঘাতীর বিস্ফোরণে ছয় পুলিশসহ নিহত ৯  » «   সাইকেল চালিয়ে হজ করতে যাচ্ছেন ৮ ব্রিটিশ মুসলিম  » «   প্রিয়া সাহার মিথ্যা বক্তব্য মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্র : জয়  » «   বাংলাদেশের পোশাক খাতে রপ্তানি বেড়েছে ২২ শতাংশ  » «   ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার শোরুম সিলগালা করলো সিসিক  » «  

বাজার স্থিতিশীল, কমেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম



নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর রমজান আসলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে কৃষিপণ্য উৎপাদন করা হলেও দাম বাড়ে আকাশচুম্বি। শুধু কৃষিপণ্য নয় মসলাসহ মাছ, মাংসের দামও বাড়ে। তবে এবার খাগড়াছড়ির বাজারের চিত্র ভিন্ন।
এবার রমজান আসার কয়েকদিন আগ থেকে বাজার স্থিতিশীল। বেশকিছু কাঁচা পণ্যের দামও কমেছে। রমজান ঘিরে অধিক মুনাফার লোভে মজুদ রাখা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কম দামে বিক্রি করছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

খাগড়াছড়ির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন, শশা, কাঁচামরিচ, বরবটি, করলা, পটল, পেয়াঁজ,
ছোলা, ডিম ও তেলের দাম রয়েছে সহনীয় পর্যায়ে। এর মধ্যে রমজান মাস আসার পর কমেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম।

বাজার স্থিতিশীল খাগড়াছড়িতে
করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা ও বেগুন ৫০ টাকায়। রমজান আসার পর এসব পণ্যে দাম কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা ও কক ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে দাম কমেছে১৫/২০ টাকা।

পেয়াঁজ ২৫ টাকা, আলু ২২ টাকা, ডিম এক হালি ২৬ টাকা, ছোলা ৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিনি ৫৮ থেকে ৬০টাকা, রসুন ৭০ টাকা, তেল ৯০ থেকে ১শ’ টাকা, খেজুর ৯০ টাকা। গরুর মাংস ৫শ’ টাকা, খাসির মাংস ৮শ’ টাকা, রুইমাছ/মৃগেল ২৫০ টাকা, কাতাল ৩শ’ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০/৮০ টাকা, চিংড়ি বাগদা ৪৮০/৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি পলাশ স্টোরের সত্ত্বাধিকারী পলাশ দে ও পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানান, এবছর রমজানে জিনিসের দাম বাড়েনি। উল্টো বেশকিছু পণ্যের দাম কমেছে। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সুবিধা করতে না পেরে কম দামে মাল বিক্রি করছে।

খাগড়াছড়ির মাংস ব্যবসায়ী মো. নাছির উদ্দিন বলেন, রমজানের আগে-পরে মাংসের দামে কোনো পার্থক্য নেই। রমজানের আগে যে দামে মাংস বিক্রি করেছি এখনও সেই দামেই বিক্রি করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর রমজানে একটি চক্র পণ্য মজুদ রেখে অধিক দামে বিক্রি করে। এতে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে যায়। এবার বাজারে আমাদের বিশেষ নজরদারি রয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার বাজার স্বাভাবিক আছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: