মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিতর্কিত আইনে কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী গ্রেপ্তার  » «   অপমানজনক বিতাড়ণের আগে সিনেট ও ডাকসু ছাড়ুন: শোভন-রাব্বানীকে ভিপি নুর  » «   পেঁয়াজ নেই, তবুও বিক্রির ঘোষণা টিসিবির!  » «   শর্ত ভেঙে ‘অযোগ্য’ প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিচ্ছে গণপূর্ত  » «   মেট্রোরেলের জন্য আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ  » «   রংপুর উপনির্বাচনে সরে দাঁড়ালেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী  » «   সিলেটে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ  » «   শোভন-রাব্বানীর পর এবার আলোচনায় যুবলীগ  » «   মধ্যরাতে ‘এক কাপড়ে’ সৌদি থেকে ফিরলেন ১৭৫ বাংলাদেশি  » «   ভারতে ভয়াবহ নৌকাডুবি: নিহত ১২, নিখোঁজ ৩০  » «   এবার রিফাত হত্যার নতুন ভিডিও প্রকাশ্যে  » «   সিলেটে গ্রেফতার সেই ডিআইজির পক্ষে দাঁড়ালেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী  » «   পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের সঙ্গে সিলেট বিভাগের পৌর মেয়রদের বৈঠক  » «   কমিশন কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যাচ্ছেন জাবি উপাচার্য  » «   সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলার পর থেকেই তেলের দাম ১০ শতাংশ বৃদ্ধি  » «  

পরকীয়া প্রেমিকসহ চেয়ারম্যান-কন্যা আটক!



নিউজ ডেস্ক::নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রেমের টানে দুই সন্তানকে রেখে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার এক মাস পর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের মেয়ে নাজিরা আক্তার মিতুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় পরকীয়া প্রেমিক আবুল হোসেন সজিবকেও আটক করা হয়েছে।

রবিবার (২০ মে) দুপুরে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকা থেকে তাদের আটক ও উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে মিতু স্বামী ইউসুফ মিয়া ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভূইগড় রূপায়ন টাউনে বসবাস করেন। এরমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে এক সন্তানের জনক সজিবের সঙ্গে পূর্ব পরিচয়ে মিতুর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে।

এ ঘটনা সজিবের স্ত্রী সায়মা আক্তার জানতে পেরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর গত বছরের ২৩ আগস্ট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে উভয়পক্ষকে ডেকে শাসিয়ে দেন পুলিশ।

এরপর গত মাসের ১৮ এপ্রিল দুই সন্তান ও স্বামী রেখে রূপায়ন টাউন থেকে মিতু পালিয়ে যান। পরে ২৯ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া। তবে এর আগের দিন সজিবের ভাই সালাউদ্দিনও একই থানায় আরেকটি জিডি করেন।

সালাহউদ্দিনের জিডিতে দাবি করা হয়, তার ভাই সজিবকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে ২৬ এপ্রিল মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

মিতুর দাবি বলেন, ‘সজিব আমাকে অপহরণ করেনি। নিজ থেকে স্বেচ্ছায় সজিবের সাথে এসেছি। সজিবকে আমি বিয়ে করেছি। আমার আগের স্বামীকে পূর্বেই তালাক দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্পর্ক প্রায় তিন বছর যাবৎ। এ ঘটনা সবাই জানতেন। আমার আগের স্বামী একটা মানসিক রোগী।’

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লাহ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. মঞ্জুর কাদের (পিপিএম) বলেন, মিতুর স্বামীর দায়ের করা অপহরণ মামলায় মিতুকে উদ্ধার এবং একজনকে আটক করা হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: