রবিবার, ২০ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজকীয় বিয়েতে রাজকীয় সাজে ছিলেন প্রিয়াঙ্কাও  » «   যে কারণে বাদ ইমরুল-তাসকিন-সোহান  » «   সাইবার অপরাধ : তাৎক্ষণিক বিচার চান অধিকাংশ ভুক্তভোগী  » «   নয়াপল্টনে রিজভী‘কাদেরের বক্তব্য একতরফা নির্বাচনেরই ইঙ্গিতবহ’  » «   রাজীবের হাত বিচ্ছিন্ন : দুই বাসচালকের জামিন নামঞ্জুর  » «   এভারেস্টের চূড়ায় ১৬ বছরের কিশোরী!  » «   ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড  » «   মির্জাপুরে ‌‌‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছিনতাইকারী নিহত  » «   রেলের টিকিট কালো বাজারে, জেল জরিমানা  » «   চাঞ্চল্যকর সীমা হত্যার আসামি গ্রেফতার  » «   বড়লেখায় সোনাই নদীতে ধরা পড়ল ৪ ফুট লম্বা রাঘব চিতল  » «   ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গালকাটা বাবু নিহত  » «   মৌলভীবাজারে শাশুড়িকে কুপিয়ে খুন করেছে জামাতা  » «   আজান সম্প্রচার না করলে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি  » «   বিরল রোগে আক্রান্তমুক্তামণির গল্পটা হয়তো শেষের দিকে!  » «  

বাংলাদেশি তরুণীর নাসা বিজয়



নিউজ ডেস্ক::২০১৭ সালের ‘নাসা গডার্ড’স এফওয়াই সেভেনটিন ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার’ (NASA Goddard’s FY17 IRAD Innovator of the year পুরষ্কার জিতেছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা।

নাসার সাময়িকী ‘কাটিং এজ’ এর লেটেস্ট ইস্যুর প্রচ্ছদ প্রতিবেদনটির প্রতিপাদ্য মাহমুদা এবং তার আবিষ্কার। তিন পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটিতে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। নাসা গডার্ডের চিফ টেকনোলজিস্ট বললেন- ‘স্বল্প সময়ে তার গবেষণা আর আবিষ্কারের ক্ষেত্রে তার দক্ষতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করায় আমরা ভাগ্যবান।’
নাসার আরেক টেকনোলজিস্ট বলেন, ‘মাহমুদার মধ্যে আমি একজন প্রফেশনালকে দেখি যে নাসাতে অনেকদূর যাবে।’
চিফ টেকনোলজিস্ট টেড সোয়ানসন এর ভাষায়, ‘তিনি একজন সত্যিকারের পথপ্রদর্শক। একজন সফল আবিষ্কারক হওয়ার মতো সব গুণ আছে তার মধ্যে।’
পুরষ্কারের ঘোষণায় মাহমুদা সম্পর্কে বলা হয়- “Mahmooda has distinguished herself as a
মূলত মহাকাশে সহজে ব্যবহার করা যাবে এমন ছোট ও যুগান্তকারী প্রযুক্তির যন্ত্র আবিষ্কারের জন্যই এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে এমআইটি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি নেয়ার আগেই এক জব ফেয়ারে তিনি নাসার গডার্ড ডিটেক্টর সিস্টেম ব্রাঞ্চে কাজের প্রস্তাব পান। এর আগেই তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট করেছিলেন। ততদিনে রিসার্চ একাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন বিখ্যাত বেল ল্যাবরটরিতে।
কিশোর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মাহমুদা। তার বড় চাচাও নাসার এমস রিসার্চ সেন্টারে ফিজিসিস্ট হিসেবে কাজ করেন। তাই ছোট বেলা থেকেই নাসার বিভিন্ন গবেষণা, অর্জন নিয়ে তার পড়াশোনা সমবয়সী যে কারো থেকে অনেক বেশী ছিলো। নাসাতে কাজ করার যে স্বপ্ন তিনি দেশে বসে দেখতে শুরু করেছিলেন, ২০১০ সালে তা বাস্তবে পরিণত হয়।
মূলত ন্যানো টেকনোলজি, থ্রিডি প্রিন্টিং, ডিটেক্টর ডেভেলপমেন্ট এসব নিয়েই মাহমুদার গবেষণা। এমআইটি’র সঙ্গে যৌথভাবে কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন আলোক তরঙ্গ ডিটেক্টর নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি। থ্রিডি প্রিন্টার আরো সহজ করার জন্যও তার আবিষ্কার ‘গ্রাউন্ড ব্রেকিং’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মাহমুদার এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে দেশ ও জাতির জন্য গৌরবের। দেশের লাখো স্বপ্নদ্রষ্টা তরুণের সামনে এক উজ্জ্বল উদাহরণ তিনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: