বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শাবিতে ভর্তি পরীক্ষা: এসএমপির ১৩টি সচেতনতামূলক নির্দেশনা  » «   ব্রিটেনে ট্রাক কন্টেইনার থেকে ৩৯ মরদেহ উদ্ধার  » «   হংকংয়ের বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল বাতিল  » «   প্রাথমিক শিক্ষকদের সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ১০  » «   তাহিরপুরে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণে, ধর্ষক আটক  » «   ক্যাসিনোকাণ্ডে এবার পদ হারালেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি  » «   পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা আজ  » «   অপহরণের পর বিএনপি নেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার  » «   প্রাথমিক শিক্ষকদের সমাপনী ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা  » «   পুলিশের ‘জামাই’ বলে কথা!  » «   জাস্টিন ট্রুডোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন  » «   ফের বাড়ছে পেঁয়াজের দাম!  » «   সুনামগঞ্জে চিকিৎসকের ওপর হামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতার  » «   পদ হারিয়ে যা বললেন ওমর ফারুক চৌধুরী  » «   ২৯ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরেছে, জানেই না বাংলাদেশ  » «  

প্রার্থনা সুস্থ রাখে শরীর!



লাইফস্টাইল ডেস্ক::জীবন মানে কখনও সুখের নরম স্পর্শ পাওয়া, আবার কখনও দুঃখের জোয়ারে ভেসে যাওয়া। এই নিয়েই তো আমাদের রোজের জীবন।

কিন্তু এসবের মাঝেও আমরা শান্ত থাকি, আনন্দে থাকি, কারণ এক অদৃশ্য শক্তি আমাদের মনের জোরকে বাড়িয়ে চলে, যে শক্তির নাম কারও কাছে আল্লাহ্‌, কারো কাছে ভগবান।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রার্থনা করার সময় আমাদের মস্তিষ্ক এবং শরীরের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে থাকে যে ধীরে ধীরে ব্রেন এবং দেহের শক্তি বাড়তে শুরু করে।

বেশ কিছু বছর আগে ক্লিনিকাল ফিজিওলজির বিখ্যাত প্রফেসর ডাঃ লিসা মিলার একটি গবেষণা চলাকালীন লক্ষ করেছিলেন, এক যোগে সৃষ্টিকর্তার কাছে নিয়মিত প্রর্থনা করলে ব্রেনের ভেতর থাকা কর্টিসেস শক্তিশালী হতে থাকে।

ফলে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে থাকে। এখানেই শেষ নয়, প্রার্থনা করলে আরও অনেক ফল পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১। মানসিক চাপ দূর করেঃ আমাদের সবারই জানা আছে যে, মানসিক চাপ বা স্ট্রেস হল অনেকটা বিষের মতো, যা ধীরে ধীরে আমেদের শেষ করে দেয়। সেই সঙ্গে ডেকে আনে হাজারো জটিল রোগকে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে রক্ষা করতে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, প্রার্থনা করার সময় ব্রেনের ভেতর বেশ কিছু উপকারি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে স্ট্রেস লেভেল কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বডি স্ট্রেসও কমে যায়। ফলে শরীর এবং মন চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

২। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায়ঃ বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রার্থনা করার সময় আমাদের শরীরে রক্তের প্রবাহের পাশাপাশি আরও এমন কিছু পরিবর্তন হয় যে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি কোনও ধরনের করনোরি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আলসার এবং মাইগ্রেনের মতো সমস্যা ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৩। মন সারাক্ষণ হাসিখুশি থাকেঃ দিনের যে কোনও সময়ে এক মনে প্রার্থনা শুরু করুন। দেখবেন যতদিনই বাঁচুন না কেন, খুশির গ্রাফ কখনও নিম্নমুখি হবে না। আসলে প্রার্থনা করার সময় আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে “ডোপেমাইন” নামক এক ধরনের ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে নিমেষে মন খুশি হয়ে যায়। সেই সঙ্গে মানসিক শান্তিও ফিরে আসে।

৪। রোগীরা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠেঃ যে কোনও অপারেশনের পর যদি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠতে চান, তাহলে নিয়মিত প্রার্থনা করা জরুরী। কারণ বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে প্রাথর্না করলে শরীরের ক্ষত সারানোর প্রক্রিয়াটি খুব তাড়াতাড়ি হয়ে থাকে। ফলে যে কোনও ধরনের ক্ষত সারতে সময় লাগে না।

৫। রোগ-বালাই দূরে থাকেঃ একটু আজব লাগলেও একথা বিশেষজ্ঞরাও মেনে নিয়েছেন যে, প্রার্থনা করার সময় কোনও এক অজানা কারণে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। আর একবার ইমিউনিটি বেড়ে গেলে কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। -সূত্র- হেলথ সাইট।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: