শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা  » «   সীমান্তের খালে মিয়ানমারের সেতু, বন্যার আশঙ্কা বাংলাদেশে  » «   দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাবে বাংলাদেশ: শাবিতে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   আতিয়া মহল মামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে ৩ আসামি  » «   শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলা: হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু  » «   টিআইবির রিপোর্টে সরকার ও ইসির আঁতে ঘা লেগেছে: বিএনপি  » «   মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্যে দশ বাংলাদেশির অনন্য সাহসিকতার নজির  » «   ১৪ দলের শরিকদের বিরোধী দলে থাকাই ভালো: ওবায়দুল কাদের  » «   সন্ত্রাস-মাদক-জঙ্গিবাদের মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধেও ‘জিরো টলারেন্স’ : প্রধানমন্ত্রী  » «   সংসদ সদস্যদের শপথের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ  » «   কৃত্রিম কিডনি তৈরি করলেন বাঙালি বিজ্ঞানী  » «   ব্রেক্সিট ইস্যু: অনাস্থা ভোটে টিকে গেলেন তেরেসা মে  » «   টিআইবির প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করি: সিইসি  » «   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অফিস করছেন শেখ হাসিনা  » «   সংসদ কার্যকর রাখতেই বিরোধী দলে জাপা : জিএম কাদের  » «  

প্রেসক্লাবে অবস্থান নিয়েছে কয়েক হাজার শিক্ষক



নিউজ ডেস্ক:: স্থায়ীকরণ ও বকেয়া বেতনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সেকায়েপ প্রকল্পের অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা।সোমবার সকাল ১০টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়।সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন হোসেনসহ কয়েক হাজার শিক্ষক এই মানববন্ধনে উপস্থিত রয়েছেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে জানানো হয়, বিশ্ব ব্যাংক এবং সরকারের যৌথ অর্থায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (সেকায়েপ) কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত প্রতিটি শিক্ষক ২০১৫ সাল থেকে প্রায় ২০টি করে ক্লাস নিয়ে যাচ্ছেন।সারাদেশের ২১০০ প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার ২০০ জন অতিরিক্ত শিক্ষক আছেন।আর এসব নিয়োগপ্রাপ্ত সবার ফলাফল প্রথম শ্রেণির।

এমনকি শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে অভিভাবকদের সমন্বয় সভা, অতিরিক্ত ক্লাসের মাধ্যমে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করা, বাল্যবিবাহ ও শিশু নির্যাতন বন্ধসহ বিভিন্ন ধরনের ইতিবাচক কার্যক্রম সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করছে এই শিক্ষকরা।

মানববন্ধন থেকে আরো জানানো হয়, গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও সেকায়েপ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে। যাতে নতুন প্রকল্পে স্থায়ীকরণ করা যায়। তাছাড়া প্রকল্পের মেয়াদ শেষে এসব শিক্ষকদের এমপিওভুক্তকরণ করার কথাও বলা হয়। যা এসিটি ম্যানুয়ালের ৩৬ নং ধারায় উল্লেখ আছে। আর এখন ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও স্থায়ীকরণ করা হয়নি। একইসঙ্গে গত ৯ মাস ধরে আমরা কোনো বেতনও পাচ্ছি না।

এসিটি অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি কৌশিক চন্দ্র বর্মণ বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণের যৌক্তিক ঘোষণা না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে, শিক্ষকদের কথা ভেবে সরকার একটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: