মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

বাক্সে ২ কোটি টাকা দিলেই হয়ে যায় ৪ কোটি!



নারায়ণগঞ্জ:: টাকা দ্বিগুণ করে দেওয়ার ভয়ঙ্কর ফাঁদ পেতে দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় প্রতারক চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর সঙ্গে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ও ডলারের ২৬ হাজার ডলার, ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, পাসপোর্ট উদ্ধার করেছে।

শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে গ্রেফতারকৃত ছয়জনকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়। গ্রেফতারররা হলো কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিজবাহউদ্দিন খান শাফি চেয়ারম্যান (৬০), তাঁর ছেলে আমিরুল খান (৩০), চাঁদপুরের মতলব এলাকার মফিজুল ইসলাম শান্ত (৩১), এমদাদুল হক আকন্দ (৪৫), কামরুজ্জামান আকন্দ (৪০) ও কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর এলাকার মজিবুর খান (৫৪)। গত তিনদিনে এ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবির ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, মামলার বাদী ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান মামুন ঢাকার ডিওএইচএস বারিধারায় সুপ্তি সোয়েটার্স পরিচালনা করে আসছেন। তিন মাস আগে উল্লিখিত আসামিরা তার (মামুন) সঙ্গে দেখা করতে এসে জানান, তারা বিদেশি কালো টাকা সাদা করার জন্য অর্থ ঋণ প্রদান করে থাকেন। এছাড়াও ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তারা বিদেশি এনজিও পরিচালনা করে আসছেন। মামুন গত ১৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সুগন্ধা হোটেলে গেলে প্রতারক চক্র মিজবাহউদ্দিন ও শামীমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। তাদের কথামত মামুন ২০ এপ্রিল বিকালে শহরের চাষাঢ়ায় গ্রান্ডহলে গেলে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সমপরিমাণ ডলার প্রদান করে। একপর্যায়ে তারা মামুনকে আরো ৫০ হাজার টাকা থাকলে নিয়ে আসতে বলে। মামুন আরো ৫০ হাজার টাকা তাদের হাতে দিলে সেই বান্ডেলটি একটি বাক্সে রেখে স্প্রে করলে সেখান থেকে এক লাখ টাকা বের করে দেয় আর বলে এটি একটি ম্যাজিক বাক্স। এখানে যত পরিমাণ টাকা রাখা হবে তার দ্বিগুণ টাকা হয়ে যাবে। মামুনও তাদের এমন কার্যকলাপে বিশ্বাস করে। তারা বলে মামুন যদি দুই কোটি টাকার ডলার দেই তাহলে তারা কোটি ডলার তৈরি করে দিবে। এমন পরিস্থিতিতে চক্রটি মামুনের অফিসে যায় এবং তাদের কথা বিশ্বাস করে ২ কোটি এক লাখ টাকার সমপরিমাণ ডলার দিলে তারা একটি বাক্সে রাখে ও স্প্রে করে। একপর্যায়ে আসামিরা সুযোগ বুঝে বাক্সটি পরিবর্তন করে। পরে রাত ৮টার দিকে তারা মামুনকে জানায় ব্যাংক একাউন্টে ৪ কোটি টাকা জমা হলে বাক্সটি নিয়ে যাবে। পরের দিন সন্দেহ হলে বাক্সটি খুলে সেখানে ছাই পাওয়া যায়। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয় ৬ জনকে বিবাদী করে। সর্বশেষ মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে ডিবি পুলিশের এসআই মফিজকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়। ডিবি পুলিশের টিমটি গত তিনদিনে ছয়জনকে গ্রেফতার করে। ডিবির ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: