বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পত্নীতলায় বিজয় দিবস আন্ত:ইউনিয়ন ভলিবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন  » «   পত্নীতলার প্রিয় মুখ বিএফডিসি, এর তরুন কমেডিয়ান ইমরান হাসোর আজ জন্মদিন  » «   পত্নীতলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত  » «   রাজশাহীতে ৩ সাংবাদিককে পেটাল ছাত্রলীগ  » «   খালেদার দুর্নীতি নিয়ে ইনুর ওপেন চ্যালেঞ্জ  » «   ফেসবুকে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে নগ্ন ভিডিও-ছবি  » «   অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি ১২৮ কর্মকর্তার  » «   প্রধানমন্ত্রীর বিমানে ত্রুটি : সব আসামির জামিন  » «   ভরিতে স্বর্ণের দাম কমলো ১২৮২ টাকা  » «   ১৪ ও ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি  » «   এপির অনুসন্ধান: ধর্ষণ থেকে রেহাই মেলেনি ৯ বছরের রোহিঙ্গা শিশুরও  » «   সীতাকুণ্ডে বিরল প্রজাতির পেঁচা ধরা পড়ল  » «   ‘ভয় পাওয়ার কিছু নেই’  » «   হাইকোর্টের রুল বৈবাহিক অবস্থা লিখতে বাধ্য করা কেন অবৈধ নয়  » «   অবশেষে ফাইনালে রংপুর  » «  

বাংলাদেশি তরুণীর নাসা বিজয়



নিউজ ডেস্ক::২০১৭ সালের ‘নাসা গডার্ড’স এফওয়াই সেভেনটিন ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার’ (NASA Goddard’s FY17 IRAD Innovator of the year পুরষ্কার জিতেছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা।

নাসার সাময়িকী ‘কাটিং এজ’ এর লেটেস্ট ইস্যুর প্রচ্ছদ প্রতিবেদনটির প্রতিপাদ্য মাহমুদা এবং তার আবিষ্কার। তিন পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটিতে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। নাসা গডার্ডের চিফ টেকনোলজিস্ট বললেন- ‘স্বল্প সময়ে তার গবেষণা আর আবিষ্কারের ক্ষেত্রে তার দক্ষতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করায় আমরা ভাগ্যবান।’
নাসার আরেক টেকনোলজিস্ট বলেন, ‘মাহমুদার মধ্যে আমি একজন প্রফেশনালকে দেখি যে নাসাতে অনেকদূর যাবে।’
চিফ টেকনোলজিস্ট টেড সোয়ানসন এর ভাষায়, ‘তিনি একজন সত্যিকারের পথপ্রদর্শক। একজন সফল আবিষ্কারক হওয়ার মতো সব গুণ আছে তার মধ্যে।’
পুরষ্কারের ঘোষণায় মাহমুদা সম্পর্কে বলা হয়- “Mahmooda has distinguished herself as a
মূলত মহাকাশে সহজে ব্যবহার করা যাবে এমন ছোট ও যুগান্তকারী প্রযুক্তির যন্ত্র আবিষ্কারের জন্যই এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে এমআইটি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি নেয়ার আগেই এক জব ফেয়ারে তিনি নাসার গডার্ড ডিটেক্টর সিস্টেম ব্রাঞ্চে কাজের প্রস্তাব পান। এর আগেই তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট করেছিলেন। ততদিনে রিসার্চ একাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন বিখ্যাত বেল ল্যাবরটরিতে।
কিশোর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মাহমুদা। তার বড় চাচাও নাসার এমস রিসার্চ সেন্টারে ফিজিসিস্ট হিসেবে কাজ করেন। তাই ছোট বেলা থেকেই নাসার বিভিন্ন গবেষণা, অর্জন নিয়ে তার পড়াশোনা সমবয়সী যে কারো থেকে অনেক বেশী ছিলো। নাসাতে কাজ করার যে স্বপ্ন তিনি দেশে বসে দেখতে শুরু করেছিলেন, ২০১০ সালে তা বাস্তবে পরিণত হয়।
মূলত ন্যানো টেকনোলজি, থ্রিডি প্রিন্টিং, ডিটেক্টর ডেভেলপমেন্ট এসব নিয়েই মাহমুদার গবেষণা। এমআইটি’র সঙ্গে যৌথভাবে কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন আলোক তরঙ্গ ডিটেক্টর নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি। থ্রিডি প্রিন্টার আরো সহজ করার জন্যও তার আবিষ্কার ‘গ্রাউন্ড ব্রেকিং’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মাহমুদার এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে দেশ ও জাতির জন্য গৌরবের। দেশের লাখো স্বপ্নদ্রষ্টা তরুণের সামনে এক উজ্জ্বল উদাহরণ তিনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: