সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হব –জয়নুল জাকেরীন  » «   ৫৫ বছরের শিক্ষিকার পিছু ধাওয়া করায় ৬২ বছরের বৃদ্ধের কারাদণ্ড!  » «   রোহিঙ্গা ইস্যু ‘জাতির জন্য বড় চ্যা‌লেঞ্জ’  » «   স্পর্শিয়া-রাফসানের সংসারে বিচ্ছেদ  » «   বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণশুনানি সোমবার  » «   জেহাদুলের মুখে মা বাবা ভাই হারানোর লোমহর্ষক বর্ণনা  » «   আবারও মের্কেলের জয়  » «   রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের ১ মাস  » «   শ্রীমঙ্গলে রোহিঙ্গা শিশু উদ্ধার  » «   যুক্তরাষ্ট্র থেকে জরুরি ফাইলে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর  » «   প্রধান শিক্ষকের বদলি ঠেকাতে কানাইঘাটে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন  » «   মেডিকেল ছাত্রীর সতীত্ব বিক্রির বিজ্ঞাপন!  » «   ঢামেক হাসপাতাল‘মর্গের ভিতরে যেতে পারি না’  » «   বোরকা পরেও নিজেকে লুকাতে পারলেন না এই অভিনেত্রী  » «   ‘যুক্তরাষ্ট্র শয়তানের হেডকোয়ার্টার’  » «  

ফাইবার অপটিকের আওতায় আসছে ২৬শ ইউনিয়ন



ফাইবার অপটিকের আওতায় আসছে ২৬শ ইউনিয়ন

ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দেশে নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। অপটিক্যাল ফাইবার কেবল লাইনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের কাজ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। এখন এ লাইনের মাধ্যমে উপজেলা থেকে উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি গ্রাম পর্যন্ত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ প্রতিটি গ্রামে একটি করে ইনফরমেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। সেই লক্ষ্যে ‘ইনফো সরকার-৩’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়; যা গত ২২ ডিসেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২ হাজার ৬শ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল সংযোগের আওতায় আনা হবে। ফলে গ্রামের মানুষ খুব সহজেই তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে যুক্ত হতে পারবে।

জানা গেছে, ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পে থাকছে- দুই লাখ প্রান্তিক পর্যায়ের দফতর-প্রতিষ্ঠানে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ প্রদান, ১৫ হাজার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব, ডিসি ও ইউএনও অফিসে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, ইমার্জেন্সি সার্ভিস সেন্টার ৯৯৯ স্থাপন, গ্রাম পযায়ে ই-কমার্স চালু, ১০ হাজার গ্রোথ সেন্টারে পয়েন্ট অব প্রেজেন্স স্থাপন, রেগুলেটরি ল্যাব, সাইবার সিকিউরিটি ল্যাব এবং ভিএলএস ল্যাব স্থাপন।

তাদের মতে, প্রতিটি ডিজিটাল সেন্টারে একটি করে পয়েন্ট অব প্রেজেন্স প্রতিষ্ঠা করা হলে গ্রামের মানুষ নিজ বাড়িতে বসেই ব্যবসা-বাণিজ্য, নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে গ্রামীণ জনপদে দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ডিজিটাল বৈষম্য রোধ সম্ভব হবে। প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। পাশাপাশি চীনের আর্থিক সহযোগিতায় স্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেক্টিভিটি নামে নতুন একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এছাড়াও বর্তমান সরকারের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিগত ৩ বছরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের কার্যক্রম এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন।

উল্লেখিত প্রকল্পের মাধ্যমে ২ হাজার ৬শ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল সংযোগের আওতায় আনা হবে। এতে করে গ্রামের মানুষ খুব সহজে তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে যুক্ত হতে পারবে।

মফস্বল বা গ্রাম পর্যায় থেকেই দীর্ঘদিন ধরে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছেন সুমন আহমেদ। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক্যাল কেবল সংযোগের আওতায় আনা হচ্ছে এই খবর আমাদের জন্য খুবই আনন্দদায়ক। কারণ, অনেক দিন ধরেই আমরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছি মোবাইলের ইন্টারনেট দিয়ে। যা অনেকটাই ব্যায়বহুল। এ প্রকল্প চালু হলে আমরা সহজেই কম খরচে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবো।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: