বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ত্রিশ লাখ শহীদকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী  » «   খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সালমানের জড়িত থাকার ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ রয়েছে  » «   পরীক্ষামূলক স্বাস্থ্য বীমা কার্যক্রম শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী  » «   অসুস্থ আ.ন.ম. শফিককে প্রধানমন্ত্রীর ৫ লক্ষ টাকা অনুদান  » «   কৃষকের ছেলে মুরসি যেভাবে হন মিসরের প্রেসিডেন্ট  » «   বিশ্বজুড়ে অনীহা বাড়লেও টিকায় আস্থার শীর্ষে বাংলাদেশ  » «   একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় দফায় আবেদন শুরু  » «   ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ  » «   নতুন ও হারানো সিমকার্ডে ট্যাক্স ২০০ টাকা  » «   উত্তাল বুয়েট, ভেতরে তালা রাজপথে শিক্ষার্থীরা  » «   রোগী সেজে চেম্বারে ম্যাজিস্ট্রেট, হাতেনাতে ধরা এইচএসসি পাস ডাক্তার  » «   ইমাম বুখারীর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ  » «   বিহারে এনসেফালাইটিসে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে ১২৯  » «   সিলেট-জগন্নাথপুর সড়কে বন্ধ হয়ে যেতে পারে গাড়ি চলাচল  » «   প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ফেলে খুলনায় জার্মান নারী  » «  

পরকীয়া প্রেমিকসহ চেয়ারম্যান-কন্যা আটক!



নিউজ ডেস্ক::নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রেমের টানে দুই সন্তানকে রেখে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার এক মাস পর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের মেয়ে নাজিরা আক্তার মিতুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় পরকীয়া প্রেমিক আবুল হোসেন সজিবকেও আটক করা হয়েছে।

রবিবার (২০ মে) দুপুরে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকা থেকে তাদের আটক ও উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে মিতু স্বামী ইউসুফ মিয়া ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভূইগড় রূপায়ন টাউনে বসবাস করেন। এরমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে এক সন্তানের জনক সজিবের সঙ্গে পূর্ব পরিচয়ে মিতুর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে।

এ ঘটনা সজিবের স্ত্রী সায়মা আক্তার জানতে পেরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর গত বছরের ২৩ আগস্ট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে উভয়পক্ষকে ডেকে শাসিয়ে দেন পুলিশ।

এরপর গত মাসের ১৮ এপ্রিল দুই সন্তান ও স্বামী রেখে রূপায়ন টাউন থেকে মিতু পালিয়ে যান। পরে ২৯ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া। তবে এর আগের দিন সজিবের ভাই সালাউদ্দিনও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

সালাহউদ্দিনের জিডিতে দাবি করা হয়, তার ভাই সজিবকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে ২৬ এপ্রিল মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

মিতুর দাবি বলেন, ‘সজিব আমাকে অপহরণ করেনি। নিজ থেকে স্বেচ্ছায় সজিবের সাথে এসেছি। সজিবকে আমি বিয়ে করেছি। আমার আগের স্বামীকে পূর্বেই তালাক দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্পর্ক প্রায় তিন বছর যাবৎ। এ ঘটনা সবাই জানতেন। আমার আগের স্বামী একটা মানসিক রোগী।’

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লাহ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কাদের (পিপিএম) বলেন, মিতুর স্বামীর দায়ের করা অপহরণ মামলায় মিতুকে উদ্ধার এবং একজনকে আটক করা হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: