রবিবার, ১৭ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

ফুলবাড়ীতে ২শ ভূমিহীন পরিবার ১০ টাকা কেজির চাল থেকে বঞ্চিত



kurigram-rice-corruption20161009215704কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় হত দরিদ্রদের জন্য দেওয়া ফেয়ার প্রাইজের কার্ড নিয়ে চলছে ভেলকিবাজি। স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ, স্বচ্ছল পরিবারসহ একাধিক ব্যক্তির নামেও কার্ড দেবার অভিযোগ উঠেছে।

অথচ ফুলবাড়ির নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গোরকমণ্ডল, বস্তি গোরকমণ্ডল এবং সদর ইউনিয়নে ফুলসাগর গুচ্ছ গ্রামের প্রায় ১৯৫ জন ভূমিহীন পরিবার এই কার্ড পায়নি।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ফুলবাড়ীর ৬টি ইউনিয়নে ১২ জন ডিলারের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ৯ হাজার ২৯৮ জন কার্ডধারীকে নির্বাচন করা হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১০ টাকা মূল্যের ৩০ কেজি করে চাল বিতরণের উদ্বোধন করা হয়।

কার্ড না পাওয়া প্রসঙ্গে গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা আজিজার হক (৬৫), কবিরা বেগম (৬০), জ্যোসনা রানী (৬০) দ্বিনেশ চন্দ্র (৬৪), নাছিমা (৪৫) জানান, মেম্বার ও চেয়ারম্যানদের পছন্দের লোকজনদেরকে এই কার্ড দেয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে অনেকেই স্বচ্ছল পরিবারের সদস্য। দিন এনে দিন খাওয়া পরিবারগুলোই এই কার্ড পাচ্ছিনা। শুধু স্বল্প মূল্যের চালের কার্ড না এখানকার অনেকেই বয়স্ক ভাতা, বিধবাভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

ফুলবাড়ী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মইনুল হক বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, কিছু দলীয় নেতাকর্মীসহ ফেয়ার প্রাইজের ডিলার জড়িত। তারা ফ্লুইট কালি দিয়ে নাম মিশিয়ে নিজেদের পছন্দ ব্যক্তির নামের তালিকা করেছে।

এ ব্যাপারে নাওডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুছা জানান, ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড ৭-৮ বছর আগে করা। তৎকালিন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেতারা ওই তালিকা করেছে। এখানে আমার কিছুই করার নেই। এ তালিকা আমাদের আমলে হয়নি। আমরা শুধু কার্ডগুলো নাম অনুযায়ী তাদের বাড়িতে পাঠিয়েছি।

ফেয়ার প্রাইজ কার্ডে দলীয়করণের বিষয়ে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী বলেন, চালের কার্ডের তালিকা কোনো নেতাকর্মী করেনি। সব তালিকা বিগত দিনের চেয়ারম্যান মেম্বাররাই করেছে। সে হিসেবে বর্তমান চেয়ারম্যান মেম্বাররা যাচাই-বাছাই না করে কার্ডগুলো বিতরণ করেছে।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও জানান, গুচ্ছ গ্রামসহ যে সমস্ত হত দরিদ্র এই কার্ড পায়নি, তাদের নতুন করে তালিকা করে কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হবে।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: