বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটও  » «   ইন্টারনেটে ধীর গতি ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  » «   প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি: আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা  » «   আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে: জয়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট  » «   আম্বানি কন্যার বিয়েতে নাচলেন হিলারি ক্লিনটন [ভিডিও ]  » «   সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রচারণার একসঙ্গে মুক্তাদির-আরিফ  » «   সহিংসতার ঘটনা খতিয়ে দেখতে সিইসির নির্দেশ  » «   ‘ইডিয়ট’ লিখে গুগলে সার্চ দিলে কেনো আসে ট্রাম্পের ছবি?  » «   বিশ্ব ভ্রমণ করবে বাংলাদেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত গাড়ি  » «   খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরব ছাড়পত্র পাবে না: নিক্কি হ্যালি  » «   গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজ খালেদা ও হিরো আলম  » «   আস্থা ভোট, নেতৃত্বের পরীক্ষায় উতরে গেলেন তেরেসা মে  » «   ফোনালাপ ফাঁস: খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ  » «   নির্বাচনে এজেন্ট পাওয়া নিয়ে চিন্তায় বিএনপি  » «  

বাজার স্থিতিশীল, কমেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম



নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর রমজান আসলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে কৃষিপণ্য উৎপাদন করা হলেও দাম বাড়ে আকাশচুম্বি। শুধু কৃষিপণ্য নয় মসলাসহ মাছ, মাংসের দামও বাড়ে। তবে এবার খাগড়াছড়ির বাজারের চিত্র ভিন্ন।
এবার রমজান আসার কয়েকদিন আগ থেকে বাজার স্থিতিশীল। বেশকিছু কাঁচা পণ্যের দামও কমেছে। রমজান ঘিরে অধিক মুনাফার লোভে মজুদ রাখা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কম দামে বিক্রি করছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

খাগড়াছড়ির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন, শশা, কাঁচামরিচ, বরবটি, করলা, পটল, পেয়াঁজ,
ছোলা, ডিম ও তেলের দাম রয়েছে সহনীয় পর্যায়ে। এর মধ্যে রমজান মাস আসার পর কমেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম।

বাজার স্থিতিশীল খাগড়াছড়িতে
করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা ও বেগুন ৫০ টাকায়। রমজান আসার পর এসব পণ্যে দাম কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা ও কক ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে দাম কমেছে১৫/২০ টাকা।

পেয়াঁজ ২৫ টাকা, আলু ২২ টাকা, ডিম এক হালি ২৬ টাকা, ছোলা ৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিনি ৫৮ থেকে ৬০টাকা, রসুন ৭০ টাকা, তেল ৯০ থেকে ১শ’ টাকা, খেজুর ৯০ টাকা। গরুর মাংস ৫শ’ টাকা, খাসির মাংস ৮শ’ টাকা, রুইমাছ/মৃগেল ২৫০ টাকা, কাতাল ৩শ’ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০/৮০ টাকা, চিংড়ি বাগদা ৪৮০/৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি পলাশ স্টোরের সত্ত্বাধিকারী পলাশ দে ও পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানান, এবছর রমজানে জিনিসের দাম বাড়েনি। উল্টো বেশকিছু পণ্যের দাম কমেছে। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সুবিধা করতে না পেরে কম দামে মাল বিক্রি করছে।

খাগড়াছড়ির মাংস ব্যবসায়ী মো. নাছির উদ্দিন বলেন, রমজানের আগে-পরে মাংসের দামে কোনো পার্থক্য নেই। রমজানের আগে যে দামে মাংস বিক্রি করেছি এখনও সেই দামেই বিক্রি করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর রমজানে একটি চক্র পণ্য মজুদ রেখে অধিক দামে বিক্রি করে। এতে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে যায়। এবার বাজারে আমাদের বিশেষ নজরদারি রয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার বাজার স্বাভাবিক আছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: