বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাজনের বাবার ৪ দফা দাবিতে যা আছে…



1. rajonনিউজ ডেস্ক::
সিলেটের কুমারগাঁওয়ে পৈশাচিক নির্যাতনে নিহত শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান আলম প্রধানমন্ত্রীর কাছে চারদফা দাবি তুলে ধরেছেন। সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর পাঠানো এক স্মারকলিপিতে তিনি এই চার দফা দাবি জানান।
রাজনের বাবা যে চারটি দাবি তুলে ধরেছেন সেগুলো হচ্ছে,

১.সৌদি আরবে আটক রাজনের হত্যাকারী কামরুলকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা
২.দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
৩.বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি ধামাচাপার চেষ্টাকারীদের শাস্তি ও সেই অপরাধে সহযোগিতাকারীদের শাস্তি
৪.তিনিসহ পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

স্মারকলিপিতে ঘটনার পরে প্রশাসনের অসহযোগীতা ও আসামিদের পক্ষ নেয়ার সমালোচনা করেন রাজনের বাবা আজিজুর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, রাজন হত্যার পর পুলিশ বাদী হয়ে একটি ‘মনগড়া’ এজাহার দায়ের করে। এজাহার দেখে বোঝা যায়, আসামিদের বাঁচানোর জন্য পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি দায়সারা এজাহার দায়ের করা হয়। যে কারণে পরে তিনি নিজে বাদী হয়ে আরেকটি এজাহার দায়ের করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জুলাই সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁওয়ে শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করে কামরুল-মুহিতসহ তাদের সহযোগীরা। একইসঙ্গে ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। রাজনকে পেটানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে সৃষ্টি হয় তোলপাড়। এ ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ১৩ জনকে আটক করেছে।

এর মধ্যে এই মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন ৮ জন। এ হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির দায়ে এরই মধ্যে জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন এবং এস আই জাকির হোসেন ও আমিনুল ইসলামকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: