মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
খাশোগি হত্যা বনাম সৌদি যুবরাজের কালো অধ্যায়  » «   অপারেশন ‘গর্ডিয়ান নট’ সমাপ্ত, দুই জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার  » «   ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেল ন্যাপ ও এনডিপি  » «   মতবিরোধ থাকলেও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব: সিইসি  » «   সিলেটে জনসভার মধ্যেদিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা  » «   সৌদির প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, সব ক্রু নিহত  » «   ডিজিটাল আইনের ৯টি ধারা সংশোধন চেয়ে আইনি নোটিশ  » «   ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মির মানহানি মামলা খারিজ  » «   জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু,দফায় দফায় আসছে গুলির শব্দ  » «   সাত বছরেও চালু হয়নি হাসপাতালের কার্যক্রম  » «   হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে যা বললেন মমতা ব্যানার্জী  » «   নির্বাচন কমিশন তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয় : কাদের  » «   জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় ২৯ অক্টোবর  » «   মির্জাপুরে ট্রাক উল্টে একই পরিবারের ৩ জন নিহত  » «   আস্তানায় বেশ কয়েকজন জঙ্গি ও গোলাবারুদ রয়েছে: সিটিটিসি প্রধান  » «  

পুজোর উছিলায় যুবতীকে ৫-৬ মাস ধরে ধর্ষণ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::আশারাম, গুরমিত রাম রহিম সিং-এর পর এবার প্রকাশ্যে এল আরও এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কীর্তি। আহমেদাবাদ মিরর-এর খবর অনুযায়ী, ১৯ বছরের এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে স্বঘোষিত ধর্মগুরু আচার্য শান্তি সাগরকে।

যদিও, অভিযুক্ত অভিযুক্তের পাল্টা দাবি করেছেন, বছর ১৯-এর ওই যুবতীর সম্মতিতেই তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ।

শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে যে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলেই তাঁর দাবি। গত ৫-৬ মাস ধরে ওই যুবতী তাঁর শয্যাসঙ্গিনী হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন আচার্য শান্তি সাগর নামে ওই জৈন গুরু।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১ অক্টোবর বাবা-মা এবং ভাইয়ের সঙ্গে ভদোদরায় আচার্য শান্তি সাগর নামে ওই জৈন মুনির কাছে যান ১৯ বছরের ওই যুবতী।

কিন্তু, বিশেষ কিছু পূজাপাঠ এবং মন্ত্র উচ্চারণের জন্য ওই যুবতীকে অন্য একটি ঘরে নিয়ে যান স্বঘোষিত ওই ধর্মগুরু। বিশেষ পূজাপাঠের জন্য বেশ কিছুটা সময় লাগবে, এই অছিলাতেই যুবতীর বাবা-মা এবং ভাইকে ফেরৎ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগ, বাবা-মাকে ফেরৎ পাঠিয়েই বছর ১৯-এর ওই যুবতীর উপর অত্যাচার চালানো হয়। কিন্তু, ওই ঘটনার পর ভয়ে প্রথম ক’দিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি তিনি।

যদিও, শেষ পর্যন্ত বাড়ির লোককে সমস্ত ঘটনা জানালে, স্বঘোষিত ওই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের প্রায় ১১ দিন পর অভিযোগকারিনীর পরিবার আচার্য শান্তি সাগরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। অভিযোগ পাওয়ার পর পরই ওই যুবতীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়।

সেখানে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। যদিও, আচার্য শান্তি সাগরের দাবি, তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ওই যুবতীর সম্মতিতেই সব কিছু হয়েছে বলেও তিনি বার বার দাবি করছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: