রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ওয়াসার পানির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব, ক্ষুব্ধ নগরবাসী  » «   শহীদের সঙ্গে প্রেম ভাঙলো কার দোষে? মুখ খুললেন কারিনা  » «   বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেল সখীপুরের ২ হাজারের বেশি মানুষ  » «   সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় অস্ত্রের চালান নিখোঁজ  » «   মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশকালে আটক ৪  » «   হামলাকারীকে ক্ষমা করে দিলেন লন্ডনের সেই মুয়াজ্জিন  » «   ঋণখেলাপিদের অর্থ কোথায় যায়  » «   ভাষা দিবসে কলাগাছের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা  » «   এক হাজার কোটি টাকা দিতে রাজি জিপি  » «   সেই জার্মান বন্দুকধারীর হিটলিস্টে বাংলাদেশিরা  » «   আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি আক্রান্ত  » «   আগুনে ১০ ঘর পুড়ে ছাই  » «   ঈশ্বরদীতে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২  » «   চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ সেনাসদস্য আটক  » «   ভারতে দুই স্বর্ণখনির সন্ধান, মজুত ৩৩৫০ টন  » «  

বাংলাদেশে বিদুৎ দিতে কাজ শুরু করেছে ভারত



নিউজ ডেস্ক::
ভারতের ত্রিপুরার ৭শ’ ২৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশকে ১শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিতে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে ত্রিপুরার কল্লাসগড়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ৪শ’ কেভির ডাবল সার্কিট লাইন। এখান থেকে বিদ্যুৎ নিতে বাংলাদেশকেও নির্মাণ করতে হবে সঞ্চালন লাইন।

বিনা শুল্কে বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহার করে ভারী যন্ত্রাংশ পরিবহনের ফলে নির্ধারিত সময়ে কম খরচে ৭শ’ ২৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সক্ষম হয়েছে ভারত। এ সহযোগিতার বিনিময়ে বাংলাদেশের কাছে ১শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রি করতে রাজী হয়েছে তারা। কিন্তু সঞ্চালন লাইন না থাকায় এখনই এ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তবে চলতি মাসেই ত্রিপুরার সূযর্মনি নগর থেকে কল্লাসগড় পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটারের শক্তিশালী সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজ শুরু করছে ভারত।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, ‘আমাদের পালাটানা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১০০ মেগাওয়াট বাংলাদেশে যাবে, এগুলো আমরা ঠিক করে নেব ওএনজিসি কতটুকু দেবে আর আমরা ত্রিপুরা কতটুকু দেব, মোটকথা বাংলাদেশ ১০০ মেগাওয়াট পাবে।’
আর ত্রিপুরার বিদ্যুৎ মন্ত্রী মানিক দে বলেন, ‘সূর্যমণি নগর থেকে কসবা হয়ে ভারতের কল্লাসগর অংশের ২৪ কিলোমিটার আমরা করব।’

ত্রিপুরার বিদ্যুৎ মন্ত্রী জানান, ২০১৫ সালের মধ্যেই এ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শেষ হবে। বাংলাদেশও নিজেদের অংশে সঞ্চালন লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

মানিক দে বলেন, ‘ভারতের অংশটি করবে পিজিসিআইএল, এটির টেন্ডার হয়ে গেছে, এই মাসের মধ্যেই ঠিকাদারকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়ে দেবেন, ফেব্রুয়ারিতে এই কাজটি হবে, একইভাবে বাংলাদেশের অংশটি কারা করবে সেটিও সম্ভবত তারা নিয়োগ দিয়ে দিয়েছে।’

তবে এখনো বিদ্যুতের দাম ঠিক হয়নি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানান, দু’পক্ষ আলোচনা করে দাম নির্ধারণ করবে।
২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। দ্বিতীয় ইউনিটটি মার্চে উৎপাদনে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: