মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ব্রান্ড ইমেজে পাকিস্তান থেকে ১২ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ  » «   দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা পেলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা  » «   ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুলকে চাইছে না কংগ্রেস!  » «   ঢাবির ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল  » «   সিলেটে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি  » «   জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে ব্যারিস্টার মইনুল  » «   নির্বাচনের আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন নয়: কাদের  » «   মিয়ানমারের ৫ সেনা কর্মকর্তার ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা  » «   নগরীর মাছিমপুরে জুয়ার আসরে মেয়র আরিফের হানা, উচ্ছেদ অবৈধ স্থাপনা  » «   খাশোগি হত্যা: সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলনের ওয়েবসাইট হ্যাকড  » «   পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু উদ্বোধন করল চীন (ভিডিও)  » «   খালেদা জিয়ার যাবজ্জীবন সাজা চাইলেন দুদক আইনজীবী  » «   স্কাইপে খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দেন যুবরাজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী  » «   আদালতে তোলা হচ্ছে মঈনুলকে  » «   কুরিয়ার পার্সেলের আড়ালে চলে হুন্ডি-মাদকের কারবার!  » «  

বাজার স্থিতিশীল, কমেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম



নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর রমজান আসলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে কৃষিপণ্য উৎপাদন করা হলেও দাম বাড়ে আকাশচুম্বি। শুধু কৃষিপণ্য নয় মসলাসহ মাছ, মাংসের দামও বাড়ে। তবে এবার খাগড়াছড়ির বাজারের চিত্র ভিন্ন।
এবার রমজান আসার কয়েকদিন আগ থেকে বাজার স্থিতিশীল। বেশকিছু কাঁচা পণ্যের দামও কমেছে। রমজান ঘিরে অধিক মুনাফার লোভে মজুদ রাখা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কম দামে বিক্রি করছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

খাগড়াছড়ির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন, শশা, কাঁচামরিচ, বরবটি, করলা, পটল, পেয়াঁজ,
ছোলা, ডিম ও তেলের দাম রয়েছে সহনীয় পর্যায়ে। এর মধ্যে রমজান মাস আসার পর কমেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম।

বাজার স্থিতিশীল খাগড়াছড়িতে
করলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা ও বেগুন ৫০ টাকায়। রমজান আসার পর এসব পণ্যে দাম কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা ও কক ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে দাম কমেছে১৫/২০ টাকা।

পেয়াঁজ ২৫ টাকা, আলু ২২ টাকা, ডিম এক হালি ২৬ টাকা, ছোলা ৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিনি ৫৮ থেকে ৬০টাকা, রসুন ৭০ টাকা, তেল ৯০ থেকে ১শ’ টাকা, খেজুর ৯০ টাকা। গরুর মাংস ৫শ’ টাকা, খাসির মাংস ৮শ’ টাকা, রুইমাছ/মৃগেল ২৫০ টাকা, কাতাল ৩শ’ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০/৮০ টাকা, চিংড়ি বাগদা ৪৮০/৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি পলাশ স্টোরের সত্ত্বাধিকারী পলাশ দে ও পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানান, এবছর রমজানে জিনিসের দাম বাড়েনি। উল্টো বেশকিছু পণ্যের দাম কমেছে। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা সুবিধা করতে না পেরে কম দামে মাল বিক্রি করছে।

খাগড়াছড়ির মাংস ব্যবসায়ী মো. নাছির উদ্দিন বলেন, রমজানের আগে-পরে মাংসের দামে কোনো পার্থক্য নেই। রমজানের আগে যে দামে মাংস বিক্রি করেছি এখনও সেই দামেই বিক্রি করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর রমজানে একটি চক্র পণ্য মজুদ রেখে অধিক দামে বিক্রি করে। এতে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে যায়। এবার বাজারে আমাদের বিশেষ নজরদারি রয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার বাজার স্বাভাবিক আছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: