বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহারে থাকুন সাবধান



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক::রেস্তোরাঁ থেকে বিমানবন্দর, ক্যাফে থেকে বড় রেলওয়ে স্টেশন, ডিজিটাল যুগে এখন যত্রতত্র ফ্রি ওয়াইফাইয়ের ছড়াছড়ি। কুটো পয়সা লাগে না, গাঁটের কড়ি ফেলা স্মার্ট ফোনের ডেটা বেঁচে যায় অনায়াসে। তাই ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহারে আমজনতা মুগ্ধ হবে এ আর নতুন কথা কী! সুযোগ পেলেই বিনামূল্যে পাওয়া ইন্টারনেটটুকু পকেটস্থ থুড়ি ফোনস্থ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন অনেকেই। শুধু হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকই নয়, অ্যাপস আপডেট থেকে শুরু করে সফটওয়্যার আপডেটও করে নেন অনেকেই। কিন্তু আপনি জানেন না এই বিনামূল্যের ওয়াইফাই কতটা ক্ষতি করতে পারে আপনার।

হয়তো বিমানবন্দরে ফ্লাইট ধরার অপেক্ষায় বোর হতে হতে আপনার মনে হল একটা শপিং অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্রাউজিং করবেন। সেই মতো অ্যাপসটি ডাউনলোডও করলেন। জানতেও পারলেন না কি মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেল। অনেক সময় এই ডাউনলোডের সঙ্গে সঙ্গে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড হয়ে যেতে পারে আপনার ফোনে। এর মাধ্যমে আপনার ফোনের সেভ করা যাবতীয় ব্যক্তিগত পৌঁছে যেতে পারে হ্যাকারদের হাতে।

বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থাও গ্রাহক টানতে এখন এর দ্বারস্থ হয়েছে। যার ফলে, এই সব স্থানে গেলে কোন পাসওয়ার্ড ছাড়াই বিনামূল্যে ‘ওয়াইফাই’ কানেক্ট করা যায়। কিন্তু, এইসব ‘ফ্রি ওয়াইফাই’ কানেকশনে কোন পাসওয়ার্ড তো থাকেই না, এমনকি এর রাউটারও অত্যন্ত নিম্নমানের হয়। ফলে, ‘ফ্রি ওয়াইফাই’-এ কানেক্ট হওয়া স্মার্টফোন খুব সহজেই হ্যাক করা যায়। এমনকি ‘ফ্রি ওয়াইফাই’ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকের তথ্যাদি কাউকে পাঠাচ্ছেন, তাও খুব সহজেই একজন হ্যাকার দেখে ফেলতে পারে।

‘ওয়াইফাই’ নেটওয়ার্কের জন্য একটি ‘হটস্পট’ মেশিন লাগে। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় এই ‘হটস্পট’ মেশিনের ভাইরাস প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে না। ফলে, এই ‘হটস্পট’-এর সঙ্গে সংযোগ থাকা মোবাইল বা ল্যাপটপেও সেই ভাইরাস ঢুকে যায়। এরমধ্যে এমন কিছু ভাইরাস থাকে যাদের কাজ হল ডিভাইসের ভিতর থেকে যাবতীয় তথ্য বের করে হ্যাকারকে পাঠিয়ে দেওয়া। অনেক সময় পাবলিক ‘ওয়াইফাই’ জোনে নানা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো থাকে।

যাতে এই ‘ওয়াইফাই’ জোনে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপগুলোকে সাবধানে ব্যবহার করার জন্য সতর্ক করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই মানুষ এইসব সাইনবোর্ডকে পাত্তা দেয়না।

‘ফ্রি ওয়াইফাই’ জোনে একজনের স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর ‘ডেটা কমিউনিকেশন’ পড়ে ফেলতে পারে অন্য কেউ। এছাড়াও, কোনভাবে হ্যাকাররা যদি মোবাইলে থাকা ব্যাংকিং ডিটেলস, যেমন অ্যাকাউন্ট নাম্বার, ডেবিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর পেয়ে যায়, তাহলে নিঃস্ব হতে পারে ব্যবহারকারী।

তাই, সুরক্ষিত ‘ওয়াই-ফাই জোন’ ছাড়া কোথাও মোবাইল বা ল্যাপটপ কানেক্ট না করতেই পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: