শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবলিক পরীক্ষার সব ফি দেবে সরকার  » «   বাচ্চারা সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইভিএম, দাবি লালুপুত্রের  » «   আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  » «   পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়: মমতা  » «   কুলাউড়ায় ওজন বাড়াতে চিংড়িতে বিষাক্ত জেলি!  » «   শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ: ‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি রোজা রাখছি’  » «   কিছুটা সময় লাগলেও ইসরাইল-আমেরিকার পতন অনিবার্য: ধর্মীয় নেতা  » «   মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি: সিলেটে ওয়েল ফুডকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   একক দল হিসেবেই ম্যাজিক ফিগারে মোদির বিজেপি!  » «   পারিবারিক কলহে সৎ মাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছেলে  » «   রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   পবিত্র কোরআন কেটে ভেতরে ইয়াবা পাচার, ৩ রোহিঙ্গা আটক  » «   গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার জন নিহত  » «   খালেদার কারামুক্তি, এবারও ‘হ্যান্ডল’ করতে পারেনি বিএনপি!  » «   বালিশ মাসুদের খোলা চিঠি  » «  

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে স্কুলে বোমা হামলা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::গাজা উপত্যকার একটি স্কুলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে এমন সময় স্কুলটিতে বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইলি বিমানবাহিনী। ফিলিস্তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বুধবার (৩০ মে) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দির আল বালাহ অঞ্চলের আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহাহ স্কুলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসেছিল, তখনই সেখানে বোমাবর্ষণ শুরু হয়। কিন্তু ভাগ্যক্রমে কোনো শিক্ষার্থী তাতে হতাহত হয়নি। ইসরাইলি এ হামলার নিন্দা জানিয়ে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাতেও ইসরাইল দ্বিধাবোধ করে না।

মঙ্গলবার গাজা উপত্যকায় প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসলামিক জিহাদের ৩৫ সামরিক স্থাপনা এবং টানেলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল। এর মধ্যে কেবল হামাসেরই ২৫টির বেশি সামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।

গত ১২ বছর ধরে গাজা উপত্যকা অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইসরাইল। সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে ওষুধ সামগ্রী প্রবেশেও বিধিনিষেধ আরোপ করে রাখা হয়েছে। ইসরাইলের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হামাস ও ইসলামিক জিহাদের রকেট হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে তারা।

মঙ্গলবার দিনভর ৭০টির বেশি ফিলিস্তিনি রকেট ইসরাইলের দিকে ছু্টে গেছে। দেশটির বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তার মধ্যে কয়েকটি ভূপাতিত করতে পেরেছে।

সোমবার গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সীমান্তের কাছে এক ফিলিস্তিনি গেলে তাকে হত্যা করেন ইহুদিবাদী সেনারা। এর একদিন আগে রোববার ইসরাইলি ট্যাংকের গোলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।

এভাবে একের পর এক নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলে কয়েক ডজন রকেট নিক্ষেপ করে প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসলামিক জিহাদ।

গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিনিদের নিজেদের বসতবাড়িতে ফেরার বিক্ষোভের উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটল। গাজায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ইসরাইলি স্নাইপারদের গুলিতে ১২৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন হাজার হাজার।

১৯৪৮ সালে ইহুদি সশস্ত্রগোষ্ঠীর হামলায় সাড়ে সাত লাখ আরব অধিবাসী নিজেদের ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত হন। পার্শ্ববর্তী আরব দেশ, অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা- এসব আরবরা শরণার্থী হিসেবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

চলতি মাসের ১৪ তারিখে ইসরাইলে মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ফিলিস্তিনিরা। এদিন ইসরাইলি স্নাইপাররা ৬২ নিরপরাধ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ইসরাইলি সেনা হতাহত হয়নি

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: