মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!  » «   অবশেষে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক  » «   অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ‘স্পিড গান’  » «   কমলাপুর রেলওভার ব্রিজের ত্রুটির চিত্র তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিন্দাবাজারে মিললো ২টি গোখরাসহ ৬ বিষধর সাপ  » «   কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «   থানায় ‘গণধর্ষণের’ শিকার সেই নারীর জামিন নামঞ্জুর  » «   মিন্নির স্বীকারোক্তির আগে নাকি পরে এসপির ব্রিফিং : হাইকোর্ট  » «   প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারে মন্ত্রিসভার সায়  » «   নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার  » «   পাঁচভাই রেস্টুরেন্টে প্রবাসীর ওপর হামলা: দুই ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার  » «   সিলেটসহ রেলের পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হাইকোর্টের রুল  » «  

পরিবারের সবাইকে বাঁচানো হাফিজের লাশ মিলল আজ



full_26430006_1446489931নিউজ ডেস্ক :: কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় নৌকাডুবির দুদিন পর মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক হাফিজ উদ্দিনের (৪৭) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত রবিবার রাতে বড় হাওরে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। আজ সকাল ৬টায় দুর্ঘটনাস্থল থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে স্থানীয় বাসিন্দারা হাফিজ উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করেন। গতকাল দিনভর চেষ্টা করেও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল নিখোঁজ হাফিজ উদ্দিনের সন্ধান পায়নি। নিহত হাফিজউদ্দিন করিমগঞ্জ উপজেলার কান্দাইল দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রাব্বানী জানিয়েছেন, স্থানীয় বাসিন্দারা হাফিজ উদ্দিনের লাশটি দেখতে পান।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নৌকাটি জয়কা ইউনিয়নের বারুক বাজার থেকে ইন্দ্রাচুল্লি গ্রামে যাচ্ছিল। ঢাকায় ঈদ কাটিয়ে আসা পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে নিতে হাফিজ উদ্দিন নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকাটি নিয়ে এসেছিলেন। এ সময় নৌকায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছিল স্ত্রী রোহেনা বেগম, মেয়ে খাদিজা, ছেলে আনসারউল্লাহ, বাহালুল, আমিনুল, আল-আমিন, তাসনিম ও চার মাস বয়সী নাতি নাসিরুল্লাহ। কিন্তু নৌকাটি ছাড়ার পর পরই প্রচন্ড দমকা বাতাসের কবলে পড়ে এবং মাঝামাঝি দূরত্বে পৌঁছানোর পর একপর্যায়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
হাফিজ উদ্দিনের ভাই মাওলানা উসমান হারুনি জানান, নৌকাডুবির পর পরই মাঝি ও সহকারীরা সাঁতরে কুলে ওঠেন। এ সময় হাফিজ উদ্দিন দ্রুত পানিতে নেমে পরিবারের সবাইকে ভেতর থেকে বের করে নৌকার ভেসে থাকা সামনের অংশে বসিয়ে দেন। পরে সেখান থেকে ছোট ছেলে তাসনিমকে নিয়ে সাঁতরে কাছেই একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে বসিয়ে অন্যদেরও সেখানে নেওয়ার জন্য ফিরে আসার সময় পানিতে তলিয়ে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে অন্যদের উদ্ধার করেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: