রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে : ওবায়দুল কাদের  » «   নিজস্ব ভবন পেল আওয়ামী লীগ  » «   বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ : শুরু হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের কাজ  » «   ‘রাতের অন্ধকারে বছরের পর বছর ধর্ষণ করেছে বাবা’  » «   প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি যথার্থ : রিজভী  » «   স্কুলের গেটে জলাবদ্ধতা, ছাত্রদের সড়ক অবরোধ  » «   তানোরে পুলিশের স্ত্রীর আত্মহত্যা  » «   কুমিল্লায় যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার  » «   সরিষাবাড়ীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু  » «   শ্রীপুরের বাড়িটিতে ৪টি বোমার বিস্ফোরণ  » «   প্রেমিকের খোঁজ নিতে গিয়ে প্রেমিকার করুণ পরিণতি!  » «   সমকামী বিয়ে ব্রিটিশ রাজ পরিবারে  » «   এবার বিমানেও ভিক্ষাবৃত্তি!  » «   প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সেনা প্রধানের সাক্ষাৎ  » «   মিয়ানমারকে আল্টিমেটাম  » «  

পোশাক বিহীন শরীরে তেল মালিশে নাবালিকাদের বাধ্য করত বাবা!



নিউজ ডেস্ক::এ যেন আরেক রাম রহিম কীর্তি! গুরমিত রাম রহিমের পর আরো একজন স্বঘোষিত ধর্মগুরুর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু হলেন- ধর্মগুরু বাবা বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত।

তার আশ্রমে ধর্মের বর্ম সামনে রেখেই অবাধে চলত যৌনাচার। এখানে জোর পূর্বক আটকে রাখা হত কিশোরী নাবালিকাদের। এরপর তাদেরকে খেয়াল-খুশি মত যৌন সঙ্গী হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

পুলিশ সদস্যরা, দিল্লির রোহিনি আশ্রমে অভিযান চালিয়ে রীতিমতো সেক্স ব়্যাকেটের খোঁজ পেয়েছেন।

রবিবার (৬ জানুয়ারি) পুলিশ জানিয়েছে, ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের রাজস্থানের আশ্রম থেকে ৭০ জনেরও বেশি যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের স্বঘোষিত ধর্মগুরু বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের অনেকগুলো আশ্রমে অভিযান চালিয়ে পুলিশ সদস্যরা ৪৭ জন নারী ও ৬ জন কিশোরী নাবালিকাকে উদ্ধার করে।

বাবা বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক নারীদের আটকে রাখার অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই। এরপরই ভারত জুড়ে ওই ধর্মগুরুর ছড়িয়ে থাকা বিশাল নারী পাচার নেটওয়ার্কের সন্ধ্যানে নামে পুলিশ।

শনিবার (৬ জানুয়ারি) রাজস্থানের সিরোহী জেলার আবু রোডে একটি আশ্রমে অভিযান চালায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারি কর্মকর্তারা। সেখানে হানা দিয়ে পুলিশকর্তা অবাক। কেননা, তারা আশ্রমের ভিতর কমপক্ষে ৭২ জন নারী আছে দেখেতে পান। ওই নারীরা দাবি করেন, আধ্যাত্মিক কাজ কর্মের জন্যই স্বেচ্ছায় আশ্রমে আছেন তারা। এ সময় পুলিশকে তারা চলে যেতে বলেন।

পুলিশ অফিসার মিঠু লাল পিটিআইকে জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে তারা কোনো মতেই বুঝতে পারছেন না কোন জাদুবলে ওই নারীরা তাদের মুখ খুলছেন না। তাদেরকে কোন মাদক দেয়া হয় কিনা পুলিশ এটিও খতিয়ে দেখছে। আশ্রম নিযুক্ত ভারপ্রাপ্তদের থেকে ওই নারীদের পরিচয়পত্র চাইলে তা পাওয়া যায়নি। পুলিশের কাছে যার পুরোটাই সন্দেহজনক মনে হয়েছে।

ধর্মগুরু বাবা বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের আশ্রমে কিশোরী , নাবালিকা ও যুবতী নারীদের জোরপূর্বক আটকে রেখে যৌনদাসী বানিয়ে রেখে অন্যের বিছানায় পাঠানো হতো। এতে ওই অভিযুক্ত ধর্মগুরু বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছে। শুরুর দিকে এই ধর্মগুরু উদ্দেশ্য কেউ বুঝতে পারেনি। তিনি নিজেকে ধর্মগুরু বলেই পরিচয় দিত। এরপর আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে আশ্রম খুলে সাধারণ মানুষকে আশ্রমের দিকে নিয়ে আসত বীরেন্দ্র দেব।

অনেক অভিভাবক গণই তাদের কন্যাদের ওই আশ্রমে ছুটির সময় ধর্মশিক্ষা পাবে বলে রেখে আসতেন। আর ফাঁদ পেতেই নাবালিকা কিশোরীদের ভোগ করতো স্বঘোষিত ওই ধর্মগুরু।

অভিযোগ আছে, স্ট্যাম্পে সে লিখে নিত যে নাবালিকারা স্বেচ্ছায় তার আশ্রমে এসেছে। কেউ তাদের কোনো জোর করেনি। এরপরই কুকর্মে লাগানো হত তাদের।

আশ্রমের এক ভক্ত জানান, নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়ত বাবা। এরপর কিশোরী নাবালিকাদের তার শরীরে তেল মালিশ করার নির্দেশ দিত।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে গুরমিত রাম রহিমের মতোই স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাবা বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের কীর্তি কলাপ প্রকাশ্যে আসে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: