শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিজেদের বিমান বাহিনী থেকে সুরক্ষা পেতেই এরদোগানের এস-৪০০ ক্রয়!  » «   জাপানে অ্যানিমেশন স্টুডিওতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ১২  » «   খাদ্য ঘাটতি পূরণ করেছি, এখন লক্ষ্য পুষ্টি: প্রধানমন্ত্রী  » «   রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে মিন্নি  » «   বাংলাদেশের পতাকার আদলে অন্তর্বাস বিক্রি করছে অ্যামাজন  » «   রিফাত হত্যাকাণ্ড: এবার রিশান ফরাজীও গ্রেফতার  » «   বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কেলেঙ্কারি: সিস্টেম লস নয় দুর্নীতি  » «   বন্যার কারণে জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা স্থগিত  » «   হঠাৎ কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে শক্ত পদক্ষেপ, মাঠে নামছে র‌্যাব  » «   ধসে পড়া ভবনে মিললো বাবা-ছেলের মরদেহ  » «   ইসরাইলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা  » «   ‘নয়ন বন্ডের বাড়িতে বসেই স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মিন্নি’  » «   সিলেটের ২ জনসহ দেশসেরা ১২ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বেনাপোল ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   উপজেলা নির্বাচন: সিলেটে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কারের তালিকা  » «  

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান ড. কামাল



নিউজ ডেস্ক::প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যস্ত, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কাজের চাপে অনেক ব্যস্ত থাকেন। তারপরও তিনি যদি ১০ মিনিট সময় দেন তাহলে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে চাই বলে জানিয়েছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

শুক্রবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংহতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নিরাপদ সড়ক ও কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন বন্ধ ও গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সভার আয়োজন করে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, এই দুটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সাধারণ যে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদেরকে ছেড়ে দিন। প্রয়োজনে আমি আপনার পা ধরতেও রাজি আছি। আপনার পা ধরে নিবেদন করতে চাই গ্রেফতার করা শিক্ষার্থীদের আপনি মুক্তি দিন। সামনে ঈদ। ঈদ উপলক্ষে আপনি সবাইকে মুক্তি দিন।

তিনি বলেন, একাত্তরের পর অনেক স্বৈরাচারই ক্ষমতায় এসেছে কিন্তু টিকতে পারেনি। স্বৈরাচারী কায়দায় কখনোই ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। আগামী ৩ বছর পর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হবে। আসুন এই ৩ বছরের মধ্যে আমরা এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলি যেখানে কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া হবে না এবং যে উদ্দেশ্য নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে তা বাস্তবায়িত হয়।

ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের মালিক জনগণ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যারা আছেন তাদেরকে জণগণের সেবক হিসেবে দেশ শাসন করা উচিৎ। সবাইকে মালিক হিসেবে একত্রে দাঁড়াতে হবে। আসুন আমরা এই ঈদে এই বাণী নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাই এবং সকলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ প্রমুখ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: