বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

ফিলিস্তিন যুদ্ধ গিয়ে ২৮ বছর পর ফিরছেন বাংলাদেশি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ফিলিস্তিনিদের জন্য যুদ্ধ গিয়ে ২৮ বছর পর লেবানন থেকে দেশে ফিরছেন এক বাংলাদেশি। নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে আশির দশকে দেশ ছাড়েন তিনি। বৈরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের পর আবু সামা নামের ওই বাংলাদেশিকে তার জেলা মৌলভীবাজারে ফিরতে ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়েছেন তারা।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাকে একটি বিমান টিকেটও দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, টিকেট নিতে আজকে উনি এসেছিলেন। রোববার বিকালে দেশের উদ্দেশে লেবানন ছাড়বেন তিনি। সোমবার সকাল ১০টায় ঢাকা পৌঁছাবেন।

রাষ্ট্রদূত গত মাসে বিশেষ ব্যবস্থায় বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার সুযোগ দেয়ার উদ্যোগ নিলে দূতাবাসে যোগাযোগ করেন সামা। আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় এই সুযোগ পাবেন সেখানকার অবৈধ বাংলাদেশিরা।

আব্দুল মোতালেব জানান, ফিলিস্তিন যুদ্ধের জন্য আশির দশকে প্রথম দেশ ছাড়েন আবু সামা। ছয় বা সাত বছর পর দেশে ফেরেন তিনি। এরপর আবার এসে আর কখনও দেশে যাননি।

এক ফেইসবুক পোস্টে রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, তিনি ওই ব্যক্তির অনুভূতি বুঝতে চেয়েছিলেন। ‍‌‘তিনি শুধু আমার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলেন। কিছু বলতে পারছিলেন না। আবু সামার আট সন্তান, তাদের পাঁচজন মেয়ে।’

এখন তাদের কাউকে কাউকে চেনেন তিনি। তার সব সন্তানই বিবাহিত। জীবিকার সন্ধানে দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন তারা।

দুই বছর পর সত্তর বছরে পা দেবেন এই ফিলিস্তিনিদের হয়ে লড়াই করা বাংলাদেশি। আব্দুল মোতালেব সরকার বলেন, তার বাকি জীবন পরিবার পরিজনদের সঙ্গে সুখে ও শান্তিতে কাটুক- এ কামনা করছি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: