বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

প্রতিবন্ধীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিধি প্রণয়নের নির্দেশ



নিউজ ডেস্ক:: যে কোনো পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য তিন মাসের মধ্যে বিধি প্রণয়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে এই আদেশ বাস্তবায়ন করার জন্য বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের ওপর সোমবার রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ওই নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারীর আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমাদ।

২০১৭ সালে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে পৃথক বিধি প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান।

আইনজীবী জুলহাস উদ্দিন আহমাদ জানান, অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতিবন্ধী পুত্র মোস্তফা মাসুদ ২০১৬ সালে মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা আশানুরূপ দেয়ার পরও মোস্তফা মাসুদকে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য দেখানো হয়। পরে খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে আবেদন করা হলেও কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় হাইকোর্টে রিট করেন তিনি।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৭ সালে বিচারপতি কাজী রেজা উল হকের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। হাইকোর্ট রুল জারির পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ মোস্তফা মাসুদকে জেএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য দেখান।

২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে আবারও অকৃতকার্য হয় মোস্তফা মাসুদ। তখন আবারও খাতা পুনর্মূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে সম্পূরক আবেদন করেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত ওই রায় দেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: