মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

বন্যার পদধ্বনিতে বাড়ানো হচ্ছে খাদ্য মজুদ: প্রধানমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক:: আরেকটা বন্যার পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবেলায় খাদ্য মজুদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশে বর্তমানে খাদ্য মজুদ এক কোটি ৬ লাখ মেট্রিকটন বলেও জানান তিনি।
সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কৃষি পুরস্কার ১৪২১ ও ১৪২২ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মোট ৬৪ জনকে জাতীয় কৃষি পদক দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক বন্যার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ভৌগোলিক কারণেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে বাঁচতে হয়। কাজেই আমাদের যেন খাদ্যে অসুবিধা না হয় সে পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হিসেব করে দেখেছি আমাদের কাছে এক কোটি ৬ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য মজুদ আছে সরকারি- বেসরকারি মিলে। তার পরেও অতিরিক্ত আমদানি করে আমরা আমাদের মজুদ ঠিক রাখছি। যেন আমাদের দেশের মানুষ খাদ্যে কষ্ট না পায়। আমরা খাদ্য আমদানির উপর ট্যাক্স কমিয়েছি।’

আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপকভিত্তিক উদ্যোগ নিয়েছে বলেই বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা। বলেন, ২০০৫- ২০০৬ অর্থবছেরে দুই কোটি ৮০ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য উৎপাদন হতো। এটা আমাদেরই রেখে যাওয়া ছিল। বিএনপি সরকার আর তা থেকে বাড়াতে পারেনি। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে তা দাড়িয়েছে তিন কোটি ৮৮ লাখ মেট্রিকটন। এবারে প্রায় চার কোটির কাছাকাছি। তবে হাওরে অকাল বন্যায় আমাদের কিছু খাদ্য নষ্ট হয়ে গেছে। খাদ্য ঘাটতি যেন না হয় সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

‘আমাদের দেশের মানুষ যাতে খাদ্যে কষ্ট না পায় তার ব্যবস্থা করেছি। কৃষকদের আমরা সার, ভর্তুকি, কৃষি উপকরণ কার্ড করে দিয়েছি। কৃষিতে এখন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ডাল, মশলাসহ ২৪ টি ফসল উৎপাদনে চার শতাংশ সুদে ব্যাংক ঋণ দেওয়া হচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আলু উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়। আমরা এখন স্ট্রবেরি উৎপাদন করছি। … আমরা পাটের সোনালি দিন ফিরিয়ে এনেছি।’

সরকার পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘গবেষকরা নতুন জাত উদ্ভাবন করছেন। আমরা তাদের সহায়তা করছি।’
ভূ গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর তাগাদাও দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে জলাভূমি সংরক্ষণ করার তাগাদা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এর জন্য বিভিন্ন যায়গায় জলাধার সৃষ্টি করছি যাতে সেকানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ থাকে। আরেকটা বিষয় আগুন লাগলেও তো নেভাতে পানি লাগবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি সরকার বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছিল। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আমরা হাল ধরেছি। আজ বাংলাদেশ ‍উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আামাদের লক্ষ্য। আমরা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলব।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: