সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

পোশাক কর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ৩ আসামির ফাঁসি



নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি::নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গার্মেন্টসকর্মী আসমা আক্তার বিউটিকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় চার আসামি খালাস পেয়েছেন।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় চার্জশিটে মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আদালত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে। জরিমানা আদায় করে নিহতের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাসির উদ্দিন বিটল (৪০), অকু মিয়ার ছেলে ছফুন (৩৪), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে খোকন মিয়া (৩২)।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন আলমাস ব্যাপারীর ছেলে ছালেহ আহমেদ, মৃত মোমিন আলী মুন্সির ছেলে হাসান কবির মেম্বার, আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে দাড়িওয়ালা আজিজ, সুজন মিয়ার ছেলে মো. মিজান।

মামলার বাদী নিহতের পিতা রাজা মিয়া জানান, ২০০৮ সালের ১১ মার্চ রাতে তার মেয়ে আসমা বেগম নারায়ণগঞ্জ থেকে গার্মেন্টসের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দর খেয়া পাড় হওয়ার পর অপহরণ হয়। পরদিন বন্দরের কুশিয়ারা এলাকায় একটি ঝোঁপ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত আসমার বাবা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন জানান, মামলার তদন্তে ২৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জন আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী দেয়। এতে প্রমাণ হয় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আসমা বেগমকে ধর্ষণ করার পর হত্যা করে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেও ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

দশ বছর ধরে ন্যায় বিচারের আশায় ছিলেন নিহতের পরিবার। চারজন আসামি খালাস পেয়ে যাওয়ায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: