মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

পতিতালয় থেকে বেঁচে ফিরে, প্রধানমন্ত্রীকে তরুণীর চিঠি!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::নারী পাচারকারীদের খপ্পরে পরে দীর্ঘ ৬ বছর অন্ধকারে কাটিয়েছেন তিনি। পতিতালয়ের প্রতিটি মূহুর্তের ভয়ঙ্কর যন্ত্রণাগুলো এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় ওই তরুণীকে।সেই যন্ত্রণার কথা মনে পড়লেও আজও চোখ বন্ধ করে থাকেন তিনি।

ভারতের একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভারতের মহারাষ্ট্রের মহিলা কমিশন ও রাজ্য পুলিশের তৎপরতায় সম্প্রতি একটি পতিতাপল্লি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ওই তরুণীকে। পতিতালয় থেকে মুক্তি পেয়ে একটি পোষাক কারখানায় নতুন জীবন খুঁজে পেয়েছেন তিনি।

তবে পতিতালয় থেকে নিজে বেঁচে এসে বসে থাকেন নি ওই তরুণী। সেখানে থাকা বাকিদের কথাও চিন্তা করেন তিনি। তাই বাকিদের উদ্ধারে পতিতালয় থেকে মুক্তি পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন ওই তরুণী।খামের উপর ঠিকানা— সাউথ ব্লক, রাইসিনা হিলস।

প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে ওই তরুণী জানিয়েছেন, কী ভাবে ওই পতিতাপল্লিতে পাচারকারীরা তাঁকে বিক্রি করে দিয়েছিল। সেখানে পশুর থেকেও নিকৃষ্ট ভাবে অত্যাচার করা হত তাঁর উপর। রোজই মারধর করা হত।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) তাঁর সেই দু’পাতার চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিয়েছেন মহারাষ্ট্র মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকর। যে সংগঠনের মাধ্যমে তিনি বেঁচে ফিরেছেন সেই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে ওই নির্যাতিতা জানান, শেষ ছয় বছরে বাঁচার সমস্ত আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। মনে হত, এই পাশবিক যন্ত্রণা ভোগ করতে করতে একদিন এই পতিতাপল্লিতেই মরে যেতে হবে তাঁকে।

সেই অন্ধকার জীবন থেকে বেরিয়ে এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর একটাই আর্জি, নিজের বোন ভেবে পাচারকারীদের হাত থেকে অসহায় মেয়েগুলোকে উদ্ধার করুন।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিজয়া জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ওই চিঠি গ্রহণ করেছেন এবং শীঘ্রই তিনি ব্যবস্থা নিবেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: