বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবলিক পরীক্ষার সব ফি দেবে সরকার  » «   বাচ্চারা সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইভিএম, দাবি লালুপুত্রের  » «   আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  » «   পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়: মমতা  » «   কুলাউড়ায় ওজন বাড়াতে চিংড়িতে বিষাক্ত জেলি!  » «   শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ: ‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি রোজা রাখছি’  » «   কিছুটা সময় লাগলেও ইসরাইল-আমেরিকার পতন অনিবার্য: ধর্মীয় নেতা  » «   মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি: সিলেটে ওয়েল ফুডকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   একক দল হিসেবেই ম্যাজিক ফিগারে মোদির বিজেপি!  » «   পারিবারিক কলহে সৎ মাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছেলে  » «   রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   পবিত্র কোরআন কেটে ভেতরে ইয়াবা পাচার, ৩ রোহিঙ্গা আটক  » «   গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার জন নিহত  » «   খালেদার কারামুক্তি, এবারও ‘হ্যান্ডল’ করতে পারেনি বিএনপি!  » «   বালিশ মাসুদের খোলা চিঠি  » «  

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলো কোটা বাতিলের সুপারিশ



নিউজ ডেস্ক:: সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে সচিব কমিটির সুপারিশ অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী ওই অনুমোদন দেন বলে তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।সরকারি চাকরিতে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ক্যাডার-নন ক্যাডার পদে কোটা প্রত্যাহার এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির অন্যান্য পদগুলোতে চাকরির কোটা বহাল রাখার সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সচিব কমিটি।

গত সোমবার সচিব কমিটির এ সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। আগামী ১ অক্টোবর মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য বৈঠকে এই সুপারিশ মন্ত্রিসভার অনুম্দোনের জন্য উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নির্বাহী আদেশ দিয়ে পরিবর্তিত কোটা সম্পর্কিত আদেশ জারি করবে। সাধারণভাবে আদেশ জারির তারিখ থেকে তা কার্যকর হবে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি ফিরবেন ৩০ সেপ্টেম্বর। তাই পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১ অক্টোবর উঠবে ওই সুপারিশ।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে প্রচলিত কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে এ বছরের ১৭ ফেরুয়ারি আন্দোলন শুরু করে। ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে দেয়া ভাষণে কোটা বাতিল করে দেয়ার ঘোষণা দেন। এরপর গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে কোটা সংস্কার -বাতিলে পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদানের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করে। ইতিমধ্যে ঘোষিত ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমানিরি পরীক্ষার আগেই কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

সূত্র জানায়, আপিল বিভাগ ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণের জন্য যে রায় প্রদান করেছেন সে প্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করা যাবে কিনা সে বিষয়ে সচিব কমিটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে পরামর্শ চেয়ে গত ১৬ আগস্ট চিঠি প্রেরণ করেন। ২০ আগস্ট ফিরতি চিঠিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মতামত প্রেরণ করেন। এ প্রেক্ষিতে সচিব কমিটি আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শের ভিত্তিতে তা রাষ্ট্রপতির রেফারেন্সের জন্য প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে মন্ত্রণালয় জানায় এটি এখন আর আপিল বিভাগের উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নেই। এটি নির্বাহী বিভাগের আদেশ দিয়ে বাতিল, সংশোধন ও সংযোজন করা যেতে পারে। কারণ আদালতের পর্যবেক্ষনেই বিষয়টি পরিস্কার যে কোটা রাখা না রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার নির্বাহী বিভাগের। এর ওপর ভিত্তি করে সচিব কমিটি নির্বাহী আদেশ দ্বারা পরিমার্জিত আকারে কোটার বিষয়ে সুপারিশ চূড়ান্ত করে। এ অনুযায়ী শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির ক্যাডার-নন ক্যাডার পদে কোন ধরনের কোটা পদ্ধতি না রাখার আদেশ জারির সুপারিশ করা হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: