মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আবরার নামে দুই মাসের মধ্যে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ: মেয়র আতিকুল  » «   সিলেটে যারা হলেন ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান  » «   সালাম দিয়ে পার্লামেন্টে বক্তব্য শুরু করলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী  » «   ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের শোকসভায় তোপের মুখে চেলসি ক্লিনটন  » «   রাজধানীতে বাসচাপায় বিইউপির ছাত্র নিহত, সড়ক অবরোধ  » «   সুনামগঞ্জে আ. লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক ৩  » «   বিয়ানীবাজারে পল্লবের অর্ধেক ভোটও পাননি নৌকার আতাউর  » «   উপজেলা নির্বাচন: গোলাপগঞ্জে কে পেলেন কত ভোট  » «   একতরফা নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত: মাহবুব তালুকদার  » «   উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা  » «   পুলিশ কেন জনগণের বন্ধু নয়?  » «   ভোটার শূন্য ভোটকেন্দ্রে, দোল খাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মীরা  » «   অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলার শুনানি পিছিয়েছে  » «   বাংলা ভাষার বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চাঁদপুরের ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত  » «  

প্রেসক্লাবে অবস্থান নিয়েছে কয়েক হাজার শিক্ষক



নিউজ ডেস্ক:: স্থায়ীকরণ ও বকেয়া বেতনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সেকায়েপ প্রকল্পের অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা।সোমবার সকাল ১০টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন হোসেনসহ কয়েক হাজার শিক্ষক এই মানববন্ধনে উপস্থিত রয়েছেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে জানানো হয়, বিশ্ব ব্যাংক এবং সরকারের যৌথ অর্থায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (সেকায়েপ) কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত প্রতিটি শিক্ষক ২০১৫ সাল থেকে প্রায় ২০টি করে ক্লাস নিয়ে যাচ্ছেন।সারাদেশের ২১০০ প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার ২০০ জন অতিরিক্ত শিক্ষক আছেন।আর এসব নিয়োগপ্রাপ্ত সবার ফলাফল প্রথম শ্রেণির।

এমনকি শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে অভিভাবকদের সমন্বয় সভা, অতিরিক্ত ক্লাসের মাধ্যমে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করা, বাল্যবিবাহ ও শিশু নির্যাতন বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের ইতিবাচক কার্যক্রম সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করছে এই শিক্ষকরা।

মানববন্ধন থেকে আরো জানানো হয়, গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও সেকায়েপ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে। যাতে নতুন প্রকল্পে স্থায়ীকরণ করা যায়। তাছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ শেষে এসব শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণ করার কথাও বলা হয়। যা এসিটি ম্যানুয়ালের ৩৬ নং ধারায় উল্লেখ আছে। আর এখন ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীকরণ করা হয়নি। একইসঙ্গে গত ৯ মাস ধরে আমরা কোনো বেতনও পাচ্ছি না।

এসিটি অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি কৌশিক চন্দ্র বর্মণ বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণের যৌক্তিক ঘোষণা না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে, শিক্ষকদের কথা ভেবে সরকার একটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: