শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে দুই পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ডিজিটাল পাঠ্যবই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্য সহায়ক হবে: শিক্ষামন্ত্রী  » «   কাল পবিত্র আশুরা, তাজিয়া মিছিলে ছুরি-তলোয়ার নিষিদ্ধ  » «   জেল থেকে বাসায় ফিরলেন নওয়াজ-মরিয়ম  » «   রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৫ কোটি ডলার সহায়তা  » «   রান্নাঘরের গ্রিল কেটে শাবির ছাত্রী হলে চুরি,নিরাপত্তাহীনতায় ছাত্রীরা  » «   এখনও জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ : যুক্তরাষ্ট্র  » «   মোদিকে ইমরানের চিঠি: পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরুর তাগিদ  » «   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতেই বিচার চলবে: আদালত  » «   ফুটপাতের খাবার বিক্রেতা থেকে সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতি!  » «   বিএনপি নেতাদের ওপর ক্ষুব্ধ তারেক রহমান!  » «   পায়রা বন্দরের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ আয়োজন  » «   সরকারের চাপের মুখে দেশত্যাগ করতে হয়েছে: এসকে সিনহা  » «   পুতিন আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে : রাশিয়ান মডেল  » «   বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «  

ফেসবুকের অপব্যবহার বেড়েই চলেছে



মাসুদ রানা , পত্নীতলা ,নওগাঁ : ফেইসবুক অথবা ফেসবুক (ফেবু হিসাবে সংক্ষিপ্ত) বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে নিখরচায় সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো ফেসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়র্কেও যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানাশোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে।

মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়াডর্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সারা বিশ্বে বর্তমানে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন ৩০০ মিলিয়নের বেশী কার্যকরী সদস্য।
ফেসবুক একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কোটি কোটি মানুষের জীবনযাপনের অপরিহার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে এটি।
ফেসবুক ব্যবহারে যেমন কল্যান হচ্ছে তেমনি অকল্যানও কম হচ্ছে না ,গত এস এস সি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ভাইরাল হয়ে পরেছিল ,কিছু অসাধু ব্যাক্তি ফেসবুক ম্যাসেন্জারের মাধ্যমে ভূয়া প্রশ্নপত্র আদান প্রদান করে অসহায় ছাত্র ছাত্রীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার খবর সবারই জানা আছে , সরকারের বিষেশ র্নিদেশনা ও র‌্যাব বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় সম্প্রতি ্্্্্্ এইচ এস সি পরীক্ষায় বিষয়টি তেমন লক্ষনীয় হয়নি, জাতিকে মেধাশুন্য কারার একটি প্রক্রিয়া ,সেটাও হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে ।
ফেসবুকে মানুষ এতটাই আসক্ত হচেছ যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেটা মাদকাসক্তকে ও হার মানায় ,একজন ছাত্র বা ছাত্রী সারা রাত ফেসবুক ব্যবহার করে সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি ফলে পরের দিন টিউশন ,ক্লাশ কোনটাতেই মনোযোগী হতে পারে না চিকিৎসা শাস্ত্র মতে একজন মানুষকে সু¯থ থাকতে হলে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন ,একই ভাবে একজন চাকুরিজীবি সকালে অফিসে গেলে কাজর্কমে অমনোযোগী হয়ে পরে আবার কাজরে ফাকে ফাকে ফেসবুক টাইমলাইন চেক করে যে তার পোষ্টে বা ছবিতে কয়টা লাইক কমেন্ট বা শেয়ার হলো এতে করে অফিসের যেমন কাজে ফাকি হচ্ছে অপর দিকে গ্রাহক সেবা বঞ্চিত হচ্ছে । সম্প্রতি জাফর স্যারকে ছুরিকাঘাতের ঘঁনা টি তো সবারই জানা কিছু কিছু সংবাদ মধ্যমে আসছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ মোবাইল ফোনে ফেসবুক দেখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন ।
কিছু অসাধু ব্যক্তি ফেসবুকে ফেইক আইডি খুলে সেখানে খারাপ ছবি ,ভিডিও পোষ্ট করে আর টিন এইজের ছেলে মেয়েরা ঝুকছে সে দিকে তাছাড়া ফেসবুক টাইমলাইনে অনায়াসে কিছু ইউটিউব খারাপ লিংক চলে আসে ,বর্তমান সময়ে কিছু অনলাইন নিউজ র্পোটাল তাদের সাইটের বা পেজের লাইকার বা ভিউয়ার ,ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য পরকিয়া ,ধর্ষন ,প্রেম ভালোবাসা বিষয়ে যৌন্যউত্তেজক নগ্ন ,অর্ধ নগ্ন ছাবি দিয়ে নিউজ প্রকাশ করছে ,যা কমলমতি ছেলে মেয়েরা অনায়াসে দেখে ফেলছে , তাই ফেসবুকের মন্দ দিক গুলি বন্ধ সহ এর সঠিক প্রতিকার করার এখনি মোক্ষম সময় নয়তো ধর্ষন,সন্ত্রাস জঙ্গীবাদ বেড়েই যাবে এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল ।
ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষ সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার আগেই জেনে যাচ্ছে অনেক খবরাখবর। বিপন্ন মানবতার পাশে সহায়তার হাত বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ফেসবুক প্রশংসনীয় অবদান রাখছে। তবে স্বীকার করতেই হবে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নানা অকল্যাণও ডেকে আনছে। বিশেষত ধর্মান্ধ উগ্রবাদী শক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে তাদের অপর্কমের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ায় বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে উঠছে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানার অভিযোগে একদল কা-জ্ঞানহীন মানুষ জ্বালাও-পোড়াও উন্মত্ততায় মেতে উঠলেও বিষয়টি যে শতভাগই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র তা মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে

সারা বিশ্বে গণপরিসরে যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ফেসবুক। কিন্তু এটা কেমন যোগাযোগ বুঝতে পারি না যখন দেখি এর কারণে মানুষের মধ্যে প্রতিহিংসা বৃদ্ধি পেয়েছে। একে অন্যের প্রতি পক্ষপাত নিয়ে প্রতিহিংসাবশত বিভিন্ন ফটো ও স্ট্যাটাসের মাধ্যমে কাদা ছোড়াছুড়ি ফেসবুকের নিত্য বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। এমনকি এখন ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে মানুষও খুন করা হচ্ছে।
যে হারে এসব সমস্যা বাড়ছে, তাতে না জানি আগামী দিনগুলোতে প্রতিহিংসার তাপমাত্রা আরও কত গুণ বাড়বে। আমরা প্রতিহিংসার অন্ধকারে হারাতে চাই না। বর্তমানে ভালোভাবে ফেসবুক ব্যবহারের আশাও যেন দুরাশায় পরিণত হয়েছে। আমাদের মনে রাখা উচিত, নিজের পরিবার হলো প্রথম সমাজ। ব্যবহারকারীর সংখ্যার বিবেচনায় ফেসবুকও একটি সমাজ। সমাজে চলতে যে নিয়মগুলো মেনে চলতে হয়, ফেসবুকেও সেগুলো মানতে হয়। হিংসা–বিদ্বেষ যেমন সমাজের জন্য শুভ নয়, তেমনি ফেসবুকের জন্যও। প্রযুক্তি যেমন মানুষের কল্যাণ করতে পারে, তেমনি অকল্যাণও। এখন সিদ্ধান্ত আমাদের, আমরা কোনটা করব।

পতœীতলার নজিপুর পৌর শহরের পুইয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের আই সি টি শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সাথে কথা হলে তিনি জানান প্রত্যেকটা বিষয় ,বা বস্তু এমনকি মানুষের ও ভাল খারাপ দুটি দিক থাকে তাই আমরা আমাদের ছাত্র ছাত্রীদের ভালোর দিকে ,ভাল শিখাতে উৎসাহিত করবো ,এ ক্ষেত্রে পরিবার গুলো কে সচেতন হতে হবে । ভয় দেখিয়ে নয় বরং ভালবাসা দিয়ে তাদের সাথে মিশতে হবে ছেলে মেয়েরা কার সাথে মিশছে সারাদিন কি করছে ।

তিনি আরও বলেন প্রতিটা সৃষ্টির ক্ষেত্রেই ¯্রষ্টার মহৎ উদ্দেশ্য থাকে কিন্তু পরর্বতীতে সেটার খারাপ দিক বের হয় , বিজ্ঞানী নিউট্রন যদি জানত যে তার সূত্র কাজে লাগিয়ে ধংশের জন্য বোমা আবিষ্কার হবে তাহলে কি সেই সূত্র আবিষ্কার করতো , না করতো না ,জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তথ্য সচিব সজিব ওয়াজেদ জয়ের অসামান্য অবদানে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল হয়েছে । একজন গ্রমের কৃষক ঢাকা কি হচ্ছে সেটা মূহুর্তেও মধ্যে জানতে পারছে ,তাই আমরা খারপটা বর্জন করি ভাল টা গ্রহন করি ।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: