বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুমনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম  » «   দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছিলেন দুদকের বাছির  » «   কে হচ্ছেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী, জনসন না হান্ট?  » «   মিলানে ফেনী সমিতির জাকজমকপূর্ণ পুনর্মিলনী ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   সিলেট বিভাগে ফিটনেসবিহীন গাড়ির সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার  » «   ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল  » «   কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতায় আগ্রহী ট্রাম্প, ভারতের না  » «   ‘কল্লা কাটা’ গুজব রটানো সুনামগঞ্জের কথিত কবি আজাদ গ্রেফতার  » «   সৎ পথে থাকলে আল্লাহ সহায় হবেন: ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিএম কাদের জাপার চেয়ারম্যান নন: রওশন  » «   মক্কা-মদিনায় হাজিদের ‘হজ অ্যাপ’ সুবিধা দিচ্ছে ভারত!  » «   হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে ভক্ত-আশেকানদের ঢল  » «   পশ্চিমবঙ্গেও ছেলেধরা গুজব, একজনকে পিটিয়ে হত্যা  » «   হবিগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি  » «   গণপিটুনিতে রেনু নিহতের ঘটনায় আটক ৩ জন রিমান্ডে  » «  

ফের পাতানো নির্বাচনের পথে হাঁটছে ইসি: রিজভী



নিউজ ডেস্ক:: নির্বাচন কমিশন আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী। বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এ মন্তব্য করেন।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের দ্বারা সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয় মন্তব্য করে রহুল কবির রিজভী বলেন, আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পথে হাঁটছে কমিশন। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ার জন্য প্রধান দায়ী নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পুরো দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর উপর অর্পণ করেছে হুদা কমিশন। প্রায় সাড়ে ৬ লাখ নির্বাচনী কর্মকর্তার অধিকাংশই আওয়ামী লীগের, দলীয় লোকদের বাছাই করে তালিকা প্রস্তুত করছে পুলিশ।

ইতোমধ্যে সারাদেশে ৪১ হাজার প্রিজাইডিং অফিসারের তালিকা প্রস্তুত করেছে পুলিশ। এখন দুই লাখ সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও চার লাখ পোলিং অফিসারের তালিকা প্রস্তুত করার দায়িত্বও পুলিশই পালন করছে।

রিজভী আরো বলেন, পুলিশ যে তালিকা প্রস্তুত করছে বা করেছে তার যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে আমাদের কাছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও অনলাইনে পুলিশ কর্তৃক নির্বাচনী কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করার খবর বড় করে প্রকাশিত হলে নখ-দন্তহীন কমিশন রহস্যজনকভাবে নীরবতা পালন করছে। ক্ষেত্র বিশেষে অস্বীকারও করছে। দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে, জনগণের ভোটারাধিকার আবার হরণ করার জন্য নতুন চক্রান্তে মেতেছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুলনায় সম্ভাব্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের তালিকা করেছে হরিণটানা থানা পুলিশ। তালিকা প্রস্তুত করার আগে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সরকারবিরোধী কেউ থাকলে পুলিশের তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়া হয়েছে।

সেই তালিকায় দেখা গেছে, চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৪ জন শিক্ষকের নাম। এদের ভেতরে ৬৩ জন বা ৮৫ শতাংশই আওয়ামী লীগ সমর্থক। একইভাবে সারাদেশে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পুলিশের প্রস্তুত করা তালিকা পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে সরবরাহ করা হবে।

রিজভী বলেন, গত ১৪ নভেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও হেলমেটধারি এজেন্টদের দিয়ে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ও মিছিলের ওপর পুলিশের গাড়ি তুলে দেয়ার পর ইলিয়ড বা অডিসি’র মতো কাল্পনিক মহাকাব্য রচনা করেছে পুলিশ।

হেলমেট পড়া হামলাকারীদের এখন বিএনপি’র নেতাকর্মী বলে চালানো হচ্ছে। হেলমেটধারীদের আমরা দেখেছি নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচিতে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ চালাতে। কিন্তু এখনও সেই হেলমেটধারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: