সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
একাত্তরের গণহত্যা আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে তুলবে জাতিসংঘ  » «   এ বছর থেকেই তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে না পরীক্ষা  » «   মসজিদে হামলা: ৮ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি চার বছর বয়সী আলিনের  » «   মালিতে ১৩৪ মুসলিম আদিবাসীকে গুলি করে হত্যা  » «   ইভিএমএ ভোট দেই এক জায়গায়,আরেক জায়গায়  » «   ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে দু’পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্য  » «   আড়াই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩টি!  » «   ব্রেক্সিট ঠেকাতে ফের গণভোট ও মে’র পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ব্রিটেন  » «   যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে চরম হেনস্থার শিকার ৯ বছরের বালিকা  » «   রাতেই ব্যালটে সিল মারায় নির্বাচন স্থগিত  » «   বাসচাপায় সিকৃবি ছাত্র হত্যা, চালক-হেলপার গ্রেফতার  » «   উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে  » «   লাগামহীনভাবে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য: রমজানপূর্ব মজুদদারিতে কারসাজি  » «   সন্ত্রাস ও হিংসা মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে পাকিস্তানকে আহ্বান মোদির  » «   সংসদে লুকিয়ে চকলেট খেয়ে ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো!  » «  

পরকীয়া প্রেমে নারীরাই এগিয়ে!



লাইফস্টাইল ডেস্ক::পরকীয়া হল বিবাহিত কোন ব্যক্তির (নারী বা পুরুষ) স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বিবাহোত্তর বা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ক ও যৌন কর্মকাণ্ড। মানবসমাজে এটি লঘু বা গুরুভাবে নেতিবাচক হিসেবে গণ্য। পাশ্চাত্য আধুনিক সমাজে এর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বজায় থাকলেও এটি আইনত অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না, তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরকীয়াকারী ব্যক্তির বিবাহিত সঙ্গী তার সাথে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য কোর্টে আবেদন করতে পারেন। তবে ইসলামি রাষ্ট্রসমূহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যা হল পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদন্ড প্রদান।

মনোচিকিৎসায় একথা স্বীকৃত যে, পিতামাতার পরকীয়া সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর এবং সামাজিক সম্পর্ক ও যোগাযোগে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সন্তানের মানসিক বিষন্নতার ও আগ্রাসী মনোভাবের জন্ম দেয়। এছাড়া পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতিতে পরকীয়া প্রভাব রাখে।

পরকীয়া প্রেমে বিবাহিত নারীরা পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন এক গবেষণায় এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে। এসব নারীরা স্বামীর থেকে পর্যাপ্ত সময় বা পূর্ণ যৌনতৃপ্তি না পেলে বিবাহ বিচ্ছেদের দিকে না গিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, বিবাহিত মধ্যবয়স্কা নারীদের শারীরিক ও মানসিক চাহিদা একটু বেশি থাকে। এ বয়সটায় এসে প্রিয় পুরুষের কাছে ধরে রাখতে চান নিজের পূর্ণ আকর্ষণ। কিন্তু স্বামীর কাছ থেকে মনোযোগ না পেরে পরকীয়া প্রেমে ঝুঁকছেন তারা।

ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ উইনচেস্টারের পুরুষত্ব ও সেক্স স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক এরিক অ্যান্ডারসন জানিয়েছেন, বিয়ে করে পরিতৃপ্ত ও শয্যায় পূর্ণতৃপ্তি পাওয়া দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। তার গবেষণা বলছে, ৩০-৪৫ বছরের নারীরা আরও রোমান্টিক ও উত্তেজনাময় যৌনজীবনের জন্যই পরকীয়ায় জড়ান।

অ্যান্ডারসন ৩০ থেকে ৪৫ বছরের ১০০ জনেরও বেশি বিবাহিত নারীদের ওপর গবেষণা চালিয়েছেন। অ্যাশলে ম্যাডিসন ডট কম নামে একটি পরকীয়া প্রেম সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এই নারীদের কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছিল। তারপরেই এই সিদ্ধান্তে আসেন গবেষকরা।

গবেষণায় ৬৫ শতাংশেরও বেশি নারী পরকীয়ায় জড়িয়েছেন যৌন অতৃপ্তির কারণে। তাদের চাহিদা আরও উত্তেজনাময় ও আবেগিক শারীরিক সম্পর্ক। পাশাপাশি তারা এও স্বীকার করেছেন, তাদের পক্ষে নতুন করে বিয়ে করা সম্ভব নয়।

অ্যান্ডারসন বলছেন, বিয়ের কয়েক বছর পর স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে যৌন সম্পর্ক ফিকে হতে শুরু করে। কিন্তু নারীরা ফের বিয়ে করতে চান না। একই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছেন, এই গবেষণার মূল নির্যাস কখনোই বিবাহিত নারীদের অসম্মান করা নয়। বরং কি কারণে সম্পর্ক ভাঙছে বা নারীরা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে তার একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: