মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সুনামগঞ্জে অজ্ঞাতনামা যুবকের মরদেহ উদ্ধার  » «   বন্দরবাজার থেকে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আফগান প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা, নিহত ২৪  » «   বিভাগীয় শহরে হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র  » «   মৌলভীবাজার থেকে হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার  » «   হবিগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার  » «   উপজেলা নির্বাচন: হবিগঞ্জ আ.লীগের ১০ বিদ্রোহী প্রার্থীকে শোকজের চিঠি  » «   রোমে যে কারণে আলোচিত প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ  » «   বিকেলে ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বিতর্কিত আইনে কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী গ্রেপ্তার  » «   অপমানজনক বিতাড়ণের আগে সিনেট ও ডাকসু ছাড়ুন: শোভন-রাব্বানীকে ভিপি নুর  » «   পেঁয়াজ নেই, তবুও বিক্রির ঘোষণা টিসিবির!  » «   শর্ত ভেঙে ‘অযোগ্য’ প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিচ্ছে গণপূর্ত  » «   মেট্রোরেলের জন্য আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ  » «  

প্রতিবন্ধীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিধি প্রণয়নের নির্দেশ



নিউজ ডেস্ক:: যে কোনো পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য তিন মাসের মধ্যে বিধি প্রণয়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে এই আদেশ বাস্তবায়ন করার জন্য বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের ওপর সোমবার রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ওই নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারীর আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমাদ।

২০১৭ সালে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে পৃথক বিধি প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।

আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমাদ জানান, অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতিবন্ধী পুত্র মোস্তফা মাসুদ ২০১৬ সালে মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা আশানুরূপ দেয়ার পরও মোস্তফা মাসুদকে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়। পরে খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে আবেদন করা হলেও কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় হাইকোর্টে রিট করেন তিনি।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালে বিচারপতি কাজী রেজা উল হকের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। হাইকোর্ট রুল জারির পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ মোস্তফা মাসুদকে জেএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য দেখান।

২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে আবারও অকৃতকার্য হয় মোস্তফা মাসুদ। তখন আবারও খাতা পুনর্মূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে সম্পূরক আবেদন করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত ওই রায় দেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: