মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিরোধী দলীয় উপনেতা হলেন রওশন এরশাদ  » «   সিলেট যাত্রীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস বিমানের  » «   ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ  » «   সুবর্ণচরে গণধর্ষণ: আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন  » «   ‘১১ বছর বয়সে বাবা আমাকে নিষিদ্ধপল্লীতে বিক্রি করে দেন’  » «   আকস্মিক ঢাকার কূটনৈতিক পাড়ায় ২৪ ঘন্টার রেড অ্যালার্ট জারি  » «   নির্বাচনে রাশিয়া-ট্রাম্প আঁতাতের প্রমাণ মেলেনি মুলারের তদন্তে  » «   ১২ ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   এবার ক্যালিফোর্নিয়ায় মসজিদে আগুন, চিরকুট উদ্ধার  » «   ফাঁকা বাসে ভয়ঙ্কর ফাঁদ, টার্গেট কম বয়সী নারী যাত্রী  » «   রিমান্ডে বিমানবালা: যেভাবে হয় সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ আনার চুক্তি  » «   আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ  » «   সিলেটের আতিয়া মহলে অভিযান: দুই বছরেও আসেনি চার্জশিট  » «   বাড়ছে দূতাবাস, গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থনৈতিক কূটনীতি  » «   একাত্তরের গণহত্যা আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে তুলবে জাতিসংঘ  » «  

প্রাণভিক্ষা চাইলেন মুফতি হান্নানের সহযোগী রিপন



নিউজ ডেস্ক:: দোষ স্বীকার না করে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন সিলেটে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দেলোয়ার হোসেন রিপন।
সোমবার রাষ্ট্রপতি বরাবরে এ আবেদন করেন হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের সহযোগী রিপন।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ছগির মিয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।
এরআগে গত বৃহস্পতিবার রিপন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বলে জানিয়েছিলেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. আবু সায়েম।
তিনি ওইদিন বলেন, প্রাণভিক্ষার লিখিত আবেদন দেবেন রিপন, এজন্য সময় চেয়েছেন। কারাবিধি অনুযায়ী তাকে সময় দেয়া হচ্ছে। প্রাণভিক্ষার আবেদন পাওয়ার পর এটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।
গত বুধবার সকালে রিপনকে রিভিউ খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় পড়ে শোনানো হয়। তখন রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইবেন কি না জানতে চাওয়া হলে রিপন জানান, তিনি আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাবেন।
এই মামলার অপর দুই আসামি মুফতি আবদুল হান্নান ও জঙ্গি শরীফ শাহেদুল বিপুলকে রাখা হয়েছে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে। তারাও গত বুধবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন।
মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত পাঁচ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন করতে প্রয়োজনীয় নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি ২০০৯ সালে আসামিরা জেল আপিলও করেন।
প্রায় সাত বছর পর গত বছরের ৬ জানুয়ারি এ মামলায় হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে ১১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
গত বছরের ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ১৪ জুন রায় হাতে পাওয়ার পর ১৪ জুলাই আপিল করেন দুই আসামি মুফতি হান্নান ও বিপুল। অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিপন আপিল না করলেও আপিল বিভাগ তার জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করেন।
আপিলের শুনানি শেষে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আসামিদের আপিল খারিজ হয়ে যায়। গত ১৭ জানুয়ারি এ রায় প্রকাশের পর আসামিরা রিভিউ আবেদন করেন। গত রোববার (১৯ মার্চ) দেয়া রিভিউ খারিজের রায় মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: