শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে দুই পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ডিজিটাল পাঠ্যবই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্য সহায়ক হবে: শিক্ষামন্ত্রী  » «   কাল পবিত্র আশুরা, তাজিয়া মিছিলে ছুরি-তলোয়ার নিষিদ্ধ  » «   জেল থেকে বাসায় ফিরলেন নওয়াজ-মরিয়ম  » «   রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৫ কোটি ডলার সহায়তা  » «   রান্নাঘরের গ্রিল কেটে শাবির ছাত্রী হলে চুরি,নিরাপত্তাহীনতায় ছাত্রীরা  » «   এখনও জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ : যুক্তরাষ্ট্র  » «   মোদিকে ইমরানের চিঠি: পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরুর তাগিদ  » «   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতেই বিচার চলবে: আদালত  » «   ফুটপাতের খাবার বিক্রেতা থেকে সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতি!  » «   বিএনপি নেতাদের ওপর ক্ষুব্ধ তারেক রহমান!  » «   পায়রা বন্দরের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ আয়োজন  » «   সরকারের চাপের মুখে দেশত্যাগ করতে হয়েছে: এসকে সিনহা  » «   পুতিন আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে : রাশিয়ান মডেল  » «   বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «  

‘বন্ধু দিবস’ উৎপত্তির ইতিহাস



friendship2নিউজ ডেস্ক :: প্রতি বছর আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার সারা বিশ্বে একযোগে বন্ধু দিবস পালন করা হয়। তবে কীভাবে এই দিন বন্ধু দিবস পালনের জন্য স্বীকৃত তা অনেকের অজানা। কবে, কীভাবে এই বন্ধু দিবসের উৎপত্তি, সে বিষয়ে আজ আমরা জানব।
বন্ধু দিবস পালনের ঐতিহ্য প্রথম শুরু হয় ১৯৩৫ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস বন্ধুদের সম্মানিত করার জন্য এই দিন পালন করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর প্রায় সকল দেশের মাঝে এক প্রকার শত্রুতা, হিংসা ও যুদ্ধ করার মনোভাব সৃষ্টি হয়েছিল। তখন একে-অপরের মাঝে বন্ধুত্ব তৈরি করার জন্য বন্ধু দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এসব বিষয় চিন্তা করে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ১৯৩৫ সালের আগস্ট মাসের প্রথম রবিবার বন্ধু দিবস হিসেবে গৃহীত করেন এবং সেদিন সরকারী ছুটির দিন ঘোষণা করেন। তখন থেকেই বন্ধু দিবস পালন করা শুরু হয়। যতদিন যাচ্ছে, এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছেই।
যুক্তরাষ্ট্রে আস্তে আস্তে বন্ধু দিবস জনপ্রিয়তা পাবার পর, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ এই দিনটি উৎযাপন করা শুরু করে। অনেক রাষ্ট্র যখন এই দিন পালন করা শুরু করল, তখন বন্ধু দিবসের দিন আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেল।
বর্তমানে প্রায় সারাবিশ্ব বন্ধু দিবস পালন করে। এই দিন বিভিন্নভাবে উৎযাপন করা হয়। এই দিনে বন্ধুরা একে-অপরকে বিভিন্ন ধরণের কার্ড, চকলেট, ফুল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দিয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম করা হয়। বিভিন্ন স্থানে কন্সার্ট এর ব্যবস্থা করা হয়।
১৯৯৭ সালে বন্ধু দিবসের অ্যাম্বেসেডর হিসেবে বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র ‘পু’-কে বিশ্ববাসীর সামনে উন্মুক্ত করা হয়।
শুধু আগস্টের প্রথম রবিবার নয়, সারা বছর জুড়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরণের বন্ধু দিবস রয়েছে। যেমন- আগস্টের তৃতীয় রবিবার “নারী বন্ধু দিবস”, মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে “বাল্য বন্ধু দিবস” ও “নতুন বন্ধু সপ্তাহ” রয়েছে। এছাড়া সম্পূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাস আন্তর্জাতিক বন্ধু মাস হিসেবে বিভিন্ন দেশে পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দেশে বন্ধু দিবস পালন করা হলেও, কিছু কিছু দেশে এই দিনটি অনেক বৃহৎ আকারে পালন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধু দিবসের আগে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে কার্ডের দোকানে বেশ ক্রেতা দেখা যায়। কার্ড, চকলেট ও কেকের জন্য সেসকল স্থানে ঈদের আমেজ সৃষ্টি হয়।
বন্ধু দিবসে গোলাপ ফুল দিতে দেখা যায়। তবে তা লাল গোলাপ নয়। বন্ধুত্বের চিহ্ন বহন করে হলুদ ও গোলাপি রংয়ের গোলাপ। তাই, এই দিনে সকলের এই ফুল বেশি পছন্দের। এছাড়াও এইদিনে ফ্রেন্ডশিপ বেন্ড উপহার হিসেবে দেয়া হয়।

সূত্র : দ্যা হলিডে স্পট।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: