শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «   ক্ষমা চাইলেন ড. কামাল  » «   মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে ১১ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ৮১  » «   ২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটও  » «   ইন্টারনেটে ধীর গতি ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  » «   প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি: আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা  » «   আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে: জয়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট  » «   আম্বানি কন্যার বিয়েতে নাচলেন হিলারি ক্লিনটন [ভিডিও ]  » «   সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রচারণার একসঙ্গে মুক্তাদির-আরিফ  » «  

পুজোর উছিলায় যুবতীকে ৫-৬ মাস ধরে ধর্ষণ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::আশারাম, গুরমিত রাম রহিম সিং-এর পর এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কীর্তি। আহমেদাবাদ মিরর-এর খবর অনুযায়ী, ১৯ বছরের এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে স্বঘোষিত ধর্মগুরু আচার্য শান্তি সাগরকে।

যদিও, অভিযুক্ত অভিযুক্তের পাল্টা দাবি করেছেন, বছর ১৯-এর ওই যুবতীর সম্মতিতেই তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ।

শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে যে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলেই তাঁর দাবি। গত ৫-৬ মাস ধরে ওই যুবতী তাঁর শয্যাসঙ্গিনী হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন আচার্য শান্তি সাগর নামে ওই জৈন গুরু।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১ অক্টোবর বাবা-মা এবং ভাইয়ের সঙ্গে ভদোদরায় আচার্য শান্তি সাগর নামে ওই জৈন মুনির কাছে যান ১৯ বছরের ওই যুবতী।

কিন্তু, বিশেষ কিছু পূজাপাঠ এবং মন্ত্র উচ্চারণের জন্য ওই যুবতীকে অন্য একটি ঘরে নিয়ে যান স্বঘোষিত ওই ধর্মগুরু। বিশেষ পূজাপাঠের জন্য বেশ কিছুটা সময় লাগবে, এই অছিলাতেই যুবতীর বাবা-মা এবং ভাইকে ফেরৎ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগ, বাবা-মাকে ফেরৎ পাঠিয়েই বছর ১৯-এর ওই যুবতীর উপর অত্যাচার চালানো হয়। কিন্তু, ওই ঘটনার পর ভয়ে প্রথম ক’দিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি তিনি।

যদিও, শেষ পর্যন্ত বাড়ির লোককে সমস্ত ঘটনা জানালে, স্বঘোষিত ওই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের প্রায় ১১ দিন পর অভিযোগকারিনীর পরিবার আচার্য শান্তি সাগরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। অভিযোগ পাওয়ার পর পরই ওই যুবতীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়।

সেখানে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। যদিও, আচার্য শান্তি সাগরের দাবি, তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ওই যুবতীর সম্মতিতেই সব কিছু হয়েছে বলেও তিনি বার বার দাবি করছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: