সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাবরি মসজিদের রায় দিল যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিচারপতি!  » «   মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা  » «   ভারতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান  » «   সুলতান মনসুর বেইমান মুনাফিক : মিসবাহ সিরাজ  » «   স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন মেয়র, ভয়ে চুপ স্বামী  » «   বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জেলা যুবলীগ  » «   পাকিস্তানের জাদুঘরে অভিনন্দনের মূর্তি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়  » «   ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে তছনছ সাকিবের কাঁকড়ার খামার  » «   টিউলিপের প্রচারণায় লন্ডনের দুয়ারে দুয়ারে সিলেটিরা  » «   বসন্তের কোকিলদের দলে ভেড়াবেন না: ওবায়দুল কাদের  » «   ১৫ বছর পর পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আনছে বাংলাদেশ  » «   দেশকে এবারও বাঁচিয়ে দিলো সুন্দরবন  » «   ঘূর্ণিঝড়ে ৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, নিহত ২ : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী  » «   রিফাত শরিফ হত্যাকাণ্ড: বেরিয়ে এসেছে নতুন তথ্য  » «   ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড খুলনা, নিহত ১  » «  

পাবনার বেড়ায় একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা



আর কে আকাশ, পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার বেড়ায় ছেলের বিরুদ্ধে তার মা, ছোট ভাই ও আপন খালাকে গলা কেটে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার ভোর চারটার দিকে উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের সোনাপদ্মা নতুন চারা বটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বেড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশিষ বিন হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন-ওই গ্রামের মিঠু হোসেনের স্ত্রী বুলি খাতুন (৪০), ছোট ছেলে তুষার হোসেন (১০) ও বুলি খাতুনের আপন বোন নছিমন খাতুন (৪৫)। হত্যাকারী বড় ছেলের নাম তুহিন হোসেন (২২)।

পরিবারের বরাত দিয়ে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আশিষ বিন হাসান জানান, বুধবার ভোররাত চারটার দিকে ওই গ্রামের মিঠু হোসেনের ছেলে তুহিন হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মা বুলি খাতুন (৪০), ছোট ভাই তুষার হোসেন (১০) ও আপন খালা নছিমন খাতুন (৪৫) কে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। কেন, কি কারণে সে তার পরিবারের তিনজকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তুহিন হোসেনের স্ত্রী রুনা খাতুন পুলিশকে জানিয়েছেন, ফজরের আজানের কিছু আগে ঘুম ভেঙে যায় তার শ্বাশুড়ীর গোঙানীর শব্দ শুনে। এ সময় তার পাশে স্বামীকে দেখতে পাননি তিনি। দরজা খুলে বাইরে গিয়ে দেখেন বাড়ির উঠোনে রক্তাক্ত অবস্থায় তার শ্বাশুড়ী, ছোট দেবর ও খালা শ্বাশুড়ীর লাশ পড়ে আছে। পাশে ধারালো অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে তার স্বামী। ওই সময় স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তুহিন বলে, ‘সব কটারে শেষ করে দিলাম।’ এ দৃশ্য দেখে দৌঁড়ে পাশের বাড়িতে পালিয়ে যান স্ত্রী রুনা।

পরে প্রতিবেশিরা জানতে পেরে থানায় খবর দিলে সকালে পুলিশ বাড়ির উঠোন থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে হত্যাকারী তুহিন পলাতক রয়েছে। হত্যার কারণ জানা যায়নি। তবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

তুহিনের স্ত্রী রুনা খাতুন পুলিশকে জানিয়েছেন, দুই মাস আগে তার স্বামী টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। তারপর থেকে তুহিনের মেজাজ খিটখিটে ছিল। তুচ্ছ ঘটনায় মানুষের সাথে ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তো। লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: