শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ক্যালিফোর্নিয়া দাবানল: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯  » «   রোহিঙ্গারা স্লোগান দিচ্ছে ‘ন যাইয়ুম, ন যাইয়ুম’  » «   প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষায় থাকছে না এমসিকিউ  » «   ঐক্যফ্রন্টের সব দলের প্রতীক ধানের শীষ  » «   চিকিৎসা নিয়ে খালেদার রিটের আদেশ রোববার  » «   বিএনপি জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন খালেদা জিয়া  » «   নয়াপল্টনে সংঘর্ষ: ৩ মামলায় গ্রেফতার ৫০  » «   ভোটের ২-৩ দিন আগে মাঠে সেনাবাহিনী থাকবে: ইসি সচিব  » «   ওমরাহ শেষে বিমানেই মারা গেল চার বছরের শিশু  » «   শরিকদের সর্বোচ্চ ৬০ আসন ছাড়ার কথা ভাবছে বিএনপি  » «   বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা  » «   আজ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু: ফিরছেন ১৫০ রোহিঙ্গা  » «   সিলেট-২: বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   তফসিল পেছানোর দাবিতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ঐক্যফ্রন্ট  » «   সংসদ নির্বাচন: হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে লড়বেন কার বিপরীতে  » «  

‘প্রতি সপ্তাহে মেয়েদের হাটে তোলা হতো বিয়ের জন্য’



বিচিত্রা ডেস্ক::১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর যে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল, তাতে বহু মানুষ মারা যায়। একটা প্রজন্ম হারিয়েছি আমরা। ঘূর্ণিঝড়ে আমাদের জেলায় অল্প কিছু পুরুষ লোক বেঁচে ছিল। মহিলা আর শিশু ছিল না কোন।

মুরব্বিদের কাছে শুনেছি, মহিলাদের যোগান দেয়ার জন্য সপ্তাহে একদিন হাট হতো, সেখানে আশপাশের এলাকা থেকে মেয়েদের নিয়ে আসা হতো। হাটে আনা মেয়েদের সাথে এখানকার পুরুষদের বিবাহ দেয়া হতো। কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা ভোলার চর কুঁকড়িমুকড়ি-র চেয়ারম্যান হাশেম মহাজন।

তিনি বলছিলেন, “সেকারণে ঘূর্ণিঝড় বিষয়টি আমাদের জন্য একটা অভিশাপ বলে মনে করি আমরা উপকূলের মানুষেরা।” ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর যে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল, তাতে মারা গিয়েছিল উপকূলীয় এলাকার অন্তত পাঁচ লক্ষ মানুষ।
হাশেম মহাজন বলছিলেন, ১৯৭০ সালের তুলনায় এখন ঘূর্ণিঝড়ের মত বড় দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি বেড়েছে। সিগন্যাল শুনে বা গণমাধ্যম থেকে, বিশেষ করে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও সতর্কতা সম্পর্কে জেনে আগাম প্রস্তুতি নেয় মানুষ।

তবে, ঘূর্ণিঝড় বা দুর্যোগের আগাম বার্তা পাবার ব্যবস্থা এখনো অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সাথে আশ্রয়কেন্দ্রে যাবার ক্ষেত্রে এখনো স্থানীয় মানুষদের মধ্যে অনীহার রয়েছে। কেবল সচেতনতার অভাবে মানুষ ভিটেমাটি, গবাদি পশু ছেড়ে যেতে চায় না।

বাংলাদেশে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সুরক্ষার লক্ষ্যকে সামনে রেখে আজ প্রথমবারের মত ১২ই নভেম্বরকে ‘উপকূল দিবস’ হিসেবে পালন করছে বেসরকারি কয়েকটি সংগঠন। ভোলা, পটুয়াখালী, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, ফেনীসহ উপকূলবর্তী ১৫টি জেলার ৩২টি উপজেলায় আজ এ নিয়ে নানা ধরনের কর্মসূচী পালন করা হবে। বিবিসি

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: