সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইতালির নাগরিকত্ব হারাতে পারেন ৩ হাজার বাংলাদেশি  » «   নবীগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই ৫টি ঘর, ১২ লাখ টাকার ক্ষতি  » «   ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি-সম্পাদকের প্রতিশ্রুতি  » «   শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, আহত ৩০  » «   চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  » «   মাসিক বেতনে চালক নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের  » «   কাশ্মিরের মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ মিছিল  » «   হাজিদের দেশে ফেরার শেষ ফ্লাইট আজ  » «   আফগান সীমান্তে ৪ পাকিস্তানি সেনা নিহত  » «   ঈদের খরচ হিসেবে ‘ন্যায্য পাওনা’ চেয়েছিলাম: রাব্বানী  » «   পুলিশ সুপারদের কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  » «   ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয়-লেখক  » «   হিন্দি চাপিয়ে দিলে ভাষা যুদ্ধের হুমকি, রাজ্যে রাজ্যে প্রতিবাদ  » «   শিক্ষামন্ত্রীর কড়া চিঠি  » «   পরিবহন ধর্মঘটে বিপর্যস্ত প্যারিস; ৩৮০ কিমি ট্র্যাফিক জ্যাম!  » «  

ফেসবুকে ফাঁদে ফেলে ‘১৩ প্রেমিকা’কে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ !



Banladesh-Protidin-2016-08-31-11-300x200নিউজ ডেস্ক::বরিশালের আবাসিক হোটেলে প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর তার গহনা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে পুলিশ ‘সিরিয়াল প্রেমিক’ সায়েম আলম মিমু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে।
সোমবার ঢাকার মগবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মাকসুদুর রহমান মুরাদ। মিমু ঢাকার ওয়ারীর যোগীনগর এলাকার ভাড়াটিয়া নিরাপত্তাকর্মী সেলিম আলমের ছেলে। ১০ আগস্ট গহনা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর হোটেলকক্ষে আত্মহত্যা করেন নগরীর সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের ছাত্রী নাইমা ইব্রাহীম ঈশী। তিনি নগরীর গোরস্থান রোডের গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিলের মেয়ে।

গতকাল দুপুর ১২টায় নগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বরিশালের পুলিশ কমিশনার এস এম রুহুল আমিন ঘটনার বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে ঈশীর সঙ্গে সায়েম আলম মিমুর পরিচয় হয়। পরে মুঠোফোনে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

৯ আগস্ট ঈশীর সঙ্গে দেখা করতে বরিশাল নগরীতে এসে ফেয়ার স্টার নামের হোটেলে ওঠেন মিমু। ওই দিন ঈশীকে নিয়ে তিনি দুর্গাসাগর বেড়াতে যান। পরদিন ঈশী ফেয়ার স্টার হোটেলে গেলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন মিমু। একপর্যায়ে কৌশলে ঈশীর দামি মুঠোফোন, গহনা ও নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বাইরে থেকে কক্ষে তালা দিয়ে সটকে পড়েন প্রতারক মিমু। প্রতারিত হয়েছেন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে লোকলজ্জায় ঈশী কক্ষের ভিতর থেকে দরজার ছিটকিনি আটকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের।

পুলিশ জানায়, মিমু প্রেমিকাকে নিয়ে ওই কক্ষে থাকার জন্য হোটেল ব্যবস্থাপককে অতিরিক্ত টাকা দিয়েছেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মিমু স্বীকার করেন, এভাবে আরও ১২টি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়েন তিনি।
এরপর তাদের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রেমিকার মুঠোফোন, গহনা ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে পালিয়ে গিয়ে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে ফেলেন। কিন্তু ঈশীর মুঠোফোন বিক্রি করলেও তার ব্যবহৃত সিমকার্ড ব্যবহার করতে থাকেন মিমু।
এর সূত্র ধরেই মুঠোফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই মাকসুদুর রহমান মুরাদ।
তিনি আরও জানান, প্রতারক মিমুর সঙ্গে জান্নাত, রিয়া, রিমা, সুবর্ণা, তমা, সুরাইয়া, সুমাইয়াসহ এক ডজন মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিমুর কাছ থেকে ওইসব মেয়ের মুঠোফোন নম্বর নিয়ে তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তারা সবাই প্রতারিত হয়েছেন জানিয়ে প্রতারক মিমুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ঈশীর আত্মহত্যার ঘটনায় ১০ আগস্ট হোটেল মালিক আবদুর রব বিশ্বাস ও ব্যবস্থাপক মজিবুর রহমান আকনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: